SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 12 মুদ্রা এবং ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা

SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 12 মুদ্রা এবং ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 12 মুদ্রা এবং ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা Solutions and select need one. Class 10 Social Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Social Science Important Question Answer.

SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 12 মুদ্রা এবং ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. SEBA Class 10 Social Science Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Social Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 12

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর : 

প্রশ্ন ১। ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কটির নাম কী ? 

উত্তরঃ ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক । 

প্রশ্ন ২। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রাষ্ট্রীয়করণ কোন সনে হয়েছিল ? 

উত্তরঃ ১৯৪৯ সনে । 

প্রশ্ন ৩। কোন সনে ভারতে ব্যাঙ্ক রাষ্ট্রীয়করণ করা হয়েছিল ? 

উত্তরঃ ১৯৬৯ সনে । 

প্রশ্ন ৪। ১৯৬৯ সনে ভারতে কয়টি ব্যাঙ্ক রাষ্ট্রীয়করণ করা হয়েছিল ? 

উত্তরঃ ১৪ টি । 

প্রশ্ন ৫। ভারতবর্ষে কয়টি বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক আছে ? 

উত্তরঃ ২১ টি । 

প্রশ্ন ৬। কার দ্বারা বিনিময় ব্যবস্থাটি সহজ করেছে ? 

উত্তরঃ মুদ্রা । 

প্রশ্ন ৭। ব্যাঙ্কের উৎপত্তি কোথায় হয়েছিল ? 

উত্তরঃ ইটালিতে । 

প্রশ্ন ৮। ভারতবর্ষে কোন সনে ব্যাঙ্ক স্থাপন করা হয়েছিল ? ঐ ব্যাঙ্কটির নাম কী ছিল ? 

উত্তরঃ ১৭৭০ সনে । ব্যাঙ্কটির নাম ছিল – ব্যাঙ্ক অব্ হিন্দুস্থান ।

প্রশ্ন ৯। আসামের প্রথম ব্যাঙ্কটির নাম কী ? 

উত্তরঃ গুয়াহাটি ব্যাঙ্ক । 

প্রশ্ন ১০। মুদ্রার সবচেয়ে প্রধান কার্যটি উল্লেখ করো । 

উত্তরঃ মুদ্রা বিনিময়ের মাধ্যম । 

প্রশ্ন ১১। অমোদ্রিক ধাতুমান ব্যবস্থায় বিনিময়ের মাধ্যম হিসাবে কী কী ব্যবহার করা হয়েছিল ? 

উত্তরঃ সোনা ও রূপা । 

প্রশ্ন ১২। মুদ্ৰা কত প্রকার ও কী কী ? 

উত্তরঃ মুদ্রা দুই প্রকারের– 

( ১ ) হিসাব – নিকাশের মুদ্রা । ও 

( ২ ) প্রকৃত মুদ্রা । 

প্রশ্ন ১৩। ভারত ও আমেরিকায় হিসাব – নিকাশের মুদ্রা কী ? 

উত্তরঃ ভারতের হিসাব – নিকাশের মুদ্রা টাকা এবং আমেরিকায় ডলার। 

প্রশ্ন ১৪। প্রতীক মুদ্রা কী ? 

উত্তরঃ যে মুদ্রার অবিহিত মূল্য ধাতুর মূল্য অপেক্ষা বেশি । যেমন— ভারতে প্রচলিত এক টাকা । 

প্রশ্ন ১৫। বিহিত মুদ্রা কাকে বলে ? 

উত্তরঃ যে মুদ্রার গ্রহণযোগ্যতা বিধিসম্মত তাকে বিহিত মুদ্রা বলে । বর্তমানে ভারতবর্ষে প্রচলিত কাগজী মুদ্রা ও ধাতু মুদ্রা বিহিত মুদ্রা । 

প্রশ্ন ১৬। আদেশী মুদ্রা কাকে বলে ? 

উত্তরঃ সরকারী আদেশের ভিত্তিতে যে মুদ্রা বিনিময়ের মাধ্যম হিসাবে গ্রহণ করা হয় সেই মুদ্রাকে আদেশী মুদ্রা বলে । যেমন — কাগজী ও ধাতু মুদ্রা । 

প্রশ্ন ১৭। মান মুদ্রা কী ? 

উত্তরঃ মান মুদ্রা হল দেশটির মুদ্রার একটি একক। এই এককের সঙ্গে বাকীগুলি এককের মূল্য সম্পর্কিত । ভারতবর্ষের মান মুদ্রা হল এক টাকা । এক পয়সা হবে এক টাকার ১০০ ভাগের একভাগ । 

প্রশ্ন ১৮। সংকুচিত মুদ্রা কীভাবে সৃষ্টি হয় ? 

উত্তরঃ কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার বৃদ্ধি করলে ঋণ গ্রহণকারী কম ঋণ নেবে এবং মুদ্রার যোগান কমে যাবে । এইভাবেই সংকুচিত মুদ্রার সৃষ্টি হয় ।

প্রশ্ন ১৯। কিভাবে সুলভ মুদ্রার সৃষ্টি হয় ? 

উত্তরঃ কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার হ্রাস করলে ঋণ গ্রহণকারী অধিক ঋণ নেবে ও মুদ্রার যোগান বৃদ্ধি হবে । এইভাবেই সুলভ মুদ্রার সৃষ্টি হয় । 

প্রশ্ন ২০। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন মুদ্রা কী ? 

উত্তরঃ একটি দেশ যোগানধরা মুদ্রার যে অংশটি কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কে প্রত্যক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করে সেই অংশটিই হল উক্ত ক্ষমতা সম্পন্ন মুদ্রা । 

প্রশ্ন ২১। আমানত মুদ্রা বা ঋণ মুদ্রা কী ? 

উত্তরঃ বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কসমূহ ঋণ প্রদানের মাধ্যমে সৃষ্টি করা এবং চেকের সহায়তায় হস্তান্তরিত করতে পারা মুদ্রাকে আমানত বা ঋণ মুদ্রা বলে ৷ 

প্রশ্ন ২২। চেক কয় প্রকার ও কী কী ? 

উত্তরঃ চেক দুই প্রকার বাহক চেক এবং ক্রসড্ চেক । 

প্রশ্ন ২৩। ঋণগত মুদ্রা সৃষ্টি করা উৎপাদকের দুটি উদাহরণ দাও। 

উত্তরঃ ঋণগত মুদ্রা সৃষ্টি করা উৎপাদকের দুটি উদাহরণ হ’ল ―

( ১ ) আমানত মুদ্রা । ও 

( ২ ) ব্যাঙ্কের নগদ জমা অনুপাত । 

প্রশ্ন ২৪। দুই প্রকার ঋণপত্রের উদাহরণ দাও । 

উত্তরঃ দুই প্রকার ঋণপত্রের উদাহরণ হ’ল ―

( ১ ) চেক । ও

( ২ ) বিনিময় বিল । 

প্রশ্ন ২৫। দুই প্রকার ব্যাঙ্কের মুদ্রার উদাহরণ দাও । 

উত্তরঃ দুই প্রকার ব্যাঙ্কের মুদ্রার উদাহরণ হ’ল ―

১। চেক । ও 

( ২ ) ব্যাঙ্ক ড্রাফট । 

প্রশ্ন ২৬। ব্যাঙ্কের দুই প্রকার জমা ধনের উদাহরণ দাও । 

উত্তরঃ ব্যাঙ্কের দুই প্রকার জমা ধনের উদাহরণ হ’ল ―

( ১ ) চলিত জমা ।

( ২ ) সঞ্চয়ী জমা । 

প্রশ্ন ২৭। বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের দুটি কাজ উল্লেখ করো । 

উত্তরঃ বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের দুটি কাজ হ’ল ―

( ১ ) ব্যবসা – বাণিজ্যকে সহায়তা করা । ও

( ২ ) ধন জমা রাখা । 

প্রশ্ন ২৮। মুদ্রা হস্তান্তরিত করার মাধ্যম কী ? 

উত্তরঃ চেক । 

প্রশ্ন ২৯। ব্যাঙ্ক ঋণ দেওয়ার সময় কোন ধরনের মুদ্রা ব্যবহার করে ? 

উত্তরঃ আমানত মুদ্রা ।

প্রশ্ন ৩০। নাবার্ডের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত ? সমগ্র ভারতবর্ষে এর কয়টি আঞ্চলিক কার্যালয় আছে ? 

উত্তরঃ নাবার্ডের প্রধান কার্যালয় মুম্বাইতে অবস্থিত। সমগ্র ভারতবর্ষে এর ১৬ টি আঞ্চলিক কার্যালয় আছে । 

প্রশ্ন ৩১। কোন সনে “ ভারতীয় ঔদ্যোগিক বিত্ত নিগম ” প্রতিষ্ঠা করা হয় ? 

উত্তরঃ ১৯৪৮ সনে । 

প্রশ্ন ৩২। ঔদ্যোগিক উন্নয়ন ব্যাঙ্কের প্রধান উদ্দেশ্য কী ? 

উত্তরঃ ঔদ্যোগিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে ঋণের যোগান দেওয়া । 

প্রশ্ন ৩৩। কোন সনে ভারতীয় ষ্টেটব্যাঙ্ক সংগঠন করা হয় ? 

উত্তরঃ ১৯৫৫ সনে । 

প্রশ্ন ৩৪। ‘ ধনাদেশ ’ বা নিবার্ড মুদ্রা কাকে বলা হয় ? 

উত্তরঃ চেককে ‘ ধনাদেশ ’ বা নিবার্ড মুদ্রা বলা হয়। 

প্রশ্ন ৩৫। ব্যাঙ্ক কি ? 

উত্তরঃ যে প্রতিষ্ঠান মানুষকে টাকা – পয়সা এবং মূল্যবান বস্তু , যেমন— সোনা নিরাপদে জমা রাখার সুবিধা দেয় এবং প্রয়োজনে মানুষকে টাকা ধার ( loan ) দেয় তাকে ব্যাঙ্ক বলে । ‘ 

প্রশ্ন ৩৬। বিনিময়ের মাধ্যম কী ? 

উত্তরঃ মুদ্রা । 

প্রশ্ন ৩৭। কিসের মাধ্যমে দাম নির্ধারিত হয় ? 

উত্তরঃ মুদ্রার মাধ্যমে দাম নির্ধারিত হয় ।  

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর 

প্রশ্ন ১। বস্তু বিনিময় ব্যবস্থার পাঁচটি অসুবিধা উল্লেখ করো । 

উত্তরঃ বস্তু বিনিময় ব্যবস্থার পাঁচটি অসুবিধা হ’ল— 

( ১ ) অভাবের সঙ্গতিহীনতা ।

( ২ ) ভাগ বিভাগের অসুবিধা ।

( ৩ ) মাপের অভাব ।

( ৪ ) মূল্যের ভরাল বা মাধ্যমের অভাব । ও 

( ৫ ) স্থগিত দেনা – পাওনার মানের অভাব ।

প্রশ্ন ২। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বিনিময় বলতে কী বুঝ ? 

উত্তরঃ একটি বস্তুর পরিবর্তে অন্য একটি বস্তু পাওয়াকে প্রত্যক্ষ বিনিময় বলে । প্রাচীনকালে প্রত্যক্ষ বিনিময় ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল । মুদ্রার সাহায্যে বিনিময় প্রথাকে পরোক্ষ বিনিময় বলে । বর্তমানে এই প্রথাই প্রচলিত আছে । এই প্রথা অনুসারে মানুষ উৎপাদন মুদ্রার মাধ্যমে বিক্রী করে পরে সেই মুদ্রা দিয়ে প্রয়োজনীয় বস্তু ক্রয় করে । 

প্রশ্ন ৩। মানুষ আমানত মুদ্রার ব্যবহার বেশি পছন্দ করে কেন ? 

উত্তরঃ মানুষ আমানত মুদ্রা বেশি পছন্দ করার কারণগুলি হল— 

( ১ ) নগদ মুদ্রা হিসাব করতে সময় লাগে । 

( ২ ) নগদ মুদ্রা বহন করতে অসুবিধা আছে , এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া নিরাপত্তার প্রশ্ন বা ভয় আছে । 

প্রশ্ন ৪। ধাতু মুদ্রা কী উদাহরণসহ বুঝিয়ে লেখো । 

উত্তরঃ কোন এক ধরনের ধাতু বা একাধিক ধাতু গলিয়ে তৈরি করা যে সকল মুদ্রা কোন সময়ে প্রচলিত হয়ে থাকে সেগুলিকে ধাতু মুদ্রা বলে । যেমন – প্রাচীনকালে সোনা , রূপা , তামা ইত্যাদি ধাতু মুদ্রার প্রচলন ছিল । বর্তমান সময়ে লোহা , সীসা , নিকেল ইত্যাদি কম মূল্যের ধাতুর তৈরি মুদ্রা দেখা যায় । ভারতবর্ষে ১ টাকা , ২ টাকা , ৫ টাকা ও ১০ টাকার ধাতু মুদ্রার প্রচলন আছে । 

প্রশ্ন ৫। কাগজী মুদ্রা বলতে কী বুঝ ? 

উত্তরঃ মুদ্রা হিসাবে ছাপানো যে সকল কাগজ কোন সময়ে প্রচলন হয়ে থাকে সেগুলিকে কাগজী মুদ্রা বলা হয় । বর্তমান সময়ে পৃথিবীর প্রায় সকল দেশ নিজের নিজের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক কাগজী মুদ্রা প্রচলন করে । আমাদের দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক হল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক । এই ব্যাঙ্ক ১ টাকা , ২ টাকা , ৫ টাকা , ১০ টাকা , ৫০ টাকা , ১০০ টাকা , ৫০০ টাকা , ১০০০ টাকার মূল্যের কাগজের মুদ্রার প্রচলন করেছে । 

প্রশ্ন ৬। মুদ্রার চারটি কার্য উল্লেখ করো । 

উত্তরঃ মুদ্রার চারটি কার্য হল— 

( ১ ) মুদ্রা বিনিময়ের মাধ্যম হিসাবে কাজ করে । 

( ২ ) মুদ্রা মূল্যের পরিমাপ বা একক হিসাবে কাজ করে । 

( ৩ ) মুদ্রা মূল্যের ভাড়া হিসাবেও কাজ করে । 

( ৪ ) মুদ্রা স্থগিত দেনা – পাওনার হিসাবে কাজ করে । 

প্রশ্ন ৭৷ ব্যাঙ্ক মুদ্রাকে কেন ঋণগত মুদ্রা বলা হয় ?

উত্তরঃ ব্যাঙ্ক মুদ্রা বা আমানত মুদ্রা ব্যাঙ্কের ঋণ , কারণ – এর বিপরীতে ভবিষ্যতে নগদ মুদ্রা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি হিসাবে ব্যাঙ্ক একে সৃষ্টি করে । এই কারণে ব্যাঙ্ক মুদ্রাকে ‘ ঋণগত মুদ্রা ’ ( Credit Mony ) বলা হয় । 

প্রশ্ন ৮। রাষ্ট্রীয় মুদ্রা ও ঋণগত মুদ্রার পার্থক্য লেখো । 

উত্তরঃ ধাতু মুদ্রা ও কাগজের মুদ্রাকে রাষ্ট্রীয় মুদ্রা ( State Money ) বলা হয় । দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক , আমাদের দেশের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ধাতু মুদ্রা ও কাগজের মুদ্রা তৈরি ও প্রচলন করতে পারে কিন্তু ঋণগত মুদ্রা তা পারে না । অপরদিকে , ঋণগত মুদ্রা হল ব্যাঙ্ক মুদ্রা বা আমানত মুদ্রা , ব্যাঙ্কের ঋণ , কারণ এর বিপরীতে ভবিষ্যতে নগদ মুদ্রা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি হিসাবে ব্যাঙ্ক একে সৃষ্টি করে । 

প্রশ্ন ৯। বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক বলতে কী বোঝ ? 

উত্তরঃ যে সব প্রতিষ্ঠানে ব্যক্তি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান হতে জমা হিসাবে মুদ্রা গ্রহণ করে এবং ঋণ প্রদান করে , যেসব আমানত চেকের সহায়তায় উঠানো যায় এবং হস্তান্তর করা যায় সেইসব প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক বলে । বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কসমূহ শিল্প – উদ্যোগ , বাণিজ্য , কৃষি ইত্যাদির ক্ষেত্রে দৈনন্দিন কাজ চালানোর উদ্দেশ্যে প্রয়োজন হওয়া হ্রস্বকালীন ঋণের যোগান দেয় । আমাদের দেশে ভারতীয় ষ্টেট ব্যাঙ্ক , ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অব ইণ্ডিয়া , পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক ইত্যাদি বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক । 

প্রশ্ন ১০। বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের প্রধান কাজ কী ? 

উত্তরঃ বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের প্রধান কাজ দেশের ব্যবসা – বাণিজ্যে সহায়তা করা । বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কসমূহ সাধারণত তিন মাস হতে এক বছর পর্যন্ত মেয়াদে শিল্প উদ্যোগ , বাণিজ্য , কৃষি ইত্যাদি ক্ষেত্রে দৈনন্দিন কাজ চালানোর জন্য ঋণের যোগান দেয় । এই ব্যাঙ্কগুলি জনসাধারণ হতে জমা টাকা গ্রহণ করে এবং হুণ্ডি , বিনিময়পত্র ইত্যাদি ভাঙ্গায় । বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলি যৌথ মূলধনী কোম্পানীর নীতিতে গঠন করা হয় । ষ্টেট ব্যাঙ্ক অব ইণ্ডিয়া , ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অব ইণ্ডিয়া , বিজয়া ব্যাঙ্ক , কানাড়া ব্যাঙ্ক ইত্যাদি ভারতবর্ষের বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক । 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top