SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 7 পরিবেশ এবং পরিবেশের সমস্যা

SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 7 পরিবেশ এবং পরিবেশের সমস্যা Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 7 পরিবেশ এবং পরিবেশের সমস্যা Solutions and select need one. Class 10 Social Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Social Science Important Question Answer.

SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 7 পরিবেশ এবং পরিবেশের সমস্যা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. SEBA Class 10 Social Science Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Social Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 7

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ২৬। সাম্প্রতিক কালে মানুষের সর্বাধিক আকর্ষণ করা বিষয়টি কী ? 

উত্তরঃ পরিবেশ । 

প্রশ্ন ২৭। কোন কোন বিষয়ের আলোচনাতে পরিবেশের কথা আসে ? 

উত্তরঃ সাম্প্রতিক কালের শিক্ষা – দীক্ষা , প্রশাসন , ব্যবসায় – বাণিজ্য , রাজনীতি ইত্যাদি বিষয়ের । ভূগোল – বিজ্ঞানী পিটার হেগেটের মতে স্থল , জল , বায়ু ও জীবের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের পরিণতিকে পরিবেশ বলে ।

প্রশ্ন ২৮। পরিবেশের অর্থ কী ? 

উত্তরঃ পরিবেশের শব্দটি কোন জীব বা সম্প্রদায়ের চারপাশের অবস্থাকে বোঝায় । 

প্রশ্ন ২৯। পরিবেশের উপাদানগুলোকে কী কী ভাগে ভাগ করা হয় ? 

উত্তরঃ পরিবেশের উপাদানগুলোকে জৈব ( Biotic ) এবং অজৈব ( Abiotic ) এই দুভাগে ভাগ করা হয় । 

প্রশ্ন ৩০। ভৌগোলিক দিক থেকে পৃথিবীর প্রাকৃতিক অবস্থাকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায় এবং কী কী ? 

উত্তরঃ ভৌগোলিক দিক থেকে পৃথিবীর প্রাকৃতিক অবস্থাকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায় । 

( ক ) স্থলমণ্ডল ( Lithosphere ) ।

( খ ) জলমণ্ডল ( Hydrosphere ) ।

( গ ) বায়ুমণ্ডল ( Atmosphere ) । এবং 

( ঘ ) জীবমণ্ডল ( Biosphere ) । 

প্রশ্ন ৩১। পৃথিবীর পরিবেশের ব্যাপক পরিবর্তন সাধনের কয়েকটি কারকের নাম লেখো । 

উত্তরঃ কারকগুলো হল— জনসংখ্যা বৃদ্ধি , উদ্যোগীকরণ , নগরীকরণ , যাতায়াত পরিবহণের পরিবর্ধন ইত্যাদি । 

প্রশ্ন ৩২। প্রাচীনকালে পরিবেশের সমস্যাগুলো কী ছিল ? 

উত্তরঃ ভূমিকম্প , আগ্নেয় উদ্‌গীরণ , ঘূর্ণীবাতাস ইত্যাদি । 

প্রশ্ন ৩৩। বায়ুতে অবস্থিত উপাদানগুলো কোনটি কত শতাংশ আছে ? 

উত্তরঃ নাইট্রোজেন ৭৮.০৮% , অক্সিজেন ২১% , কার্বন – ডাই – অক্সাইড ০.০৩৫% , আর্গন ৯% , জলীয় বাষ্প ০.০৪%, হিলিয়াম , ক্রিপ্টন , জেনন , নিয়ন ইত্যাদির মিশ্রণ ০.০৩ %। 

প্রশ্ন ৩৪ । পরিবেশের সমস্যাসমূহকে কয়ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী ? 

উত্তরঃ তিন ভাগে । 

( ক ) স্থানীয় সমস্যা ( Local Problem ) । 

( খ ) আঞ্চলিক সমস্যা ( Regional Problem ) । এবং 

( গ ) গোলকীয় সমস্যা । 

প্রশ্ন ৩৫। প্রদূষক বলতে কী বোঝ ? 

উত্তরঃ মানুষ দ্বারা ব্যবহৃত দ্রব্য অধিক মাত্রায় পরিবেশে সংযোজিত হলে জীব জগতের ক্ষতিসাধন করতে পারে । এরকম দ্রব্যকে প্রদূষক বলা হয় । যেমন — সীসা , সালফার – ডাই – অক্সাইড , কার্বন মনোক্সাইড ইত্যাদি । 

প্রশ্ন ৩৬। বায়ু প্ৰদূষণ কারকগুলোর মধ্যে কোনটি বেশি ক্ষতিকারক ? 

উত্তরঃ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত । 

প্রশ্ন ৩৭। ১৯৯১ সালে ফিলিপিনসের কোন পর্বতে অগ্ন্যুৎপাত ঘটেছিল ? 

উত্তরঃ মাউন্ট পিনাটুর । 

প্রশ্ন ৩৮। জীবাশ্ম ইন্ধন থেকে নিষ্কাশিত কয়েকটি গ্যাসের নাম লেখো । 

উত্তরঃ জীবাশ্ম ইন্ধন থেকে নিষ্কাশিত কয়েকটি গ্যাসের নাম হল — কার্বন মনোক্সাইড (CO) , নাইট্রোজেন অক্সাইড (NO₂) হাইড্রো কার্বন ( HC ) সালফার ডাই – অক্সাইড ইত্যাদি । 

প্রশ্ন ৩৯। অ্যাসিড বৃষ্টিতে কোন গ্যাস মাত্রাধিক থাকে ? 

উত্তরঃ সালফার ডাই – অক্সাইড এবং নাইট্রোজেন ডাই – অক্সাইড । 

প্রশ্ন ৪০। অ্যাসিড বৃষ্টির ফলাফল কী ? 

উত্তরঃ অ্যাসিড বৃষ্টির ফলে বনাঞ্চল ধ্বংস করে এবং খাল – বিল ইত্যাদির ক্ষতিসাধন করে । 

প্রশ্ন ৪১। ইয়াংসি নদী কোন দেশে অবস্থিত ? 

উত্তরঃ চীনদেশে । 

প্রশ্ন ৪২। গুয়াহাটির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদীটির নাম কী ? 

উত্তরঃ ভরলু নদী । 

প্রশ্ন ৪৩। শীতল মরুভূমি কী ? 

উত্তরঃ মেরু অঞ্চলের বরফাবৃত অঞ্চলকে শীতল মরুভূমি বলে ।

প্রশ্ন ৪৪। উষ্ণ মরুভূমি সাধারণত কোন অঞ্চলে দেখা যায় ? 

উত্তরঃ ক্রান্তীয় অঞ্চলে । 

প্রশ্ন ৪৫। মরুকরণের জন্য মানুষের কোন কোন কার্য বেশি দায়ী ? 

উত্তরঃ অত্যধিক পশুচারণ , কৃষির প্রসার ও বনানী ধ্বংসকার্য। 

প্রশ্ন ৪৬। উত্তাপের ক্ষেত্রে বায়ুমণ্ডল ও ভূ – পৃষ্ঠ এক প্রকারের ভারসাম্য রক্ষা করে আসছে ব্যাখ্যা করো । 

উত্তরঃ সৌরশক্তি ভূপৃষ্ঠ ও বায়ুমণ্ডলের উত্তাপের প্রধান উৎস। ভূ – পৃষ্ঠতে আসা মোট সৌরশক্তির ৩০ শতাংশ বায়ুমণ্ডলে থাকা মেঘ ইত্যাদির সাথে ভূ – পৃষ্ঠ প্রতিফলিত করে । মোট সৌরশক্তির ১৯ শতাংশ বায়ুমণ্ডল শোষণ করে এবং বাকি ৫১ শতাংশ শক্তি পৃথিবী বাষ্পীভবন ইত্যাদির মাধ্যমে লীনতাপ ( Latent heat ) হিসাবে পুনরায় বায়ুমণ্ডল ছেড়ে দেয় । ভূ – পৃষ্ঠ ও বায়ুমণ্ডলের বিশেষ গঠন ও বায়ুমণ্ডলে নির্দিষ্ট অনুপাতে থাকা গ্যাস ইত্যাদি এই ধরনের উত্তাপের ভারসাম্য রক্ষা করাটি সম্ভব করে তুলেছে । বায়ুমণ্ডলে থাকা কিছু গ্যাস ভূ – পৃষ্ঠ থেকে প্রতিফলিত সৌরশক্তি শোষণ করে রাখতে পারে । 

প্রশ্ন ৪৭। গ্রীণ হাউস প্রভাব ( Green house feet ) কী ? 

উত্তরঃ বায়ুমণ্ডলে প্রধানত কার্বন ডাই অক্সাইডের ঘনত্ব বৃদ্ধির জন্য পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির ঘটনাকে বলা হয় গ্রীণ হাউস প্রভাব বা সবুজ গৃহের প্রভাব । কার্বন – ডাই – অক্সাইড, মিথেন , নাইট্রাস অক্সাইড , ওজোন , ক্লোরফ্লোরো কার্বন প্রভৃতিকে গ্রীণ হাউস গ্যাস বলা হয়।এই গ্যাসগুলো পৃথিবী থেকে প্রতিফলিত শক্তি শোষণ করে বায়ুমণ্ডলের উত্তাপ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে । বায়ুমণ্ডলে সবুজগৃহ গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে সাধারণত বায়ুমণ্ডলের উত্তাপ বাড়ে ।

প্রশ্ন ৪৮। কি ব্যবস্থা গ্রহণ করলে পৃথিবীতে প্রাণী এবং উদ্ভিদ নিরাপদে বেঁচে থাকতে পারবে ? 

উত্তরঃ পৃথিবীতে প্রাণী ও উদ্ভিদ নিরাপদে বেঁচে থাকতে হলে নিম্নলিখিত ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করতে হবেঃ 

( ১ ) প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণীর মধ্যে অবস্থিত নিরবচ্ছিন্ন যোগসূত্র পুনরায় প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করতে হবে । 

( ২ ) বহু শতাব্দী থেকে প্রচলিত প্রকৃতির জৈব – বৈচিত্র্যকে ধবংস না করে শক্তি আহরণের স্বাভাবিক প্রথাকে কার্যক্ষণ করে রাখতে হবে । 

( ৩ ) প্রকৃতি ও বায়ুমণ্ডল থেকে আহরিত সম্পদকে পুনরায় প্রকৃতিতে ফিরিয়ে দিতে হবে । 

( ৪ ) প্রকৃতিতে পরিবেশের স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে পারলেই পৃথিবীতে প্রাণী এবং উদ্ভিদ নিরাপদে বেঁচে থাকতে পারবে ।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top