Class 12 Education Important Chapter 5 স্মরণ ও বিস্মরণ/স্মৃতি ও বিস্মৃতি

Class 12 Education Important Chapter 5 স্মরণ ও বিস্মরণ/স্মৃতি ও বিস্মৃতি Question Answer Bengali Medium As Per AHSEC New Syllabus. to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Education Important Chapter 5 স্মরণ ও বিস্মরণ/স্মৃতি ও বিস্মৃতি Solutions and select need one. Class 12 Education Important Chapter 5 স্মরণ ও বিস্মরণ/স্মৃতি ও বিস্মৃতি Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Education Additional Question Answer Bengali Medium.

Class 12 Education Important Chapter 5 স্মরণ ও বিস্মরণ/স্মৃতি ও বিস্মৃতি

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Education Important Chapter 5 স্মরণ ও বিস্মরণ/স্মৃতি ও বিস্মৃতি Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given AHSEC Class 12 Education Important Notes Bengali Medium for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 5

IMPORTANT

চমু প্রশ্ন উত্তর:

১। স্মৃতি বা স্মরণক্রিয়া কি?

উত্তরঃ মনোবিদ ডব্লিউ এম রাইবার্ণ-এর মতে,যে শক্তির সাহায্যে আমরা অভিজ্ঞতাকে সঞ্চয় করি এবং সচেতন মনের ক্ষেত্রে নিয়ে আসি তাকেই স্মৃতি বলে।

২। স্মৃতির প্রক্রিয়ায় কয়টি পর্যায় জড়িত ও কি কি?

উত্তরঃ স্মৃতির প্রক্রিয়ায় চারটি পর্যায় জড়িত— শিখন, সংরক্ষণ,পুনরুদ্রেক এবং প্রত্যভিজ্ঞা।

৩। স্মৃতির প্রথম ও প্রধান পর্যায় কোনটি?

উত্তরঃ স্মৃতির প্রথম এবং সর্বাধিক প্রয়োজনীয় পর্যায় হলো শিখন অথবা অভিজ্ঞতার আহরণ।

৪। ‘প্রত্যভিজ্ঞা’ শব্দের অর্থ কি?

উত্তরঃ প্রত্যভিজ্ঞা শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো ‘চিনে নেওয়া’।

৫। মানুষের অভিজ্ঞতা সংরক্ষণের ক্ষমতা কত বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়?

উত্তরঃ গবেষকদের মতে,মানুষের সংরক্ষণ ক্ষমতা ১৪ বা ১৫ বৎসর বয়স পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

৬। বার্গসনের মতে স্মৃতি কয় প্রকার ও কি কি?

উত্তরঃ বার্গসনের মতে স্মৃতি দুই প্রকার— কল্প বা প্রতিরূপ স্মৃতি এবং অভ্যাস স্মৃতি।

৭। অভ্যাস স্মৃতি কাকে বলে?

উত্তরঃ দৈহিক পুনরাবৃত্তির সাহায্যে যে স্মৃতি গঠিত হয়,তাকেই অভ্যাস স্মৃতি বলা হয়।

৮। যুক্তিযুক্ত স্মৃতি বলতে কি বোঝায়?

উত্তরঃ কোনো বিষয়কে অন্ধের মতো মুখস্থ না করে যুক্তি দিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করে মনে রাখাকে যুক্তিযুক্ত স্মৃতি বলে।

৯। উত্তম স্মৃতির একটি প্রধান লক্ষণ উল্লেখ করো।

উত্তরঃ দ্রুত ও সহজে শেখার ক্ষমতা হলো উত্তম স্মৃতির একটি অন্যতম লক্ষণ।

১০। স্মৃতি উন্নতির একটি কার্যকর পদ্ধতি বা কৌশলের নাম লেখো।

উত্তরঃ আবৃত্তি হলো স্মৃতির উন্নতির জন্য একটি অত্যন্ত দরকারী কৌশল।

১১। বিস্মৃতি বা বিস্মরণ কাকে বলে?

উত্তরঃ অতীতে অর্জিত অভিজ্ঞতা বা শিখনকে পুনরুৎপাদন করতে ব্যর্থ হওয়াকেই বিস্মৃতি বলে।

১২। বিস্মৃতির একটি দৈহিক কারণ উল্লেখ করো।

উত্তরঃ বার্ধক্য বা বয়স বৃদ্ধি বিস্মৃতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দৈহিক কারণ।

১৩। বিস্মৃতির একটি মানসিক কারণ কি?

উত্তরঃ শিখনের প্রতি অনুরাগের অভাব বিস্মৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মানসিক কারণ।

১৪। ‘অবদমন’ বলতে কি বোঝায়?

উত্তরঃ কোনো কষ্টদায়ক অভিজ্ঞতাকে মনের অবচেতন স্তরে জোর করে ঠেলে দেওয়াকে অবদমন বলা হয়।

১৫। স্মৃতি উন্নতির ক্ষেত্রে ‘সমগ্র পদ্ধতি’ বলতে কি বোঝায়?

উত্তরঃ কোনো বিষয়বস্তুকে খণ্ড খণ্ড ভাবে না পড়ে একসাথে সমগ্রভাবে আহরণ করাকে সমগ্র পদ্ধতি বলে।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর:

১। স্মৃতির বিভিন্ন পর্যায় বা প্রক্রিয়াগুলি বিস্তারিত আলোচনা করো।

উত্তরঃ স্মৃতি একটি জটিল মানসিক প্রক্রিয়া যা মূলত চারটি পর্যায়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

এই পর্যায়গুলি হলো:

(i) শিখন বা অভিজ্ঞতার আহরণ: এটি স্মৃতির প্রথম এবং প্রধান পর্যায়। কোনো ব্যক্তির বস্তু বা বিষয়ের সংবেদন ও প্রত্যক্ষন না থাকলে জ্ঞান আহরণ করা সম্ভব নয় এবং শিখন ব্যতীত স্মৃতি হওয়া অসম্ভব।

(ii) সংরক্ষণ: দ্বিতীয় পর্যায়ে আহরিত শিখন বা অভিজ্ঞতার প্রতিচ্ছবিকে মনের মধ্যে ধরে রাখা হয়। গবেষকদের মতে,এই ক্ষমতা ২৫ বছর বয়সে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় এবং এরপর থেকে তা কমতে শুরু করে।

(iii) পুনরুদ্রেক: এটি হলো সঞ্চিত অভিজ্ঞতাকে প্রয়োজনমতো মনের সচেতন স্তরে ফিরিয়ে আনা। কোনো তথ্য বিস্মরণের কবলে না পড়লে তা অপরিবর্তিতভাবে পুনরুৎপাদন করা যায়।

(iv) প্রত্যভিজ্ঞা: স্মৃতির শেষ পর্যায় হলো প্রত্যভিজ্ঞা বা কোনো বিষয়কে ‘চিনে নেওয়া’। এটি মূলত পূর্বে শেখা তথ্যের সঠিকতা যাচাই করা।

২। বিভিন্ন প্রকার স্মৃতির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

উত্তরঃ বিভিন্ন প্রকার স্মৃতির বিস্তারিত পরিচয় দেওয়া হলো:

(i) কল্প বা প্রতিরূপ স্মৃতি: এই ধরণের স্মৃতি সম্পূর্ণভাবে অতীতের অভিজ্ঞতা বা শিখনের কল্প বা প্রতিরূপের ওপর নির্ভর করে। যখন আমরা কোনো বিষয় বা বস্তু সম্পর্কে পূর্বে অর্জিত অভিজ্ঞতাকে মনের মধ্যে প্রতিচ্ছবি হিসেবে সঞ্চয় করি এবং প্রয়োজনমতো তা ফিরিয়ে আনি,তাকে প্রতিরূপ স্মৃতি বলে। 

(ii) অভ্যাস স্মৃতি: কোনো কাজ বা ক্রিয়ার বারবার দৈহিক পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে যে স্মৃতি গঠিত হয়, তাকে অভ্যাস স্মৃতি বলে। এক্ষেত্রে কোনো মানসিক প্রতিরূপের চেয়ে দৈহিক অভ্যাসের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

(iii) দীর্ঘকালীন বা দীর্ঘায়ত স্মৃতি: সময়ের ব্যবধানের ওপর ভিত্তি করে এই প্রকার স্মৃতিকে চিহ্নিত করা হয়। যদি কোনো ব্যক্তি তার জীবনের প্রথম দিকের কোনো ঘটনা অনেক দিন পরেও মনে করতে পারেন,তবে তাকে দীর্ঘকালীন স্মৃতি বলা হয়।

(iv) স্বল্পকালীন বা তৎকালীন স্মৃতি: কোনো বিষয় শেখার বা অভিজ্ঞতা অর্জনের সামান্য পরেই যদি তা পুনরুৎপাদন করা হয় এবং শিখনের সাথে পুনরুৎপাদনের সময়ের ব্যবধান খুব কম থাকে,তবে তাকে স্বল্পকালীন স্মৃতি বলে। 

(v) যুক্তিযুক্ত বা বিচারমূলক স্মৃতি: এটি একটি উন্নততর স্মৃতির পরিচয়। এক্ষেত্রে কোনো বিষয়কে অন্ধের মতো মুখস্থ না করে বুদ্ধি ও যুক্তি দিয়ে বিশ্লেষণ করে মনে রাখা হয়। গাণিতিক সমস্যা সমাধান বা পরীক্ষাগারে বিজ্ঞানের বিভিন্ন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা এই স্মৃতি ব্যবহার করে।

(vi) মুখস্থ বা যান্ত্রিক স্মৃতি: এটি মূলত মৌখিক পুনরাবৃত্তির ওপর নির্ভরশীল। বুদ্ধি বা যুক্তির প্রয়োগ না করে যান্ত্রিকভাবে বারবার পাঠ করে কোনো বিষয় মনে রাখাকেই যান্ত্রিক স্মৃতি বলে। শিক্ষার্থীরা প্রায়ই পরীক্ষার সময় এই ধরণের স্মৃতি ব্যবহার করে,তবে এটি ক্ষণস্থায়ী এবং যেকোনো সময় ব্যর্থ হতে পারে।

৩। উত্তম স্মৃতির লক্ষণগুলি বা বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো।

উত্তরঃ স্মৃতির লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্যগুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

(i) দ্রুত ও সহজে শেখার ক্ষমতা: উত্তম স্মৃতির প্রথম এবং অন্যতম প্রধান লক্ষণ হলো যে কোনো নতুন বিষয় অত্যন্ত দ্রুত এবং বিনা আয়াসে আয়ত্ত করার ক্ষমতা। সাধারণ স্মৃতির অধিকারীদের যেখানে কোনো পাঠ শিখতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়,সেখানে উত্তম স্মৃতির অধিকারী ব্যক্তিরা কোনো উদ্যোগ ছাড়াই খুব তাড়াতাড়ি শিখতে পারেন। 

(ii) দীর্ঘকাল সংরক্ষণ: স্মৃতির সার্থকতা কেবল দ্রুত শেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়,বরং অর্জিত অভিজ্ঞতাকে দীর্ঘ সময় মনের মণিকোঠায় ধরে রাখার মধ্যে নিহিত। উত্তম স্মৃতির একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি শেখা বিষয়বস্তুর কল্প বা প্রতিচ্ছবিকে দীর্ঘস্থায়ীভাবে সঞ্চয় করে রাখতে পারে। 

(iii) নির্ভুল ও তৎপর পুনরুদ্রেক: প্রয়োজন অনুযায়ী মনের সচেতন স্তরে সঞ্চিত তথ্যকে ফিরিয়ে আনাকেই পুনরুদ্রেক বলে। উত্তম স্মৃতির অধিকারী ব্যক্তিরা যখনই পরিস্থিতির প্রয়োজন হয়,তখনই অত্যন্ত নির্ভুলভাবে এবং খুব দ্রুত তথ্য মনে করতে পারেন। 

(iv) সেবা প্রদানের ক্ষমতা বা উপযোগিতা: স্মৃতি যদি প্রয়োজনের সময় কাজে না আসে,তবে তার কোনো মূল্য নেই। কোনো ব্যক্তি যা-ই শিখুক বা যে অভিজ্ঞতাই সঞ্চয় করুক না কেন,সেটি যদি সঠিক সময়ে যথাযথ পরিষেবা প্রদান করতে সক্ষম হয়,তবেই তাকে উত্তম স্মৃতি বলা যায়। 

(v) উত্তম মানসিক স্বাস্থ্য: উত্তম স্মৃতির জন্য একটি সুস্থ ও সবল মানসিক অবস্থা অত্যন্ত জরুরি। একজন বিরক্ত,ক্লান্ত বা দুর্বল মানসিক অবস্থার মানুষ সহজেই বিভ্রান্ত ও বিস্মৃতিশীল হয়ে পড়েন।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top