SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 13 অর্থনৈতিক উন্নয়ন Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 13 অর্থনৈতিক উন্নয়ন Solutions and select need one. Class 10 Social Science Additional Notes in Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 10 Social Science Important Question Answer.
SEBA Class 10 Social Science Important Chapter 13 অর্থনৈতিক উন্নয়ন
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. SEBA Class 10 Social Science Important Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 10 Social Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
অর্থনৈতিক উন্নয়ন
Chapter: 13
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর :
প্রশ্ন ১। ভারতবর্ষে প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা কোন সনে আরম্ভ হয়েছিল ?
উত্তরঃ ১৯৫১ সনে ।
প্রশ্ন ২। নীতি ( NITI ) আয়োগ কোন সনে গঠন করা হয় ?
উত্তরঃ ২০১৫ সনে ।
প্রশ্ন ৩। নীতি ( NITI ) আয়োগের অধ্যক্ষ কে ?
উত্তরঃ প্রধানমন্ত্রী ।
প্রশ্ন ৪। সবুজ বিপ্লব বলতে কী বুঝ ?
উত্তরঃ আধুনিক প্রযুক্তিবিদ্যা প্রয়োগ করে কৃষিখণ্ডের উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হল সবুজ বিপ্লব ।
প্রশ্ন ৫। বিত্তীয় খণ্ড বলতে কি বোঝ ?
উত্তরঃ ব্যবসায়িক ব্যাঙ্ক , বিনিয়োগ ব্যাঙ্ক , অংশ পত্রের বাজার ও বৈদেশিক বিনিময়যোগ্য মুদ্রার বাজারের সমষ্টিই হল বিত্তীয় খণ্ড ।
প্রশ্ন ৬। ২০০৫-০৬ সনে বার্ষিক উন্নয়নের হার কত ছিল ?
উত্তরঃ ৯.৫ শতাংশ ।
প্রশ্ন ৭। ২০০৬-০৭ সনে বার্ষিক উন্নয়নের হার কত ছিল ?
উত্তরঃ ৯.৭ শতাংশ ।
প্রশ্ন ৮। ২০০৭-০৮ সনে বার্ষিক উন্নয়নের হার কত ছিল ?
উত্তরঃ ৯.২ শতাংশ ।
প্রশ্ন ৯। ২০০৯-১০ সন থেকে ২০১২-১৩ সন পর্যন্ত গড় হিসাবে বার্ষিক উন্নয়নের হার কত ছিল ?
উত্তরঃ ৬.৭ শতাংশ ৷
প্রশ্ন ১০। ২০১৩-১৪ সনে বার্ষিক উন্নয়নের হার কত ছিল ?
উত্তরঃ ৭.২ শতাংশ ।
প্রশ্ন ১১। ভারতবর্ষে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা কোন সনে আরম্ভ হয়েছিল ?
উত্তরঃ ১৯৫৬ সনে ।
প্রশ্ন ১২। ভারতবর্ষে তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা কোন সনে আরম্ভ হয়েছিল ?
উত্তরঃ ১৯৬১ সনে ।
প্রশ্ন ১৩। ভারতবর্ষে চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা কোন সনে আরম্ভ হয়েছিল ?
উত্তরঃ ১৯৬৯ সনে ।
প্রশ্ন ১৪। ভারতবর্ষে পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা কোন সনে আরম্ভ হয়েছিল ?
উত্তরঃ ১৯৭৪ সনে ।
প্রশ্ন ১৫। কোন সনে ভারতের ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা আরম্ভ হয়েছিল ?
উত্তরঃ ১৯৮০ সনে ।
প্রশ্ন ১৬। কোন সনে ভারতের সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা আরম্ভ হয়েছিল ?
উত্তরঃ ১৯৮৫ সনে ।
প্রশ্ন ১৭। অসমের চলিত পরিকল্পনায় অগ্রাধিকার লাভ করা খণ্ডটি কী ?
উত্তরঃ অসমের চলিত পরিকল্পনায় অগ্রাধিকার লাভ করা খণ্ডটি হল গ্রাম্য অর্থনীতির উন্নয়ন ।
প্রশ্ন ১৮। ভারতবর্ষে কোন সনে পরিকল্পনা আয়োগ গঠন করা হয়েছে ?
উত্তরঃ ১৯৫০ সনে ।
প্রশ্ন ১৯। অসমে কে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রস্তুত করে ?
উত্তরঃ রাজ্য পরিকল্পনা বোর্ড ।
প্রশ্ন ২০। রাষ্ট্রীয় আয় কী ?
উত্তরঃ কোন নির্দিষ্ট বৎসরে দেশের সর্বমোট উৎপাদনের অর্থমূল্যকে সেই বৎসরের রাষ্ট্রীয় আয় বলে ।
প্রশ্ন ২১। কোন সনে প্রথম মান উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় ?
উত্তরঃ ১৯৯০ সনে ।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন ১। উন্নত ও অনুন্নত দেশের চারটি পার্থক্য লেখো ।
উত্তরঃ ( ১ ) উন্নত দেশে শিক্ষাব্যবস্থা অধিক উন্নত। অপর দিকে অনুন্নত দেশে শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত নয় ।
( ২ ) উন্নত দেশে স্বাস্থ্যসেবা অধিক উন্নত । অনুন্নত দেশে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার অভাব হয়।
( ৩ ) উন্নত দেশে মানুষের আয়ু বেশি । অনুন্নত দেশে মানুষের আয়ু কম ।
( ৪ ) উন্নত দেশে মাথাপিছু আয় বেশি । অনুন্নত দেশে মাথাপিছু আয় কম ।
প্রশ্ন ২। ভারতীয় প্রশাসন ব্যবস্থায় কয়টি স্তর আছে এবং কী কী ?
উত্তরঃ ভারতীয় প্রশাসন ব্যবস্থায় তিনটি স্তর আছে । যথা–
( ১ ) কেন্দ্রীয় সরকার ।
( ২ ) রাজ্য সরকার । ও
( ৩ ) স্থানীয় সংস্থাসমূহ ( যেমন পঞ্চায়েত ও নগরপালিকা ) ।
প্রশ্ন ৩। ২০১০ সনের মানব উন্নয়নের নতুন ধারণা তিনটি কী কী ?
উত্তরঃ ( ১ ) বৈষম্য সাপেক্ষে মানব উন্নয়ন সূচকাংক ।
( ২ ) লিঙ্গ বৈষম্য সূচকাংক । ও
( ৩ ) বহুমাত্রীয় দরিদ্র সূচকাংক ।
প্রশ্ন ৪। মিশ্রিত অর্থনীতি কী ?
উত্তরঃ যে ধরনের অর্থনীতিতে সরকারী রাজস্ব খণ্ড এবং ব্যক্তিগত খণ্ডের সহ অবস্থান হয়ে থাকে অর্থাৎ উৎপাদনের উপাদানসমূহ সরকারী খণ্ড এবং ব্যক্তিগত খণ্ড উভয়ের হাতে থাকে সেই ধরনের অর্থনীতিকে মিশ্রিত অর্থনীতি বলা হয়ে থাকে । এই ধরনের অর্থনীতিতে সরকার বা রাষ্ট্র কিছু সংখ্যক আর্থিক কার্য নিয়ন্ত্রণ করে থাকে এবং ব্যক্তিগত কিছু সংখ্যক কার্যনিয়ন্ত্রণ করে থাকে । মিশ্রিত অর্থনীতির মাধ্যমে পুঁজিবাদের সুবিধাসমূহ এবং সমাজবাদের সুবিধাসমূহ একত্রিত করার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে । ভারতীয় অর্থনীতি মিশ্রিত অর্থনীতির উদাহরণ ।
রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন ১। অর্থনৈতিক পরিকল্পনার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যসমূহ উল্লেখ করো ।
উত্তরঃ অর্থনৈতিক পরিকল্পনার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যসমূহ হল ―
( ১ ) অর্থনৈতিক উন্নয়নের হার বৃদ্ধি করা ।
( ২ ) প্রাকৃতিক সম্পদগুলির সদব্যবহার করা ।
( ৩ ) দেশের অর্থনীতিকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলা ।
( ৪ ) অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা ।
( ৫ ) জনগণের জীবনযাত্রার মানদণ্ড উন্নত করা ।
( ৬ ) উদ্যোগের উন্নয়ন করা ।
( ৭ ) দরিদ্রতা দূর করা ।
( ৮ ) পরিবেশ দূষিতকরণ হ্রাস করা ।
( ৯ ) বেকার সমস্যা সমাধানের জন্য নিয়োগের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা ।
( ১০ ) রপ্তানীর পরিমাণ বৃদ্ধি করা ।
( ১১ ) ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্য দূর করা ।
প্রশ্ন ২। গোলকিকরণ বলতে কী বোঝ ? ভারতীয় অর্থনীতি গোলকিকরণের সুবিধা লাভ করতে পেরেছে কিনা ?
উত্তরঃ অর্থনীতিতে গোলকিকরণ হল পৃথিবীর বিভিন্ন অর্থনীতির একটির সঙ্গে অন্যটির সংহতি রাখা । এই ধরনের সংহতি হয় যখন দেশগুলির মধ্যে উৎপাদিত দ্রব্য ও উৎপাদনের উপাদানগুলির মুক্তভাবে সঞ্চালন ঘটে । গোলকীকরণের ফলে পৃথিবীর অর্থনীতি একটি একক বাজার অর্থনীতিতে রূপান্তরিত হয় অর্থাৎ পৃথিবীটি একটি পৃথিবী গ্রাম্যে পরিণত নয় । গোলকীকরণের ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মধ্যে উৎপাদিত দ্রব্যসমূহের আমদানি রপ্তানি হয় । অন্যদিকে উৎপাদনের উপাদানগুলি , যেমন — মূলধন , প্রযুক্তি , বিত্ত , শ্রম ইত্যাদি বিভিন্ন দেশের মধ্যে গতিশীল হয়ে পড়ে । বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মধ্যে বাজারে নির্দ্ধারিত হারে বিনিময় হতে হবে ।
ভারতীয় অর্থনীতিতে গোলকিকরণের প্রভাব :- ১৯৯০ সাল থেকে ভারতীয় অর্থনীতি বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে সংহতিকরণ হয়েছে । ভারতীয় অর্থনীতির আংশিক ভাবে গোলকিকরণ হয়েছে । গোলকিকরণ প্রক্রিয়াতে ভারতীয় অর্থনীতির অংশগ্রহণ করা নির্ভর করে মোট ঘরুয়া উৎপাদনের কত অংশ আমদানি ও রপ্তানি দ্বারা বিশ্ব অর্থনীতির অংশীদার হয়েছে । বিশ্ব বাণিজ্যে ভারতের রপ্তানি ও আমদানির অংশ ১ শতাংশ থেকেও কম ।
গোলকিকরণের ফলে ভারতীয় অর্থনীতির সুফলগুলি হল :-
( ক ) কয়েকটি দ্রব্য ও সেবা উৎপাদনের বিশেষীকরণ হওয়ার ফলে তুলনামূলক ব্যয়সুবিধা লাভ হয়েছে ও সেই দ্রব্যগুলির রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ।
( খ ) ১৯৮০ সালে ভারতীয় অর্থনীতির বিকাশের হার ছিল ৩.৫ শতাংশ । ১৯৯০ সালের পর থেকে অর্থনীতির বিকাশের হার ৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি হয়েছে । বর্তমান সময়ে অর্থনৈতিক বিকাশের হার বার্ষিক ৮/৯ শতাংশের মধ্যে আছে ।
( গ ) রপ্তানীর পরিমাণ বৃদ্ধি হওয়ার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে লাভ বা সহায়তা হয়েছে ।
( ঘ ) দারিদ্রতার সংখ্যা কমেছে এবং দারিদ্র সীমারেখার নীচের লোকের সংখ্যাও হ্রাস পেয়েছে।
( ঙ ) অর্থনৈতিক বিকাশ বৃদ্ধি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জনসাধারণের নিয়োগ ও আয় বৃদ্ধি পেয়েছে । অর্থনৈতিক বিকাশের সঙ্গে সামাজিক খণ্ডের উন্নয়ন , যেমন — স্বাস্থ্য , শিক্ষা ইত্যাদির উন্নয়ন সাধন হয়েছে ।

