SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 8 পৃথিবীর ভূগোল

SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 8 পৃথিবীর ভূগোল Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 8 পৃথিবীর ভূগোল Solutions and select need one. Class 10 Social Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Social Science Important Question Answer.

SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 8 পৃথিবীর ভূগোল

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. SEBA Class 10 Social Science Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Social Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 8

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ১। ২০১৫ সনের আনুমানিক তথ্য অনুযায়ী পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা কত ?  

উত্তৰঃ প্রায় ৭৩০ কোটি । 

প্রশ্ন ২। কোন্ মহাদেশটি সবচেয়ে বড় ? 

উত্তৰঃ এশিয়া । 

প্রশ্ন ৩। কোন্ মহাসাগরটি সবচেয়ে বড় ? 

উত্তৰঃ প্রশান্ত মহাসাগর । 

প্রশ্ন ৪। পৃথিবীর মোট আয়তন কত ? 

উত্তৰঃ প্রায় ৫১০ নিযুত বর্গ কিলোমিটার । 

প্রশ্ন ৫। পৃথিবীতে মহাসাগর কয়টি এবং কী কী ? 

উত্তৰঃ পৃথিবীতে মহাসাগর ৫ টি । প্রশান্ত মহাসাগর , আটলান্টিক মহাসাগর ভারত মহাসাগর , উত্তর মহাসাগর ও দক্ষিণ মহাসাগর ।

প্রশ্ন ৬। পৃথিবীতে মহাদেশ কয়টি এবং কী কী ? 

উত্তৰঃ পৃথিবীতে মহাদেশ ৭ টি । এশিয়া , ইউরোপ , আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা , দক্ষিণ আমেরিকা , এন্টার্কটিকা , ওশেনিয়া। 

প্রশ্ন ৭। পৃথিবীতে মোট স্থলভাগ ও জলভাগের আয়তন কত ? 

উত্তৰঃ পৃথিবীতে মোট স্থলভাগ প্রায় ১৪৯ নিযুত বর্গ কিলোমিটার এবং জলভাগ প্রায় ৩৭১ বর্গ নিযুত বর্গ কিলোমিটার । 

প্রশ্ন ৮। পান্থালাসা বলতে কী বোঝ ? 

উত্তৰঃ স্থলমণ্ডল বা পেঞ্জিয়ার চতুর্দিকে ঘিরে থাকা জলমণ্ডলটিকে পান্থালাসা বলে । 

প্রশ্ন ৯। কোন্ সাগর পেঞ্জিয়াকে উত্তর দক্ষিণে দুভাগে ভাগ করেছে ? 

উত্তৰঃ টেথিস সাগর । 

প্রশ্ন ১০। পেঞ্জিয়ার ভাগ দুটির নাম কী কী ? 

উত্তৰঃ উত্তর অংশটির নাম লরেশিয়া এবং দক্ষিণ অংশের নাম গণ্ডোয়ানাল্যাণ্ড । 

প্রশ্ন ১১। লরেশিয়া বিভক্ত হয়ে কোন্ কোন্ স্থলভাগের সৃষ্টি হয়েছে ? 

উত্তৰঃ লরেশিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর আমেরিকা , গ্রীণল্যাণ্ড ও ভারত উপমহাদেশের উত্তরে থাকা ইউরোপ ও এশিয়া মহাদেশের সৃষ্টি হয়েছিল । 

প্রশ্ন ১২। গণ্ডোয়ানা ল্যাণ্ড বিভক্ত হয়ে কোন্ কোন্ স্থলভাগের সৃষ্টি হয়েছে ? 

উত্তৰঃ গণ্ডোয়ানা ল্যাণ্ড বিভক্ত হয়ে দক্ষিণ আমেরিকা , আফ্রিকা , মাদাগাস্কার , ভারতবর্ষ , আরব অঞ্চল , মালয়েশিয়া ও অন্যান্য দ্বীপসমূহ , অষ্ট্রেলিয়া , এন্টার্কটিকা ইত্যাদির সৃষ্টি হয়েছে ।

প্রশ্ন ১৩। স্থলমণ্ডলকে কী কী চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে ? 

উত্তৰঃ স্থলমণ্ডলকে চারটি অংশে ভাগ করা হয়েছে —

( ১ ) এশিয়া , ইউরোপ ও আফ্রিকা ।

( ২ ) উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা ।

( ৩ ) অষ্ট্রেলিয়া ও বহুসংখ্যক দ্বীপসহ ওশেনিয়া । এবং 

( ৪ ) এন্টার্কটিকা মহাদেশ । 

প্রশ্ন ১৪। পৃথিবীর মোট কত শতাংশ লোক উত্তর গোলার্ধে বাস করে ? 

উত্তৰঃ প্রায় ৯০ শতাংশ ।

প্রশ্ন ১৫। পৃথিবীর গভীরতম খাত কোনটি ? 

উত্তৰঃ প্রশান্ত মহাসাগরের মেরিয়ানা বা চ্যালেঞ্জার খাত ( ১১,০২২ মিটার গভীর ) । 

প্রশ্ন ১৬। পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগর কোন্‌টি ? 

উত্তৰঃ প্রশান্ত মহাসাগর । 

প্রশ্ন ১৭। প্রশান্ত মহাসাগরে ছোট বড় কয়টি দ্বীপ আছে ? 

উত্তৰঃ প্রায় ২০,০০০ টি । 

প্রশ্ন ১৮। প্রশান্ত মহাসাগরের গড় গভীরতা কত ? 

উত্তৰঃ প্রায় ৫০০০ মিটার । 

প্রশ্ন ১৯। আটলান্টিক মহাসাগরের গড় গভীরতা কত ? 

উত্তৰঃ প্রায় ৩০০০ মিটার । 

প্রশ্ন ২০। প্রশান্ত মহাসাগরের বিস্তৃতি কত ? 

উত্তৰঃ প্রায় ১৬৫ নিযুত বর্গ কিলোমিটার । 

প্রশ্ন ২১। আটলান্টিক মহাসাগরের বিস্তৃতি কত ? 

উত্তৰঃ প্রায় ৮২ নিযুত বর্গ কিলোমিটার । 

প্রশ্ন ২২। ভারত মহাসাগরের বিস্তৃতি কত ? 

উত্তৰঃ প্রায় ৭৩ নিযুত বর্গ কিলোমিটার । 

প্রশ্ন ২৩। ভারত মহাসাগরের গড় গভীরতা কত ? 

উত্তৰঃ প্রায় ৪০০০ মিটার । 

এশিয়া মহাদেশ 

প্রশ্ন ১। পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ কোন্‌টি ? 

উত্তৰঃ এশিয়া মহাদেশ । 

প্রশ্ন ২। কোন গ্রন্থিকে পৃথিবীর ছাদ বলা হয় ? 

উত্তৰঃ পামীর গ্রন্থিকে । 

প্রশ্ন ৩। এশিয়ার কোন্ হ্রদটি পৃথিবীর মধ্যে বৃহত্তম ? 

উত্তৰঃ কাস্পিয়ান হ্রদ । 

প্রশ্ন ৪। এশিয়ার কোন্ দেশে জনসংখ্যা সর্বাধিক ? 

উত্তৰঃ চীনদেশে ।

প্রশ্ন ৫। এশিয়ার অন্তর্বাহিনী নদীগুলির নাম লেখো । 

উত্তৰঃ এশিয়া মহাদেশের অন্তর্বাহিনী নদীগুলি হল— তারিম , ইউরাল , আমুদরিয়া ও জর্ডান। 

প্রশ্ন ৬। এশিয়া মহাদেশের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কত ? 

উত্তৰঃ এশিয়া মহাদেশের দৈর্ঘ্য ৯৬০০ কি.মি. এবং প্রস্থ ৮৪৮০ কি.মি .। 

প্রশ্ন ৭। এশিয়ার মোট কালি কত ? 

উত্তৰঃ ৪৪.২ নিযুত বর্গ কি.মি. ।

প্রশ্ন ৮। এশিয়া ভারতবর্ষের কতগুণ ? 

উত্তৰঃ ১৪ গুণ । 

প্রশ্ন ৯। এশিয়ার চারিসীমা লেখো । 

উত্তৰঃ এশিয়ার উত্তরে উত্তর সাগর , পূর্বে বেরিং প্রণালী ও প্রশাস্ত মহাসাগর , দক্ষিণে ভারত মহাসাগর এবং পশ্চিমে লোহিত সাগর , সুয়েজ খাল , ভূমধ্যসাগর , ককেসাস পর্বত , কাস্পিয়ান সাগর , ইউরাল নদী ও ইউরাল পর্বতমালা । 

প্রশ্ন ১০। এশিয়া মহাদেশের উপকূলভাগের দৈর্ঘ্য কত ? 

উত্তৰঃ প্রায় ৫৮০০০ কিলোমিটার । 

প্রশ্ন ১১। পৃথিবীর ছাদ কাকে বলা হয় ? 

উত্তৰঃ পামীর মালভূমিকে । 

প্রশ্ন ১২। এশিয়ার কয়েকটি ধর্মের নাম লেখো । 

উত্তৰঃ ভারতের হিন্দু , জৈন , বৌদ্ধও শিখ । পশ্চিম এশিয়ার ইহুদী , পার্শী , খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্ম । চীন দেশের কনফুসিয়াস ও তাও এবং জাপানের শ্বিন্টো ।

প্রশ্ন ১৩। এশিয়ার কোন স্থানটিকে প্রাচ্যের ম্যানচেষ্টার বলা হয় এবং কেন ? 

উত্তৰঃ জাপানের ওসাকাকে প্রাচ্যের ম্যানচেষ্টার বলা হয় । এই স্থানে জাপানের বৃহত্তম কার্পাস বয়ন শিল্পকেন্দ্র । এই স্থানে টেরিলিন , নাইলন , পলিয়েস্টার , রেয়ন প্রভৃতি কৃত্রিম তন্তুজাত বস্ত্রবয়ন শিল্প গড়ে উঠেছে ।

প্রশ্ন ১৪। ইয়াংসিকিয়াং নদীর অববাহিকায় জনবসতি ঘন কেন ? 

উত্তৰঃ এই অববাহিকার আয়তন খাস চীনের প্রায় ১/৩ অংশ । ইহা তিব্বতের মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে চীনের সাগরে পড়েছে । এই নদীর গতিপথে কয়েকটি হ্রদ থাকায় এখানে হোয়াহোং নদীর ন্যায় বন্যা হয় না । নদীর উভয় পারে বহু উর্বর উপত্যকা আছে । একেবারে উচ্চখণ্ড ব্যতীত এই নদীর মাঝখানে এবং শেষ হওয়ার প্রায় ১,৫০০ কিলোমিটার সুনাব্য , এর নদী , শাখা নদী এবং খালসমূহ চীনাদের যাতায়াত ও দৈনন্দিন জীবনের প্রধান সম্বল । তদুপরি নদীটির পার্বত্য অববাহিকায় কয়লা , লোহা ও সোনার খনি আছে । এই সকল সুবিধা থাকার জন্য এখানে চীন দেশের প্রায় অর্দ্ধেক লোক এই নদীর পাড়ে কৃষিকার্য করে সুন্দর নগর গড়ে জীবন অতিবাহিত করছে । জলবায়ুর উপযোগিতার জন্যও এখানে জনবসতি ঘন । এই অঞ্চলে শীতকালে খুব বেশি শীত পড়ে না এবং গরমের দিনে অল্প বৃষ্টিপাত হয় । 

প্রশ্ন ১৫। দক্ষিণ – পূর্ব এশিয়ায় লোকবসতি ঘন কেন ? 

উত্তৰঃ দক্ষিণ – পূর্ব এশিয়ার গঙ্গা , ব্রহ্মপুত্র , ইরাবতী , মেনাম, মেকং প্রভৃতি নদী উপত্যকায় ভূমি অত্যন্ত উর্বর । গ্রীষ্মকালে মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় । মালয়, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি অঞ্চলে সারা বৎসরই পরিচালন বৃষ্টিপাত হয় । এই জন্য দক্ষিণ – পূর্ব এশিয়ার বহু লোক কৃষিকার্য করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে । জীবিকা অর্জন সহজ বলেই এই অঞ্চলে লোকবসতি ঘন । 

প্রশ্ন ১৬। এশিয়ার মৌসুমী অঞ্চলের দেশগুলি উন্নত কেন ? 

উত্তৰঃ এশিয়ার মৌসুমী অঞ্চলের অন্তর্গত দেশগুলিতে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয় । ভারত , মায়ানমার , থাইল্যাণ্ড , চীনের দক্ষিণ – পূর্ব অংশ ও মধ্যভাগ , জাপান , কোরিয়ার কিছু অংশে মৌসুমী জলবায়ুর প্রভাবে বৃষ্টিপাত হয় । গ্রীষ্মকালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অধিক । শীতকালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অতিশয় কম । শ্রীলঙ্কা , ইন্দোনেশিয়া , মালয়েশিয়া এবং দক্ষিণ – পূর্ব এশিয়ার দ্বীপপুঞ্জগুলিতে সারবৎসরই বৃষ্টিপাত হয় । এজন্য সমভূমি অঞ্চলগুলিতে চাষাবাদের সুবিধা আছে । বেশির ভাগ লোকের উপজীবিকা কৃষি ।

মৌসুমী বায়ু ও বরফগলা জল দ্বারা পরিপুষ্ট দক্ষিণ প্রবাহিনী ও পূর্ব প্রবাহিনী নদীগুলো বিস্তৃত সমভূমির সৃষ্টি করেছে । এগুলি এশিয়ার বিভিন্ন সভ্যতার মূল ভিত্তি । সিন্ধু – গঙ্গা অঞ্চলে আর্যসভ্যতা , ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদীর অববাহিকাতে মেসোপটেমিয়া সভ্যতা , ইরাবতী , সালুইন , মেকং , মেনাম ইত্যাদিতে ইন্দোচীন সভ্যতা এবং ইয়াংসিকিয়াং এবং হোয়াংহো নদীর অববাহিকাতে চীন সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল । পাকিস্তানের অন্তর্গত সিন্ধুনদের অববাহিকাতেও চাষ করা হয় । এই অঞ্চলের নদীগুলি নাব্য ও জলসেচের উপযুক্ত । সেজন্য অতীতের কৃষিভিত্তিক এশিয়াতে নদীমাতৃক সমভূমি অঞ্চলে সহজেই অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক উন্নতি সম্ভব হয়েছে । মৌসুমী জলবায়ুর প্রভাবেই এই অঞ্চলগুলো বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর । এজন্য এ অঞ্চলে জলবসতির ঘনত্বও অত্যধিক । কাজেই এশিয়াতে মৌসুমী অঞ্চলের অন্তর্গত অঞ্চল অধিক উন্নতি লাভ করেছে । এই অঞ্চলগুলিতে কৃষি , শিল্প , যাতায়াত ব্যবস্থা ইত্যাদির ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নত ।

প্রশ্ন ১৭। এশিয়ার সকল অঞ্চল বা দেশ সমান উন্নত নয় কেন ? 

উত্তৰঃ এশিয়ার সকল অঞ্চল বা দেশ সমান উন্নত নয় । কিছু সংখ্যক দেশ উন্নতির পথে অগ্রসর হলেও কিছু কিছু দেশ বর্তমানেও অগ্রসর হয়ে আছে । এ ধরনের বিভিন্নতার কারণগুলোর মধ্যে ভূ – প্রকৃতির বৈচিত্র্য , জলবায়ুর ভিন্নতা এবং প্রাকৃতিক সম্পদ বিতরণের অসমতাই প্রধান । প্রতিকূল ভূ – প্রকৃতি ও জলবায়ু প্রধানত জনবসতি , কৃষিকার্য ও যাতায়াতের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট অসুবিধার সৃষ্টি করে । এর ফলে এ সকল অঞ্চলে উন্নয়নের সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়ে এবং জনবসতিও পাতলা হয় । প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক সম্পদ না থাকলে কোন দেশ বা অঞ্চলের উন্নতির পথ গতিরুদ্ধ হয়ে যায় । প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর অঞ্চলগুলো অর্থনৈতিক উন্নতি লাভ করতে পারে এবং প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের নামে যাতায়াত ব্যবস্থা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ সুবিধাসমূহ বৃদ্ধি পায় ।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top