Class 12 Education Important Chapter 4 শিখন Question Answer Bengali Medium As Per AHSEC New Syllabus. to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Education Important Chapter 4 শিখন Solutions and select need one. Class 12 Education Important Chapter 4 শিখন Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Education Additional Question Answer Bengali Medium.
Class 12 Education Important Chapter 4 শিখন
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Education Important Chapter 4 শিখন Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given AHSEC Class 12 Education Important Notes Bengali Medium for All Chapters, You can practice these here.
শিখন
Chapter: 4
| IMPORTANT |
চমু প্রশ্ন উত্তর:
১। শিখনের একটি সংজ্ঞা দাও।
উত্তরঃ গেটস্-এর মতে, অভিজ্ঞতা এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আচরণের ধারার পরিবর্তনই হল শিখন।
২। শিখন কি একটি সাময়িক প্রক্রিয়া?
উত্তরঃ না, শিখন একটি জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া যা জন্মের পর থেকে শুরু হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত চলতে থাকে।
৩। ‘Trial and Error’ বা প্রচেষ্টা ও ভুল শিখনের প্রবক্তা কে?
উত্তরঃ এই পদ্ধতির প্রবক্তা হলেন মনোবিদ এডওয়ার্ড-লী থনডাইক।
৪। থনডাইক তাঁর শিখনের পরীক্ষার জন্য কোন প্রাণী ব্যবহার করেছিলেন?
উত্তরঃ থনডাইক তাঁর পরীক্ষার জন্য একটি ক্ষুধার্ত বিড়াল ব্যবহার করেছিলেন।
৫। ‘S-R bond’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ পরিবেশ থেকে উদ্ভূত উদ্দীপক এবং প্রাণীর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে যে সংযোগ বা বন্ধন তৈরি হয়,তাকে সংক্ষেপে S-R bond বলা হয়।
৬। থনডাইকের শিখনের প্রধান তিনটি সূত্র কি কি?
উত্তরঃ শিখনের তিনটি প্রধান সূত্র হল—
(ক) প্রস্তুতির সূত্র।
(খ) ফলাফলের সূত্র।
(গ) অনুশীলনের সূত্র।
৭। ‘Gestalt’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে এবং এর অর্থ কি?
উত্তরঃ এটি একটি জার্মান শব্দ, যার অর্থ হল ‘সমগ্র’ বা ‘সামগ্রিক নকশা’।
৮। অন্তর্দর্শনজাত শিখনের বা গেস্টাল্ট তত্ত্বের প্রবক্তা কারা?
উত্তরঃ এই তত্ত্বের প্রবক্তারা হলেন তিনজন জার্মান মনোবিদ— ওয়ার্দিমার, কোহলার এবং কফকা।
৯। কোহলার তাঁর অন্তর্দর্শন পরীক্ষার জন্য কোন প্রাণীর ওপর পরীক্ষা করেছিলেন?
উত্তরঃ তিনি সুলতান নামক একটি অত্যন্ত বুদ্ধিমান শিম্পাঞ্জীর ওপর পরীক্ষা করেছিলেন।
১০। শিখনের অনুবর্তন তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
উত্তরঃ রুশ শরীরতত্ত্ববিদ ও মনোবিজ্ঞানী আইভ্যান প্যাভলভ শিখনের অনুবর্তন তত্ত্বের প্রবক্তা।
১১। প্যাভলভ তাঁর অনুবর্তন পরীক্ষার জন্য কোন প্রাণীকে বেছে নিয়েছিলেন?
উত্তরঃ প্যাভলভ একটি ক্ষুধার্ত কুকুর-এর ওপর তাঁর পরীক্ষাটি সম্পন্ন করেন।
১২। শিখনের ফলাফলের সূত্রটিকে আর কী নামে অভিহিত করা হয়?
উত্তরঃ এই সূত্রটিকে সন্তোষ ও অসন্তোষের সূত্র অথবা সুখ-আনন্দ ও কষ্টের/বেদনার সূত্রও বলা হয়।
১৩। অনুশীলনের সূত্রের দুটি ভাগ কি কি?
উত্তরঃ অনুশীলনের সূত্রের দুটি ভাগ হল— ব্যবহারের নীতি এবং অব্যবহারের নীতি।
১৪। শিখন ও পরিণমনের মধ্যে একটি প্রধান পার্থক্য কি?
উত্তরঃ শিখন একটি উদ্দীপনাময় পরিস্থিতির ফলশ্রুতি ও অনুশীলনের ওপর নির্ভরশীল,কিন্তু পরিণমন একটি স্বাভাবিক ও জৈবিক প্রক্রিয়া যা অনুশীলনের ওপর নির্ভর করে না।
১৫। শিখনের ক্ষেত্রে পুনরাবৃত্তির গুরুত্ব কি?
উত্তরঃ পুনরাবৃত্তি বা অনুশীলনের মাধ্যমে উদ্দীপক ও প্রতিক্রিয়ার মধ্যে সংযোগ শক্তিশালী হয় এবং শিখন চিরস্থায়ী হয়।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর:
১। শিখন বলতে কি বোঝ? শিখনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা কর।
উত্তরঃ শিখন হলো একটি মনস্তাত্ত্বিক প্রক্রিয়া যার সাহায্যে আমরা কোনো কাজ বা দক্ষতা অর্জন করি। এটি মানুষের জন্ম থেকে শুরু হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে থাকে,তাই একে একটি জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া বলা হয়।
শিখনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হলো:
(i) জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া: শিখন কোনো নির্দিষ্ট সময়ে শেষ হয়ে যায় না। শৈশব থেকে শুরু করে বার্ধক্য পর্যন্ত মানুষ প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শিখতে থাকে।
(ii) অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণের ওপর নির্ভরশীল: শিখন মূলত নতুন নতুন অভিজ্ঞতা এবং প্রশিক্ষণের ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়। অভিজ্ঞতাহীন অবস্থায় শিখন সম্ভব নয়।
(iii) উদ্দীপক ও প্রতিক্রিয়ার যোগসূত্র: শিখনের ফলে পরিবেশের কোনো নির্দিষ্ট উদ্দীপক এবং তার প্রতি প্রাণীর প্রতিক্রিয়ার মধ্যে একটি শক্তিশালী বন্ধন বা যোগসূত্র তৈরি হয়।
(iv) অভিযোজন প্রক্রিয়া: শিখনের প্রধান লক্ষ্য হলো পরিবর্তনশীল পরিবেশের সঙ্গে ব্যক্তিকে মানিয়ে নিতে বা অভিযোজন করতে সাহায্য করা।
(v) উদ্দেশ্যমূলক ও চাহিদাভিত্তিক: শিখন সর্বদা উদ্দেশ্যমূলক হয়। আমাদের কোনো বিশেষ আকাঙ্ক্ষা বা চাহিদা পূরণের তাগিদ থেকেই আমরা শিখতে আগ্রহী হই। উদ্দেশ্যহীনভাবে শিখন সফল হয় না।
২। শিখন ও পরিণমন বলতে কি বোঝ? এই দুই প্রক্রিয়ার মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও পার্থক্যগুলি বুঝিয়ে লেখ।
উত্তরঃ শিখন: অভিজ্ঞতা,প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনের ফলে আচরণের ধারায় যে পরিবর্তন আসে,তাকেই শিখন বলে। এটি একটি জীবনব্যাপী ও উদ্দীপনাময় পরিস্থিতির ফলশ্রুতি।
পরিণমন: কোনো বিশেষ প্রশিক্ষণ বা অনুশীলন ছাড়াই স্বাভাবিক নিয়ম অনুসারে স্নায়বিক ও মাংসপেশীর বৃদ্ধির মাধ্যমে যে বিকাশ ঘটে, তাকে পরিণমন বলে। যেমন—নির্দিষ্ট বয়সে শিশুর হাঁটতে শেখা।
শিখন ও পরিণমন মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক: শিখন ও পরিণমন পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। পরিণমন হলো শিখনের ভিত্তি বা প্রস্তুতি; অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট স্তরের পরিণমন ছাড়া কোনো কিছু শেখা সম্ভব নয়।যেমন—শারীরিক পরিণমন হওয়ার আগে একটি শিশুকে পাজল বক্স সমাধান করতে শেখানো অসম্ভব। পরিণমন ব্যক্তিকে শিখনের যোগ্য করে তোলে এবং শিখন সেই সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে ব্যক্তির উন্নয়ন ঘটায়।
শিখন ও পরিণমন মধ্যে পার্থক্য:
| পার্থক্যের বিষয় | শিখন | পরিণমন |
| প্রকৃতি | এটি একটি মনস্তাত্ত্বিকও কৃত্রিম প্রক্রিয়া। | এটি একটি স্বাভাবিক, প্রাকৃতিক ও জৈবিক প্রক্রিয়া। |
| নির্ভরশীলতা | শিখন অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষণ ও অনুশীলনের ওপর নির্ভরশীল। | পরিণমন প্রশিক্ষণ বা অনুশীলনের ওপর নির্ভর করে না,এটি স্বয়ংক্রিয়। |
| উদ্দীপকের প্রভাব | শিখনের জন্য পরিবেশগত উদ্দীপকের প্রয়োজন হয়। | পরিণমন ব্যক্তির অন্তঃকরণের বৃদ্ধির ফল, এর জন্য বিশেষ উদ্দীপকের প্রয়োজন হয় না। |
| সময়সীমা | এটি জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত চলা একটি জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া। | পরিণমন একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত চলে এবং তারপর থেমে যায়। |
৩। থনডাইকের ‘প্রচেষ্টা ও ভুল’ শিখন পদ্ধতিটি একটি পরীক্ষার সাহায্যে ব্যাখ্যা কর। এই পদ্ধতির শিক্ষাগত গুরুত্ব আলোচনা কর।
উত্তরঃ থনডাইকের ‘প্রচেষ্টা ও ভুল’ শিখন পদ্ধতি ও পরীক্ষা:
(i) এপরীক্ষার উপকরণ: থনডাইক তাঁর পরীক্ষার জন্য একটি ক্ষুধার্ত বিড়াল এবং একটি বিশেষ ধরনের খাঁচা ব্যবহার করেন, যাকে বলা হয় ‘পাজল বক্স’। খাঁচার বাইরে একটি পাত্রে বিড়ালটির খাবার হিসেবে মাছ রাখা হয়েছিল।
(ii) পরীক্ষার প্রক্রিয়া: ক্ষুধার্ত বিড়ালটিকে পাজল বক্সের ভিতর রাখা হলে সে খাবার পাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে ওঠে এবং খাঁচার ভেতর আবল-তাবল বা উদ্দেশ্যহীন নড়াচড়া শুরু করে। সে খাঁচায় কামড় দেওয়ার,নখ দিয়ে আঁচড়ানোর এবং মাথা গলানোর চেষ্টা করতে থাকে। এই উদ্দেশ্যহীন প্রচেষ্টার মাঝখানে হঠাৎ করে তার পায়ে বা থাবায় লেগে সুতোটি টানা পড়ে এবং খাঁচার দরজা খুলে যায়। বিড়ালটি বেরিয়ে এসে খাদ্য গ্রহণ করে।
(iii) ফলাফল: পরবর্তী সময়ে বিড়ালটিকে আবার একই পরিস্থিতিতে রাখা হলে দেখা যায় যে, সে আগের চেয়ে কম সময়ে এবং কম ভুল প্রচেষ্টায় দরজাটি খুলতে সক্ষম হচ্ছে। বারবার এই পরীক্ষাটি করার ফলে বিড়ালটি একসময় কোনো ভুল প্রচেষ্টা ছাড়াই সরাসরি সুতো টেনে দরজাটি খুলতে শিখে যায়। এইভাবেই বিড়ালটি প্রচেষ্টা ও ভুলের মাধ্যমে সঠিক প্রতিক্রিয়াটি বেছে নিতে সমর্থ হয়।
এই পদ্ধতির শিক্ষাগত গুরুত্ব:
(i) সক্রিয়তামুলক শিখন: এই পদ্ধতি শিক্ষার্থীকে শিখনের ক্ষেত্রে সক্রিয় হতে সাহায্য করে। শিক্ষার্থী নিজের প্রচেষ্টায় কাজ করার ফলে শিখন আরও বাস্তবসম্মত ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।
(ii) ধৈর্য ও অধ্যবসায় বৃদ্ধি: প্রচেষ্টা ও ভুলের মাধ্যমে শেখার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীকে অনেকবার বিফল হতে হয়। এটি শিক্ষার্থীর মধ্যে ‘বারবার চেষ্টা কর’ এই মানসিকতা তৈরি করে এবং বিফলতায় হতাশ না হওয়ার শিক্ষা দেয়।
(iii) সমস্যা সমাধান: মানুষ দৈনন্দিন জীবনের নানা জটিল সমস্যার সমাধান এই পদ্ধতির মাধ্যমেই করে থাকে। শ্রেণিকক্ষেও বিভিন্ন শিক্ষামূলক সমস্যার সমাধানে শিক্ষার্থী এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে।
(iv) ব্যক্তিগত দক্ষতা অর্জন: বিমূর্ত চিন্তার চেয়ে কোনো কাজ হাতে-কলমে শেখার ক্ষেত্রে (যেমন- হাতের কাজ বা যান্ত্রিক কৌশল) এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

