Class 12 Education Important Chapter 6 মনোযোগ এবং আগ্রহ/অনুরাগ

Class 12 Education Important Chapter 6 মনোযোগ এবং আগ্রহ/অনুরাগ Question Answer Bengali Medium As Per AHSEC New Syllabus. to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Education Important Chapter 6 মনোযোগ এবং আগ্রহ/অনুরাগ Solutions and select need one. Class 12 Education Important Chapter 6 মনোযোগ এবং আগ্রহ/অনুরাগ Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Education Additional Question Answer Bengali Medium.

Class 12 Education Important Chapter 6 মনোযোগ এবং আগ্রহ/অনুরাগ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Education Important Chapter 6 মনোযোগ এবং আগ্রহ/অনুরাগ Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given AHSEC Class 12 Education Important Notes Bengali Medium for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 6

IMPORTANT

চমু প্রশ্ন উত্তর:

১। আধুনিক মনোবিজ্ঞানীদের মতে মনোযোগ কি?

উত্তরঃ আধুনিক মনোবিজ্ঞানীদের মতে মনোযোগ কোনো মানসিক ক্ষমতা নয়, বরং এটি সচেতন মনের একটি সক্রিয়তা।

২। মনোযোগের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য লেখো।

উত্তরঃ মনোযোগের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো— এটি নির্বাচনধর্মী এবং এটি অত্যন্ত গতিশীল।

৩। মনোযোগের নির্ধারক বা শর্তগুলিকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?

উত্তরঃ মনোযোগের নির্ধারকগুলিকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:

(ক) বস্তুনিষ্ঠ বা বাহ্যিক।

(খ) ব্যক্তিনিষ্ঠ বা অভ্যন্তরীণ।

৪। মনোযোগের একটি বাহ্যিক বা বস্তুনিষ্ঠ নির্ধারকের নাম লেখো।

উত্তরঃ উদ্দীপকের তীব্রতা বা আকার হলো মনোযোগের বাহ্যিক নির্ধারক।

৫। ‘Interest’ শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থ কি?

উত্তরঃ ‘Interest’ শব্দটি একটি লাতিন শব্দ থেকে এসেছে,যার অর্থ হলো ‘it matters’ অথবা ‘it concerns’.

৬। মনোযোগের একটি ব্যক্তিনিষ্ঠ বা অভ্যন্তরীণ শর্তের উদাহরণ দাও।

উত্তরঃ প্রবৃত্তি, আবেগ বা অভ্যাস হলো মনোযোগের ব্যক্তিনিষ্ঠ শর্ত।

৭। ঐচ্ছিক মনোযোগ কয় প্রকার ও কি কি?

উত্তরঃ ঐচ্ছিক মনোযোগ দুই প্রকার—

(ক) স্পষ্ট বা প্রকাশিত ঐচ্ছিক। 

(খ) অনুমিত ঐচ্ছিক মনোযোগ।

৮। অনৈচ্ছিক মনোযোগ কাকে বলে?

উত্তরঃ ব্যক্তির ইচ্ছা বা অনুরাগের ওপর নির্ভর না করে যখন কোনো শক্তিশালী উদ্দীপকের কারণে মনোযোগ আকৃষ্ট হয়,তাকে অনৈচ্ছিক মনোযোগ বলে।

৯। বিশ্লেষণাত্মক মনোযোগ কি?

উত্তরঃ যখন কোনো বস্তু বা ধারণার সামগ্রিক রূপের পরিবর্তে তার খুঁটিনাটি বা প্রতিটি দিকের প্রতি আলাদাভাবে নজর দেওয়া হয়, তাকে বিশ্লেষণাত্মক মনোযোগ বলে।

১০। সংশ্লেষণাত্মক মনোযোগ কাকে বলে?

উত্তরঃ বস্তুর বিভিন্ন অংশকে আলাদাভাবে না দেখে যখন সেটিকে সামগ্রিকভাবে লক্ষ্য করা হয়, তাকে সংশ্লেষণাত্মক মনোযোগ বলে।

১১। ম্যাকডুগাল মনোযোগ ও অনুরাগের সম্পর্ক বিষয়ে কি বলেছেন?

উত্তরঃ ম্যাকডুগালের মতে,”অনুরাগ হলো সুপ্ত মনোযোগ এবং মনোযোগ হচ্ছে সক্রিয় অনুরাগ”।

১২। অনুরাগের দুটি প্রধান উপাদানের নাম লেখো।

উত্তরঃ অনুরাগের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বা উৎস হলো বয়স এবং লিঙ্গভেদ।

১৩। অর্জিত অনুরাগ কি?

উত্তরঃ পরিবেশ, প্রশিক্ষণ,শিক্ষণ বা অভ্যাসের ফলে ব্যক্তির মধ্যে যে অনুরাগ জন্মায়,তাকে অর্জিত অনুরাগ বলে।

১৪। ক্ষণস্থায়ী অনুরাগ কাকে বলে?

উত্তরঃ যে অনুরাগ খুব অল্প সময়ের জন্য স্থায়ী হয় এবং বিশেষ পরিস্থিতির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়, তাকে ক্ষণস্থায়ী অনুরাগ বলে।

১৫। ভাবাত্মক মনোযোগ বলতে কি বোঝায়?

উত্তরঃ যখন মনোযোগ বাহ্যিক উদ্দীপকের পরিবর্তে মানুষের ব্যক্তিগত ভাবনা,চিন্তা বা কল্পনার ওপর নির্ভরশীল থাকে,তাকে ভাবাত্মক মনোযোগ বলা হয়।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর:

১। মনোযোগ কাকে বলে? মনোযোগের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করো।

উত্তরঃ আধুনিক মনোবিজ্ঞানীদের মতে,মনোযোগ কোনো মানসিক ক্ষমতা নয়,বরং এটি সচেতন মনের একটি সক্রিয়তা যার দ্বারা আমরা পরিবেশের কোনো সুনির্দিষ্ট বস্তু বা ধারণার ওপর আমাদের চেতনাকে কেন্দ্রীভূত করি।

মনোযোগের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি:

(i) মানসিক সক্রিয়তা: মনোযোগ কোনো নিষ্ক্রিয় অবস্থা নয়,এটি মনের একটি অত্যন্ত সক্রিয় প্রক্রিয়া। কোনো বিষয়কে স্পষ্টভাবে জানার জন্য আমাদের সচেতন মন সেই বিষয়ের ওপর সক্রিয়ভাবে কাজ করে।

(ii) নির্বাচনধর্মিতা: আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত অসংখ্য উদ্দীপক থাকলেও আমরা সবকিছুর ওপর সমানভাবে মনোযোগ দিই না। মনোযোগ অনেক বিষয়ের মধ্য থেকে একটি নির্দিষ্ট বিষয়কে বেছে নেয়। মনোবিজ্ঞানী গিলফোর্ডের মতে,মনোযোগ হলো একটি নিরবচ্ছিন্ন নির্বাচন প্রক্রিয়া।

(iii) গতিশীলতা: মনোযোগ কখনো এক জায়গায় দীর্ঘক্ষণ স্থির থাকে না। এটি অত্যন্ত গতিময় এবং দ্রুত এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে স্থান পরিবর্তন করতে পারে।

(iv) সীমাবদ্ধতা: মনোযোগের পরিধি অত্যন্ত সীমিত। একটি নির্দিষ্ট সময়ে আমরা অনেকগুলো বিষয়ের ওপর গভীর মনোযোগ দিতে পারি না;বরং খুব অল্প সংখ্যক বস্তু বা ধারণার ওপরই মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয়।

(v) মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি: মনোযোগ কোনো বিষয় জানার জন্য ব্যক্তি বা শিক্ষার্থীর মধ্যে এক ধরণের মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি তৈরি করে। যেমন সংবেদনাত্মক মনোযোগের ক্ষেত্রে ইন্দ্রিয় ও মস্তিষ্কের সজাগ প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়।

২। শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ও অনুরাগ বৃদ্ধির জন্য একজন শিক্ষকের ভূমিকা কি হওয়া উচিত?

উত্তরঃ একজন শিক্ষক নিচের পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে এই ভূমিকা পালন করতে পারেন:

(i) উপযুক্ত শিক্ষা উপকরণের ব্যবহার: নিচু ক্লাসের শিশুদের মনোযোগ আকর্ষণের জন্য শিক্ষক উজ্জ্বল রঙের ছবি, চার্ট, মডেল বা রঙিন শিক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করবেন। উচ্চতর শ্রেণীতে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত চাহিদা ও আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে পাঠদান করা উচিত।

(ii) সক্রিয়তা ও বাস্তব শিখন: কেবল তাত্ত্বিক আলোচনার বদলে শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতার সুযোগ দিলে বা কোনো কাজে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করলে তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মনোযোগী ও আগ্রহী হয়ে ওঠে।

(iii) হাস্যরসের প্রয়োগ: শ্রেণীকক্ষকে আনন্দময় রাখতে শিক্ষক হাস্যরসের সাহায্য নিতে পারেন। এটি শিক্ষার্থীদের মানসিক ক্লান্তি দূর করে এবং পাঠে মনোযোগ ধরে রাখতে সহায়তা করে।

(iv) পরিমিত পুনরাবৃত্তি: কোনো বিষয় শেখানোর জন্য পুনরাবৃত্তি প্রয়োজন,তবে অতিরিক্ত পুনরাবৃত্তি পাঠকে একঘেয়ে করে তুলতে পারে। তাই শিক্ষককে একই বিষয়ের বারবার পুনরাবৃত্তি এড়িয়ে নতুনত্বের মাধ্যমে পাঠ উপস্থাপন করতে হবে।

(v) পুরস্কার ও শাসনের ভারসাম্য: শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করতে পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত পুরস্কার বা শাস্তি—উভয়ই বর্জন করা উচিত। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের দৈহিক শান্তি দেওয়া থেকে বিরত থাকা বাঞ্ছনীয়।

৩। বিভিন্ন ধরণের অনুরাগের বিবরণ দাও।

উত্তরঃ অনুরাগ বা আগ্রহকে তার প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে এবং প্রতিটি ভাগের আবার দুটি করে উপবিভাগ রয়েছে।

এগুলোর বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো:

(i) সহজাত ও অর্জিত অনুরাগ:

সহজাত বা সুপ্ত অনুরাগ: এটি ব্যক্তির জন্মগত প্রবৃত্তির ওপর নির্ভর করে। এই ধরণের অনুরাগ জন্মানোর জন্য কোনো সচেতন প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয় না,বরং এটি মানুষের জৈবিক প্রয়োজনের ওপর ভিত্তি করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে ওঠে।

উদাহরণ: ক্ষুধার্ত ব্যক্তির খাদ্যের প্রতি আগ্রহ, শিশুর মায়ের প্রতি ভালোবাসা অথবা কিশোর-কিশোরীদের একে অপরের প্রতি আকর্ষণ হলো সহজাত অনুরাগের উদাহরণ।

অর্জিত অনুরাগ: পরিবেশ, প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, অভ্যাস এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ব্যক্তি যে অনুরাগ অর্জন করে, তাকে অর্জিত অনুরাগ বলে। এটি ব্যক্তির নিজস্ব রুচি ও আদর্শের ওপর নির্ভরশীল এবং অর্জনের জন্য সচেতন চেষ্টার প্রয়োজন হয়।

উদাহরণ: শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রতি অনুরাগ বা বিশেষ কোনো বাদ্যযন্ত্র শিখনের প্রতি আগ্রহ হলো অর্জিত অনুরাগের উদাহরণ।

(ii) স্থায়ী ও ক্ষণস্থায়ী অনুরাগ:

স্থায়ী অনুরাগ: যে অনুরাগ শিক্ষালব্ধ অভিজ্ঞতা ও গভীর মননশীলতার মাধ্যমে ব্যক্তির মনের গভীরে গেঁথে যায় এবং জীবনব্যাপী স্থায়ী হয়, তাকে স্থায়ী অনুরাগ বলে। এটি ব্যক্তির জীবনদর্শন ও পেশার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকে।

উদাহরণ: একজন জ্ঞানতপস্বী বা পণ্ডিত ব্যক্তির তার বিশেষ বিষয়ের প্রতি অনুরাগ, অথবা একজন ব্যবসায়ীর তার নিজ পেশার প্রতি আগ্রহ হলো স্থায়ী অনুরাগের উদাহরণ।

ক্ষণস্থায়ী বা অস্থায়ী অনুরাগ: পরিস্থিতিগত কারণে কোনো বিশেষ সময়বিন্দুতে বা বাহ্যিক শক্তির প্রভাবে যে অনুরাগ সৃষ্টি হয় এবং খুব অল্প সময়ের জন্য স্থায়ী হয়,তাকে ক্ষণস্থায়ী অনুরাগ বলে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে এই অনুরাগ আর থাকে না।

উদাহরণ: প্রতিদিন সকালে খবরের কাগজ পড়ার প্রতি আগ্রহ অথবা কোনো সাময়িক ঘটনার প্রতি সাময়িক কৌতূহল হলো ক্ষণস্থায়ী অনুরাগের পরিচ্ছন্ন নিদর্শন।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top