SEBA Class 9 Science Important Chapter 15 খাদ্য সম্পদের উন্নতিসাধন Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters SEBA Class 9 Science Important Chapter 15 খাদ্য সম্পদের উন্নতিসাধন Solutions and select need one. SEBA Class 9 General Science Additional Notes Bengali Medium Download PDF. SEBA Class 9 Science Important Question Answer.
SEBA Class 9 Science Important Chapter 15 খাদ্য সম্পদের উন্নতিসাধন
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 9 Science Additional Niotes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given Class 9 Science Additional Solutions for All Chapters, You can practice these here.
খাদ্য সম্পদের উন্নতিসাধন
Chapter: 15
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
প্রশ্ন ১। খাদ্য আমাদের কি কি উপাদান দেয়?
উত্তরঃ কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ।
প্রশ্ন ২। অধিক পরিমাণে খাদ্যশস্য উৎপাদনের পদ্ধতিকে কি বলে?
উত্তরঃ সবুজ বিপ্লব (Green Revolution)।
প্রশ্ন ৩। অধিক পরিমাণে দুগ্ধ উৎপাদনের পদ্ধতিকে কি বলে?
উত্তরঃ শ্বেত বিপ্লব (White Revolution)।
প্রশ্ন ৪। অধিক পরিমাণে ডাল উৎপাদনের পদ্ধতিকে কি বলে?
উত্তরঃ স্বর্ণ বিপ্লব (Golden revolution)
প্রশ্ন ৫। কার্বোহাইড্রেট আমরা কি থেকে পাই?
উত্তরঃ চাউল, গম, ভুট্টা, যব, জোয়ার প্রভৃতি থেকে আমরা কার্বোহাইড্রেট পেয়ে থাকি।
প্রশ্ন ৬। আমাদের ফ্যাটি অ্যাসিড সরবরাহ করে এমন কয়েকটি শস্যের নাম লিখ।
উত্তরঃ সয়াবীন, বাদাম, সরষে, তিল, সূর্যমুখী ইত্যাদি আমাদের ফ্যাটি অ্যাসিড সরবরাহ করে।
প্রশ্ন ৭। বর্ষাকালে উৎপন্ন শস্যকে কি শস্য বলা হয়?
উত্তরঃ খারিফ (Kharif) শস্য।
প্রশ্ন ৮। শীতকালে উৎপন্ন শস্যকে কি শস্য বলা হয়।
উত্তরঃ রবি (Rabi) শস্য।
প্রশ্ন ৯। আমাদের প্রধান দুটি ঋতু শস্য কি কি?
উত্তরঃ (a) খারিফশস্য (Kharif Season)— জুন থেকে অক্টোবর। উদাহরণ – গম, ছোলা, মটর, সরষে প্রভৃতি।
(b) রবি শস্য— নভেম্বর থেকে এপ্রিল, উদাহরণ— গম, ছোলা, সরষে, মটর প্রভৃতি।
প্রশ্ন ১০। ম্যাক্রো ও মাইক্রো এলিমেন্টের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ ম্যাক্রো এলিমেন্ট – নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার।
মাইক্রো এলিমেন্ট – আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, বোরণ, জিঙ্ক, কপার, মলিবডেনাম, ক্লোরিণ।
প্রশ্ন ১১। হাইব্রিডাইজেশন এবং ফটোপিরিয়ড কি?
উত্তরঃ দুটি বা ততোধিক ভিন্ন জাতের প্রজাতির মধ্যে সংকরায়ন (Crossing) করার পদ্ধতিকে হাইব্রিডাইজেশন বলা হয়। পর্যাপ্ত সূর্যালোকের সময়কালকে ফটোপিরিয়ড বলা হয়।
প্রশ্ন ১২। শস্য উৎপাদনের পরিমাণ পরিবেশের উপর নির্ভর করে। আলোচনা কর।
উত্তরঃ বিভিন্ন শস্য এবং তার উৎপাদন মাত্রা পরিবেশের বিভিন্ন শর্তের উপর নির্ভর করে যেমন তাপমাত্রা, ফটোপিরিয়ড, জলের পরিমাণ এবং লাইফ সাইকেল (Life Cycle) সম্পূর্ণ হওয়ার সময়কালের উপর নির্ভর করে। রবি শস্যের চাষ শীতকালে ভালো হয় আবার খারীফ (Kharif) শস্যের চাষ বর্ষাকালে ভালো হয়।
প্রশ্ন ১৩। এগ্রিকালচারে বেশি ইনপুট দিলে ভাল উৎপাদন হয়। আলোচনা কর।
উত্তরঃ এগ্রিকালচারে বেশি ইনপুট দিলে ভাল উৎপাদন হয় অর্থাৎ বেশি পরিমাণ টাকা যোগান দেওয়া হলে ভালো উৎপাদন হয়। যেমন বেশি পরিমাণ টাকার যোগান থাকলে কৃষকেরা ভাল জাতের ফসল লাগাতে পারবে এবং তারা লালন পালনের জন্য উন্নতমানের প্রযুক্তিবিদ্যার ব্যবহার তার করতে পারবে ফলে শস্য উৎপাদন বেশি হবে।
প্রশ্ন ১৪। জৈব উপাদান শস্য উৎপাদনের জন্য জরুরি কেন?
উত্তরঃ জৈব উপাদান শস্য উৎপাদনের জন্য জরুরি কারণ—
(a) এটি মাটির (Structure) গুণ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
(b) এটি বালি মাটির জল ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়।
(c) এটি গাছে জল জমতে দেয় না।
প্রশ্ন ১৫। জৈব পদার্থ ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে ম্যানিওরকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ও কি কি?
উত্তরঃ জৈব পদার্থ ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে ম্যানিওরকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
(a) কম্পোস্ট এবং ভার্মি কম্পোস্ট (Compost and Vermicompost) – খামারের বর্জ্য পদার্থ যেমন পশুর মল (গোবর ইত্যাদি), শাক সবজির খোসা, প্রাণীর বর্জ্য, গৃহের আবর্জনা, মল-মূত্র, পচে যাওয়া মৃত ও আগাছা ইত্যাদিকে বড় গর্ত করে তার ভিতরে পচন ঘটিয়ে নেওয়ার পদ্ধতিকে সার বানানো বা কম্পোস্ট বলে। এই কম্পোস্ট জৈব পদার্থে এবং পুষ্টিতে সমৃদ্ধ। উদ্ভিদ ও প্রাণীর বর্জ্য থেকে সার বানানোতে কেঁচো সাহায্য করে এবং এই সারকে বলে ভার্মি কম্পোস্ট।
(b) গ্রীণ ম্যানিওর বা সবুজ সার – শস্যের বীজ বপন করার আগে ঐ মাটিতে শন জাতীয় গাছ লাগিয়ে কিছুদিন পর গাছগুলি বেড়ে উঠলে লাঙল চাষ করে মাটিতে মিশিয়ে দিতে হয়। এই সবুজ গাছগুলি তখন সবুজ সারের কাজ করে এবং মাটিকে নাইট্রোজেন ও ফসফরাস যোগান দিয়ে সমৃদ্ধ করে।
প্রশ্ন ১৬। ফার্টিলাইজার কি?
উত্তরঃ ফার্টিলাইজার হল বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত উদ্ভিদের পুষ্টি যা বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে উৎপন্ন।
ফার্টিলাইজার প্রধানত মাটিতে নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাসিয়াম (NPK)এর পরিমাণ বাড়ায় যা উদ্ভিদের পুষ্টিতে অত্যাবশ্যক।
প্রশ্ন ১৭। ক্রপ রোটেশন কি? শীম্বাকার (Leguminous) উদ্ভিদের সাথে এর সম্পর্ক কি?
উত্তরঃ একই জমিতে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে একটির পর অন্যটি বিভিন্ন শস্যের ফলন করানোর পদ্ধতিকে গ্রুপ রোটেশন (Crop Rotation) বলে।
শীম্বাকার উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে তা মাটিতে নাইট্রেট এবং নাইট্রাইট আকারে জমা করে। এই নাইট্রোজেন সমন্বিত যৌগ উদ্ভিদ দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন ১৮। শস্যের উন্নতির কারণগুলি কি কি?
উত্তরঃ শস্যের উন্নতির কারণগুলি হল—
(a) অধিক উৎপাদন।
(b) উন্নত মানের শস্য উৎপাদন।
(c) জৈব এবং অজৈব প্রতিবন্ধক।
(d) শস্য পরিপক্ক হওয়ার স্থিতিকালের পরিবর্তন।
(e) মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা।
প্রশ্ন ১৯। কয়েকটি Mixed Cropping-এর উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ ভুট্টা + শীম, চীনাবাদাম + সূর্যমুখী, গম + তৈলবীজ।
প্রশ্ন ২০। Mixed Cropping-এর সুবিধা কি?
উত্তরঃ (a) এটি ফসল চাষের ঝুঁকি কমায়।
(b) একটি ফসল লালন পালনের খরচ কমায়।
(c) এটি বিভিন্ন উদ্ভিদের পর্যাপ্ত পুষ্টিতে সাহায্য করে।
প্রশ্ন ২১। শস্য বা ফসল বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ উদ্ভিদ থেকে আমরা যে সকল খাদ্যবস্তু সংগ্রহ করি সেগুলিকে শস্য বলা হয়।
প্রশ্ন ২২। খারিফ শস্য এবং রবিশস্য কাকে বলে উদাহরণসহ লেখ।
উত্তরঃ বর্ষা ঋতুতে বীজ বপণ করে যে শস্যগুলি উৎপাদন করা হয় তাদেরকে খারিফ শস্য বলে। ভারতবর্ষে বর্ষা ঋতুটি সাধারণত জুন মাস থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত স্থায়ী থাকে।
খারিফ শস্যের কয়েকটি উদাহরণ, যথা— ধান, ভুট্টা, সয়াবীন, অড়হর, মুগ, মাসকলাই ইত্যাদি।
শীতকালে উৎপন্ন হওয়া শস্যগুলিকে রবিশস্য বলে। সাধারণত নভেম্বর মাস থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত রবিশস্য উৎপাদনের সময়।
রবিশস্যের কয়েকটি উদাহরণ, যথা— গম, ছোলা, মটর, সরষে, তিল, তিসি ইত্যাদি।
প্রশ্ন ২৩। উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট (macro-nutrient) বা মুখ্য পোষক মৌলগুলির নাম লিখ।
উত্তরঃ উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মুখ্য পোষক মৌলগুলির নাম, যথা— নাইট্রোজেন, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার।
প্রশ্ন ২৪। উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট (macro-nutrient) বা গৌণ পোষক মৌলগুলির নাম লিখ।
উত্তরঃ উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা গৌণ পোষক মৌলগুলির নাম, যথা— আয়রণ, ম্যাঙ্গানিজ, বোরণ, জিঙ্ক, কপার, মলিবডেনাম, ক্লোরিন।
প্রশ্ন ২৫। ম্যানিওর বা জৈব সার কাকে বলে? কয়েকটি জৈব সারের উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ যে সার মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বৃদ্ধি করে মাটির ভৌতিক গুণাগুণ উন্নত করে তাকে ম্যানিওর বা জৈব সার বলে। জৈব সারের কয়েকটি উদাহরণ, যথা— পচন সার ও ভার্মিকম্পোস্ট বা কেঁচো সার, সবুজ সার ইত্যাদি।
প্রশ্ন ২৬। ম্যানিওর বা জৈব সার ব্যবহারের সুবিধাগুলি কি কি?
উত্তরঃ ম্যানিওর বা জৈব সার ব্যবহারের সুবিধাগুলি হল—
(১) জৈব সার মাটির জলধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
(২) জৈব সার মাটিকে ছিদ্রযুক্ত করে বায়ু চলাচলের পথ সুগম করে।
(৩) ইহা উপকারী অণুজীবগুলির সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
(৪) ইহা মাটির গঠনকে উন্নত করে।
প্রশ্ন ২৭। ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার কাকে বলে? এই সার ব্যবহারের সুবিধাগুলি কি?
উত্তরঃ উদ্ভিদ ও প্রাণীর বর্জ্য থেকে সার তৈরি করতে কেঁচো সাহায্য করে থাকে। এই প্রকার সারকে কেঁচো সার বলে। কেঁচো সার মাটিতে বায়ু চলাচলের পথ সুগম করে এবং মাটির জলধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাছাড়া মাটিকে উর্বর করে অধিক শস্য উৎপাদনের উপযোগী করে তোলে।
প্রশ্ন ৩৮। সবুজ সার কিভাবে প্রস্তুত করা হয়?
উত্তরঃ ক্ষেতের জমিতে শস্যের বীজ বপণ করার আগে ঐ মাটিতে শনজাতীয় গাছ লাগিয়ে কিছুদিন পর সেগুলি বেড়ে উঠলে লাঙ্গল দিয়ে চাষ করে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়। কয়েকদিন পরে গাছগুলি পচে গিয়ে সারে পরিণত হয়। এই সারকে সবুজ সার বলে। সবুজ সার মাটিকে নাইট্রোজেন ও ফসফরাস জোগান দেয় এবং মাটিকে উর্বর করে তোলে।
প্রশ্ন ২৯। পশুপালন কি?
উত্তরঃ পশুপালন হচ্ছে ব্যবসায়ের জন্য পশুধন প্রতিপালনের বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি। পশু সংক্রান্ত চাষে গবাদি পশু, ছাগল, ভেড়া, পোলট্রি পাখি এবং মৎস্য চাষ করা হয়। খামারের পশুর উপযুক্ত যত্ন আদি এবং বিভিন্ন প্রতিপালন ব্যবস্থা যেমন বিজ্ঞানসম্মত বাসস্থান, খাদ্য, প্রজনন ব্যবস্থা, রোগ নিয়ন্ত্রণ করা ইত্যাদির প্রয়োজন।
প্রশ্ন ৩০। পোলট্রি চাষ কাকে বলে?
উত্তরঃ যেসব পাখি প্রতিপালন করে মানুষ ডিম ও মাংস উৎপাদনের সাহায্যে অর্থনৈতিক উন্নতি সাধন করে সেইসব পাখি প্রতিপালনকে পোলট্রি চাষ বলে।
প্রশ্ন ৩১। ব্রয়লার এবং লেয়ার ব্রিড বলতে কি বুঝ? উদাহরণ দাও।
উত্তরঃ যেসব জাতের মুরগী খুব দ্রুত বৃদ্ধিলাভ করে এবং মূলত মাংস জোগান দেয় তাদের ব্রয়লার ব্রিড বলে।
উদাহরণ— আসীল, চিটাগং ও কোচিন ব্রিড।
যেসব জাতের মুরগী বেশী ডিম উৎপাদন করে তাদের লেয়ার ব্রিড বলে।
উদাহরণ- লেগইন। এই লেয়ার ব্রিড বছরে প্রায় 220 টি ডিম পাড়ে।

প্রশ্ন ৩২। মৌমাছি প্রতিপালন বা মৌ-চাষ কাকে বলে? বিভিন্ন প্রজাতির মৌমাছির নাম লেখ।
উত্তরঃ যে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি লালন-পালন করে মৌচাক থেকে মধু ও মৌ-মোম সংগ্রহ করা হয় তাকে মৌমাছি প্রতিপালন বা মৌ-চাষ বলে।
ভারতে প্রাপ্ত বিভিন্ন প্রজাতির মৌমাছিগুলি হল—
(i) এপিস সেরানা ইণ্ডিকা (Apis cerana indica), বা ভারতীয় মৌমাছি।
(ii) এপিস ডর্সাটা ‘(Apis dorsata) বা পাহাড়ী মৌমাছি।
(iii) এপিস ফ্লোরি (Apis florea) বা ক্ষুদে মৌমাছি।
(iv) এপিস মেলিফেরা (Apis mellifera) বা ইউরোপিয়ান মৌমাছি।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

