SEBA Class 9 Science Important Chapter 13 আমরা অসুস্থ হই কেন? Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Science Important Chapter 13 আমরা অসুস্থ হই কেন? Solutions and select need one. SEBA Class 9 General Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Science Important Question Answer.
SEBA Class 9 Science Important Chapter 13 আমরা অসুস্থ হই কেন?
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Additional Niotes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
আমরা অসুস্থ হই কেন?
Chapter: 13
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
প্রশ্ন ১। স্বাস্থ্য মানে কি?
উত্তরঃ স্বাভাবিকভাবে দৈনন্দিন কাজকর্ম করার জন্য যে মানসিক, শারীরিক এবং সামাজিক সুস্থ অবস্থার প্রয়োজন তাকেই স্বাস্থ্য বলা হয়।
প্রশ্ন ২। ব্যক্তি-স্বাস্থ্য এবং জনস্বাস্থ্যের মধ্যে থাকা সম্পর্কের বিষয়ে সংক্ষেপে আলোচনা কর।
উত্তরঃ স্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনাতে ব্যক্তি-স্বাস্থ্য এবং জনস্বাস্থ্য এই দুটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়। কোনো ব্যক্তির স্বাস্থ্য বলতে সেই ব্যক্তির কেবল শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক অবস্থাকে বোঝায় না, বরং তার বসবাস করা অঞ্চলের সকল ব্যক্তির সামগ্রিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে ব্যক্তিটির স্বাস্থ্যও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কোনো অঞ্চলে বসবাস করা সকল ব্যক্তির সামগ্রিক সুস্থ ব্যবস্থা এবং তার সুস্থ পরিবেশকে একসঙ্গে জনস্বাস্থ্য বলা হয়। আমরা যদি জনস্বাস্থ্যকে সুরক্ষা দিতে না পারি তাহলে আমাদের ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যও অটুট রাখতে পারব না। সুতরাং ব্যক্তিস্বাস্থ্য অটুট রাখার জন্য আমাদের প্রত্যেককে জনস্বাস্থ্যের সামগ্রিক অবস্থার প্রতি নজর রাখা উচিত।
প্রশ্ন ৩। ব্যক্তি-স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্যে সামাজিক সাম্যতা এবং সামঞ্জস্য থাকা অত্যন্ত জরুরী কেন?
উত্তরঃ আমরা প্রকৃত সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে গেলে আমাদের খুশী হয়ে থাকতে হবে। আমরা যদি প্রত্যেকে প্রত্যেকের সাথে ভাল ব্যবহার না করি বা একজন অন্যজনকে ভয় পাই তখন আমরা খুশী থাকতে পারব না বা আমাদের স্বাস্থ্য ভাল থাকবে না। অতএব ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্যে সামাজিক সাম্যতা এবং সামঞ্জস্য থাকা অত্যন্ত জরুরী।
প্রশ্ন ৪। চারটি রোগের নাম বল. যাদের টিকা পাওয়া যায়।
উত্তরঃ (i) ধনুষ্টংকার।
(ii) ডিফথেরিয়া।
(iii) হুপিং কফ।
(iv) হেপাটাইটিস B
প্রশ্ন ৫। টিকা কাকে বলে? যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক টিকার নাম কি?
উত্তরঃ যেসব নিষ্ক্রিয় বা সক্রিয় বীজাণু অথবা এমনকি বীজাণু থেকে উৎপন্ন হওয়া বিষাক্ত দ্রব্য সুস্থ মানুষের শরীরে প্রবেশ করিয়ে কৃত্রিম অসংক্রাম্যতা প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট রোগ থেকে শরীরে সুরক্ষা প্রদান করে একেই টিকা বলে।
যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক টিকাটির নাম বি. সি. জি।
প্রশ্ন ৬। অসংক্রাম্যতা মানে কি?
উত্তরঃ বীজাণুজনিত রোগের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্যে আমাদের শরীরে এক বিশেষ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকে। শরীরের এরকম রোগ প্রতিরোধ করতে পারা ক্ষমতাকে অসংক্রাম্যতা বলে।
প্রশ্ন ৭। সংক্রামক রোগ নিবারণের বিভিন্ন উপায়গুলি উল্লেখ কর।
উত্তরঃ সংক্রামক রোগ নিবারণের বিভিন্ন উপায়গুলি হল-
(i) বায়ু বাহিত রোগ থেকে রক্ষা পেতে জনাকীর্ণ স্থানে বাস করা এড়িয়ে চলা।
(ii) জলের মাধ্যমে বিস্তার হওয়া অণুজীব থেকে রক্ষা পেতে সর্বদা বিশুদ্ধ জল পান করা।
(iii) বাহক বাহিত রোগের সংক্রমণ আটকাতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা। এর ফলে রোগবাহক মশা বা মাছির বংশবৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
(iv) সঠিক ও পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টিকর আহার গ্রহণ করা যাতে দেহে রোগ প্রতিরোধ পায়।
প্রশ্ন ৮। ভাইরাস সংক্রমিত রোগে এ্যান্টিবায়োটিক কার্যকরী হয় না কেন?
উত্তরঃ এ্যান্টিবায়োটিক ওষুধগুলি সাধারণত ব্যাক্টেরিয়ার প্রয়োজনীয় জৈব রাসায়নিক পদ্ধতি ব্যাহত করে। ব্যাক্টেরিয়ার দেহে কোষ প্রাচীরের সৃষ্টি হয় যার সাহায্যে ব্যাক্টেরিয়া নিজেকে রক্ষা করে। পেনিসিলিন-এর মতো এ্যান্টিবায়োটিক গুলি ব্যাক্টেরিয়ার কোষপ্রাচীর গঠন ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। এতে বৃদ্ধি পেতে থাকা ব্যাক্টেরিয়াগুলি তাদের কোষপ্রাচীর গঠন করতে অক্ষম হয় এবং সহজেই মরে যায়। কিন্তু ভাইরাসগুলি আদৌ এই বিপাকীয় পথে কাজ করে না। সেজন্য ভাইরাস সংক্রমিত রোগে এ্যান্টিবায়োটিক কার্যকরী হয় না।
প্রশ্ন ৯। রোগ হয়েছে বলে আমরা কিভাবে জানতে পারি?
উত্তরঃ রোগের লক্ষণগুলি যেমন সর্দি-কাশি, মাথা ধরা, পেট খারাপ ইত্যাদি দেখে আমরা বলতে পারি যে কোন ব্যক্তির রোগ হয়েছে।
প্রশ্ন ১০। ক্ষণস্থায়ী এবং চিরস্থায়ী রোগ বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ কিছু কিছু রোগ আমাদের দেহে হঠাৎ করে আসে এবং অল্প কয়েকদিন ধরে থাকে। এরূপ রোগকে ক্ষণস্থায়ী রোগ বলে। সর্দি কাশির মতো রোগগুলি হল ক্ষণস্থায়ী রোগ। ক্ষণস্থায়ী রোগ আমাদের সাধারণ স্বাস্থ্যের উপর খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারে না।
আবার কতকগুলি রোগ দেহে অনেকদিন ধরে থাকে এমনকি চিরকালই থাকতে পারে। এধরনের রোগকে চিরস্থায়ী রোগ বা পুরাতন রোগ বলে। ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে হওয়া ‘গোদ’ রোগের সংক্রমণ হল চিরস্থায়ী রোগ। চিরস্থায়ী রোগ ক্ষণস্থায়ী রোগের তুলনায় মানুষের শরীরে প্রচণ্ড রকম দীর্ঘকালীন প্রভাব ফেলে থাকে।
প্রশ্ন ১১। রোগের কারণ কি কি হতে পারে সেগুলি তালিকাবদ্ধ কর।
উত্তরঃ রোগের বিভিন্ন কারণগুলি হল-
(i) রোগকারক ব্যাক্টেরিয়া, ভাইরাস, ইত্যাদি অণুজীবগুলির সংক্রমণ।
(ii) সঠিক পর্যাপ্ত পরিমাণে সুষম খাদ্যের অভাব অর্থাৎ পুষ্টিহীনতা।
(iii) খারাপ স্বাস্থ্য।
(iv) জিনগত পার্থক্য ইত্যাদি।
প্রশ্ন ১২। সংক্রামক রোগ কাকে বলে?
উত্তরঃ যে সকল রোগ আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ থেকে সুস্থ মানুষের দেহে স্পর্শ, বায়ু, জল, খাদ্য ইত্যাদির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তাদেরকে সংক্রামক রোগ বলে।
প্রশ্ন ১৩। সংক্রামক রোগ সৃষ্টি করতে পারা জীবের শ্রেণিগুলির নাম লেখ।
উত্তরঃ সংক্রামক রোগ সৃষ্টি করতে পারা জীবের শ্রেণিগুলি হল-
(i) কতকগুলি ভাইরাস।
(ii) কতকগুলি ব্যাক্টেরিয়া।
(iii) কতকগুলি ফানজাই বা ছত্রাক।
(iv) কিছু এককোষী প্রাণী।
(v) কৃমি জাতীয় কিছু বহুকোষী প্রাণী ইত্যাদি।
প্রশ্ন ১৪। ভাইরাসজনিত চারটি রোগের নাম লেখ।
উত্তরঃ ভাইরাসজনিত চারটি রোগের নাম, যথা— সাধারণ সর্দি জ্বর, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গু জ্বর এবং এইড্স।
প্রশ্ন ১৫। ব্যাক্টেরিয়াজনিত চারটি রোগের নাম লেখ।
উত্তরঃ ব্যাক্টেরিয়াজনিত চারটি রোগের নাম, যথা—কলেরা, টাইফয়েড, যক্ষ্মা, ফোঁড়া বা ব্রণ।
প্রশ্ন ১৬। প্রোটোজোয়ার দ্বারা হওয়া কয়েকটি রোগের নাম উল্লেখ কর।
উত্তরঃ প্রোটোজোয়ার দ্বারা হওয়া কয়েকটি রোগের নাম, যথা- অ্যামেবিক ডিসেন্ট্রি বা অ্যামিবীয় আমাশয়, ম্যালেরিয়া, ঘুমরোগ বা স্লিপিংসিক্নেস, কালাজ্বর ইত্যাদি।
প্রশ্ন ১৭। বহুকোষীয় কৃমি দ্বারা হওয়া মানুষের দুটি রোগের নাম লেখ।
উত্তরঃ কৃমি দ্বারা হওয়া মানুষের দুটি রোগের নাম, যথা—টিনিয়াসিস, অ্যাস্কারিয়াসিস।
প্রশ্ন ১৮। অসংক্রামক রোগ কাকে বলে? দুটি উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ যে সকল রোগ কেবল রোগীর শরীরে আবদ্ধ হয়ে থাকে অর্থাৎ একজনের দেহ থেকে অন্যজনের দেহে ছড়ায় না সেই সকল রোগকে অসংক্রামিত রোগ বলে। এইসব রোগ জীবাণু দ্বারা হয় না।
দুটি অসংক্রামক রোগের নাম, যথা— স্কার্ভি ইত্যাদি অভাবজনিত রোগ, অ্যালার্জি রোগ।
প্রশ্ন ১৯। স্লিপিং সিক্নেস বা ঘুমরোগ সৃষ্টিকারী বীজাণুটির নাম লেখ।
উত্তরঃ ট্রাইপ্যানোসোমা নামক প্রোটোজোয়াটি স্লিপিং সিকনেস বা ঘুম রোগ সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন ২০। ব্রণ বা ফোঁড়া সৃষ্টিকারী বীজাণুটির নাম লেখ।
উত্তরঃ স্ট্যাফাইলোকক্কাস নামক ব্যাক্টেরিয়াটি ব্রণ বা ফোঁড়ার সৃষ্টি করে।
প্রশ্ন ২১। কালাজ্বর রোগের কারক বীজাণুর নাম লেখ।
উত্তরঃ কালাজ্বর রোগের কারক বীজাণুটি হল লেসম্যানিয়া নামক একপ্রকার প্রোটোজোয়া।
প্রশ্ন ২২। মানুষের অন্ত্রে অ্যাস্কারিয়াসিস্ রোগ হওয়া কৃমিটির নাম লেখ।
উত্তরঃ অ্যাস্কারিস লুম্ব্রিকয়ডিস (Ascaris lumbricoides) নামক গোলকৃমি।
প্রশ্ন ২৩। কোনো শ্রেণির অণুজীবের সংক্রমণে দেহে চর্ম রোগের সৃষ্টি হয়?
উত্তরঃ ছত্রাক বা ফানজাই।
প্রশ্ন ২৪। ম্যালেরিয়া রোগ কেমন করে হয় সংক্ষেপে লেখ।
উত্তরঃ ম্যালেরিয়া রোগ প্লাজমোডিয়াম নামক একপ্রকার প্রোটোজোয়া পরজীবী জীবাণুর দ্বারা হয়। শুধুমাত্র এনোফিলিস জাতীয় স্ত্রী মশা-ই এই রোগ ছড়াতে পারে। মশা এবং মানুষের মধ্যে ম্যালেরিয়া পরজীবী জীবনচক্র সম্পূর্ণ করে। একজন ম্যালেরিয়া রোগীর দেহ থেকে স্ত্রী এনোফিলিস জাতীয় মশা রক্ত খেলে সেই রক্তের সঙ্গে ম্যালেরিয়ার জীবাণুও মশার শরীরে প্রবেশ করে। এর প্রায় দু’সপ্তাহ পরেই জীবাণুটি মশার পেটে তার যৌন জীবন সম্পূর্ণ করে ম্যালেরিয়া রোগ ছড়াবার ক্ষমতা অর্জন করে। এই মশা আবার একজন সুস্থ মানুষকে কামড়ালে তার শরীরে ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণুটি ছেড়ে দেয়। সুস্থ মানুষের শরীরে জীবাণুর অযৌন জীবন সম্পূর্ণ হয় এবং মানুষটি প্রায় দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ম্যালেরিয়া রোগে আক্রান্ত হয়।
প্রশ্ন ২৫। বিভিন্ন প্রজাতির অণুজীব দেহের বিভিন্ন অঙ্গে কিভাবে বাসা বাধে সে সম্পর্কে কিছু উদাহরণসহ আলোচনা কর।
উত্তরঃ বিভিন্ন প্রজাতির অণুজীব দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বাসা বাধতে চায়। তাদের এই বাসস্থান নির্বাচন পোষকদেহে তাদের প্রবেশ স্থানের উপর নির্ভর করে। যেসব অণুজীব বাতাস থেকে নাক দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে এরা সাধারণত ফুসফুসে আশ্রয় গ্রহণ করে। যক্ষ্মা রোগের কারক ব্যাক্টেরিয়া এভাবে শরীরে প্রবেশ করে। যদি রোগকারক অণুজীব মুখ দিয়ে প্রবেশ করে তবে সেগুলি দেহের অস্ত্রে যায়। যেমন টাইফয়েড রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাক্টেরিয়া অস্ত্রে বাসা বাধে। কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম দেখা যায়। যেমন এইচ. আই. ভি-র মতো সংক্রমণ যৌন অঙ্গ বা রক্তের মাধ্যমে দেহে প্রবেশ করে সেই সংক্রমণ সারা দেহের লসিকাগ্রন্থিতে বিস্তার করে। মশার কামড় থেকে সংক্রামিত হওয়া ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব যকৃতে যায় এবং সেখান থেকে পরে রক্তের লোহিত কণিকার ভিতরে প্রবেশ করে। জাপানী এনকেফেলাইটিস বা ব্রেন ফিভার মশার কামড় থেকে সংক্রামিত হয় এবং মস্তিষ্কে যায়।
প্রশ্ন ২৬। প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন (inflammation) কাকে বলে?
উত্তরঃ দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবকে ধ্বংস করার জন্য দেহের আক্রান্ত কলাতে অনেকগুলি কোষ নিযুক্ত করে। এই নিযুক্তি পদ্ধতিকে প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন বলে। প্রদাহের ফলে উপসর্গ হিসাবে আক্রান্ত স্থানে ফোলা, ব্যথা এবং সাধারণত জ্বর হতে দেখা যায়।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

