SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 6 অর্থনৈতিক ভূগোল : বিষয়বস্তু এবং সম্পদ

SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 6 অর্থনৈতিক ভূগোল : বিষয়বস্তু এবং সম্পদ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 6 অর্থনৈতিক ভূগোল : বিষয়বস্তু এবং সম্পদ Solutions and select need one. Class 10 Social Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Social Science Important Question Answer.

SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 6 অর্থনৈতিক ভূগোল : বিষয়বস্তু এবং সম্পদ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. SEBA Class 10 Social Science Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Social Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 6

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ১। পৃথিবীর সকল মানুষের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ এক হয় না কেন ? 

উত্তরঃ পৃথিবীর সকল মানুষের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ এক হয় না কারণ পৃথিবীতে থাকা প্রাকৃতিক এবং মানব – সৃষ্ট পরিবেশের উপাদানসমূহের বিভিন্নতার জন্য । 

প্রশ্ন ২। অর্থনৈতিক ভূগোলের উপশাখাসমূহ কী কী ? 

উত্তরঃ কৃষি ভূগোল , ঔদ্যোগিক ভূগোল , সম্পদ ভূগোল , পরিবহণ ভূগোল , বাজার ভূগোল, পর্যটন ভূগোল ইত্যাদি । 

প্রশ্ন ৩। কোনো একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রধানত কিসের ওপর নির্ভর করে ? 

উত্তরঃ একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন দেশটির সম্পদের মান এবং প্রাচুর্যের ওপর প্রধানত নির্ভর করে । 

প্রশ্ন ৪। মানুষের মৌলিক প্রয়োজন কী কী ? 

উত্তরঃ খাদ্য , বস্ত্র ও বাসস্থান । 

প্রশ্ন ৫। মানব কল্যাণ ও আর্থ – সামাজিক উৎকর্ষ সাধনের জন্য সম্পদের দুটি গুণের উল্লেখ করো । 

উত্তরঃ সম্পদের গুণ দুটি হল ― 

( ক ) কার্যকারিতা ।

( খ ) উপকারিতা । 

প্রশ্ন ৬। সম্পদের সঙ্গে মানুষ কী কী ভাবে জড়িত ? 

উত্তরঃ ( ক ) সম্পদের উৎপাদক হিসাবে ।

( খ ) উপভোক্তা হিসাবে । 

প্রশ্ন ৭। প্রতিরোধক বলতে কী বোঝ ? 

উত্তরঃ যে সকল সামগ্রী বা পরিঘটনা মানুষের অপকার সাধন করে , সেগুলোকে প্রতিরোধক ( Resistance ) বলে । উদাহরণস্বরূপ অনুর্বর মাটি , বন্যা জর্জরিত অঞ্চল ইত্যাদি ।

প্রশ্ন ৮। দামোদর নদকে প্রতিরোধক হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল কেন ? 

উত্তরঃ পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত দামোদর নদের দ্বারা ঘন ঘন বন্যা সৃষ্টি হত , এজন্য এই নদকে প্রতিরোধক হিসেবে গণ্য করা হত । 

প্রশ্ন ৯। দামোদর নদকে কীভাবে কাজে লাগানো হয়েছিল ? 

উত্তরঃ দামোদর নদের ওপর বাঁধ নির্মাণ করে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জলসিঞ্চনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল । 

প্রশ্ন ১০। কোনো একটি সামগ্রী সম্পত্তি কিন্তু সম্পদ নয় । একটি উদাহরণ দাও । 

উত্তরঃ বাজার মূল্য থাকা বিষ , রাসায়নিক কীটনাশক দ্রব্য ইত্যাদি সম্পত্তি কিন্তু এর সেবন মানুষের জন্য অপকারী ও প্রাণনাশক । কাজেই এই প্রকারের সামগ্রী , সম্পদ নয় ৷ 

প্রশ্ন ১১। কাঁচা সামগ্রীর অভাব সত্ত্বেও কিছু সংখ্যক দেশ উন্নত ও সমৃদ্ধশালী হয়েছে — এরূপ কয়েকটি দেশের নাম লেখো । 

উত্তরঃ জাপান , সুইজারল্যাণ্ড , তাইওয়ান , সিংগাপুর ইত্যাদি। 

প্রশ্ন ১২। দুটো জৈবিক এবং দুটো অজৈবিক সম্পদের উদাহরণ দাও । 

উত্তরঃ জৈবিক সম্পদ — উদ্ভিদ ও মাছ । অজৈবিক সম্পদ — মাটি , জল । 

প্রশ্ন ১৩। কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান কোন জেলায় অবস্থিত ? 

উত্তরঃ গোলাঘাট জেলায় । 

প্রশ্ন ১৪। পৃথিবীর কোন দেশটি জনসংখ্যার দিক থেকে প্রথম ? 

উত্তরঃ চীনদেশ । 

প্রশ্ন ১৫। সম্পদের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী ? 

উত্তরঃ উপকারিতা , কার্যকারিতা এবং পরিবর্তনশীল ধর্ম । 

প্রশ্ন ১৬। ঘাসের প্রাচুর্য থাকা স্থানে মানুষের প্রধান উপজীবিকা কী ? 

উত্তরঃ পশুপালন । 

প্রশ্ন ১৭। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবিকা কী ? 

উত্তরঃ মৎস্য শিকার ।

প্রশ্ন ১৮। আধুনিক অর্থনৈতিক ভূগোলের পিতৃস্বরূপ কাকে বলা হয় ? 

উত্তরঃ জর্জ চিসহোমকে ( George Chisholm )। 

প্রশ্ন ১৯। দুজন অর্থনৈতিক ভূগোলবিদের নাম লেখো । 

উত্তরঃ জন্স ও ডার্কের্নওয়াল্ড । 

প্রশ্ন ২০। মানুষের মৌলিক প্রয়োজন কী কী ? 

উত্তরঃ খাদ্য , বস্ত্র , বাসস্থান । 

প্রশ্ন ২১। নিষ্ক্রিয় বা নিরপেক্ষ সামগ্রী বলতে কী বোঝ ? 

উত্তরঃ কোন একটি সামগ্রী মানুষের দ্বারা ব্যবহৃত না হলেও অথবা মানুষের জন্য অপকারী হলেও ভবিষ্যতে সেই সামগ্রীটিই মানব কল্যাণে ব্যবহৃত হতে পারে । এই ধরনের উপকার বা অপকার সাধন না করা সামগ্রী গুলোকে নিষ্ক্রিয় বা নিরপেক্ষ সামগ্রী ( Neutral Stuff ) বলে। 

প্রশ্ন ২২। খনিজ তেলকে রূপান্তর করে কী কী দ্রব্য প্রস্তুত করা যায় ? 

উত্তরঃ খনিজ তেলকে রূপান্তর করে বিভিন্ন প্রকারের রঙ , ন্যাথা , কৃত্রিম সূতো , রাসায়নিক সার , কীটনাশক দ্রব্য , সাবান , প্লাষ্টিক , কৃত্রিম রবার , মোম ইত্যাদি । 

প্রশ্ন ২৩। আন্তর্জাতিক বা বিশ্বসম্পদ কি ? 

উত্তরঃ কিছু সংখ্যক সম্পদ সমগ্র বিশ্বের অধীনে থাকে । উদাহরণস্বরূপ সাগর – মহাসাগর ও এর খনিজ সম্পদ , জীবজন্তু , বায়ুমণ্ডল , অরণ্য অঞ্চল ইত্যাদি । এর কারণ হল এই সকল সম্পদ সমগ্র মানব জাতির কল্যাণে ব্যবহৃত হয় । আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এর নীতি নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বসম্পদ সমূহের উদ্ঘাটন ও ব্যবহার পরিচালনা করে । 

প্রশ্ন ২৪। চির বিরাজমান সম্পদ কাকে বলে ? 

উত্তরঃ কিছু সংখ্যক প্রাকৃতিক সম্পদ পৃথিবীর সকল স্থানেই বিরাজমান বা পৃথিবীর সকল স্থানেই উপলব্ধ , সেগুলোকে চির বিরাজমান সম্পদ ( Ubiquitous Resource ) বলে । উদাহরণস্বরূপ — সূর্য রশ্মি , বায়ু , জল ইত্যাদি ।

প্রশ্ন ২৫। স্থানিক সম্পদ ( Localised Resource ) কাকে বলে ? 

উত্তরঃ যে সকল প্রাকৃতিক সম্পদ পৃথিবীর কয়েকটি বিশেষ বিশেষ স্থানে পাওয়া যায় , সেগুলোকে স্থানিক সম্পদ বলে । যেমন — কয়লা , পেট্রোলিয়াম লোহা , ইউরেনিয়াম ইত্যাদি। 

প্রশ্ন ২৬। অর্থনৈতিক ভূগোলকে কী কী পদ্ধতিতে অধ্যয়ন করা হয় । 

উত্তরঃ অর্থনৈতিক ভূগোলকে কয়েকটি পদ্ধতিতে অধ্যয়ন করা হয় । এগুলোর মধ্যে ―

১। আঞ্চলিক ( Regional Approach ) ।

২। উপাদান ( Topical or Commodity Approach ) ।

৩। ব্যবহার ( Behavioural Approach ) ।

৪। নীতি ( Principles Approach ) ।

৫। তন্ত্র ( System Analysis Approach ) । ও 

৬। প্রতিষ্ঠান ( Institutional Approach ) ভিত্তিক অধ্যয়নই বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ৷

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top