Class 12 Education Important Chapter 3 শিক্ষার বর্তমান প্রবণতা Question Answer Bengali Medium As Per AHSEC New Syllabus. to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Education Important Chapter 3 শিক্ষার বর্তমান প্রবণতা Solutions and select need one. Class 12 Education Important Chapter 3 শিক্ষার বর্তমান প্রবণতা Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Education Additional Question Answer Bengali Medium.
Class 12 Education Important Chapter 3 শিক্ষার বর্তমান প্রবণতা
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Education Important Chapter 3 শিক্ষার বর্তমান প্রবণতা Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given AHSEC Class 12 Education Important Notes Bengali Medium for All Chapters, You can practice these here.
শিক্ষার বর্তমান প্রবণতা
Chapter: 3
| IMPORTANT |
চমু প্রশ্ন উত্তর:
১। ১৮৬৯ সালে সর্বপ্রথম কে পরিবেশগত সচেতনতার ধারণা প্রচলিত করেন?
উত্তরঃ আর্নেস ম্যাকড্ ১৮৬৯ সালে সর্বপ্রথম পরিবেশগত সচেতনতার ধারণা প্রচলিত করেন।
২। প্রতিবছর কোন দিনটি ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়?
উত্তরঃ প্রতিবছর ৫ জুন দিনটি বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
৩। ‘Environment’ শব্দটি কোন ফরাসি শব্দ থেকে উৎপন্ন হয়েছে?
উত্তরঃ ‘Environment’ শব্দটি ফরাসি শব্দ ‘Environer’ থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো ‘ঘিরে রাখা’ বা ‘বেষ্টন করা’।
৪। জনসংখ্যা শিক্ষা বা ‘Population Education’-এর ধারণাটি কে প্রথম বিকাশ (Develop) করেন?
উত্তরঃ নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত মার্কিন সমাজতত্ত্ববিদ আলভা মিরডাল জনসংখ্যা শিক্ষার ধারণাটি প্রথম বিকাশ করেন।
৫। ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ভারতের জনসংখ্যা কত ছিল?
উত্তরঃ ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ভারতের জনসংখ্যা ছিল ১,০২৮ মিলিয়ন।
৬। ২০০১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারতের কোন রাজ্যে জনসংখ্যা সর্বাধিক ছিল?
উত্তরঃ ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যে জনসংখ্যা ছিল সর্বাধিক ১৯৬ মিলিয়ন।
৭। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার কত সালে জনসংখ্যা সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন করে?
উত্তরঃ ২০০০ সালে ভারত সরকার প্রথম জনসংখ্যা সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন করে।
৮। শারীরিক শিক্ষা সম্পর্কে “সুস্থ দেহে সুস্থ মনের বিকাশ” — এই উক্তিটি কার?
উত্তরঃ এই বিখ্যাত উক্তিটি গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর।
৯। প্রাচীনকালের কোন দেশে শারীরিক শিক্ষার ওপর প্রথম গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছিল?
উত্তরঃ প্রাচীন গ্রীসে সর্বপ্রথম শারীরিক শিক্ষার ওপর প্রধান গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছিল।
১০। ১৮৮০ সালে সর্বপ্রথম ‘মূল্যবোধ’ বা ‘Values’ শব্দটি কে ব্যবহার করেন?
উত্তরঃ জার্মান দার্শনিক ফ্রেডরিক নিৎসে ১৮৮০ সালে সর্বপ্রথম ‘মূল্যবোধ’ শব্দটি ব্যবহার করেন।
১১। কত সালে ভারতের ‘জাতীয় মহিলা শিক্ষা সমিতি’ গঠিত হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৯৫৮-৫৯ সালে ভারতে জাতীয় মহিলা শিক্ষা সমিতি গঠিত হয়।
১২। ১৯৮৫ সালে নারীদের ক্ষমতায়ন সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক মহিলা সম্মেলনটি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
উত্তরঃ সম্মেলনটি কেনিয়ার নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
১৩। ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ভারতীয় মহিলাদের সাক্ষরতার হার কত ছিল?
উত্তরঃ ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ভারতীয় মহিলাদের সাক্ষরতার হার ছিল ৫৪.১৬%।
১৪। পরিবেশকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ পরিবেশকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়— প্রাকৃতিক পরিবেশ,সামাজিক পরিবেশ এবং মনুষ্যসৃষ্ট পরিবেশ।
১৫। কত সালে নারীদের সুরক্ষার জন্য ‘ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স অ্যাক্ট’পাশ হয়?
উত্তরঃ ২০০৫ সালের ২৩শে জুন নারীদের সুরক্ষার জন্য এই আইনটি পাশ করা হয়।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর:
১। পরিবেশ বিদ্যা কাকে বলে? এর প্রয়োজনীয়তা বা গুরুত্ব আলোচনা করো।
উত্তরঃ পরিবেশ সম্পর্কে এবং পরিবেশের জন্য শিক্ষাই হলো পরিবেশ বিদ্যা। এটি একটি সুসংহত প্রক্রিয়া যা মানুষের সাথে প্রকৃতির পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে পরিবেশ সম্পর্কে এবং পরিবেশের জন্য শিক্ষাই হলো পরিবেশ বিদ্যা। এটি একটি সুসংহত প্রক্রিয়া যা মানুষের সাথে প্রকৃতির পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে।
পরিবেশ বিদ্যার প্রয়োজনীয়তা বা গুরুত্ব:
(i) সচেতনতা ও সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি: পরিবেশ বিদ্যা ছাত্রছাত্রীদের সমগ্র পরিবেশ এবং এর সাথে জড়িত সমস্যাবলি সম্পর্কে সচেতন ও সংবেদনশীল করে তোলে। এটি পরিবেশ ও মানুষের মধ্যে যে আত্মিক সম্বন্ধ রয়েছে তা বুঝতে সহায়তা করে।
(ii) সমস্যা সমাধান ও দক্ষতা অর্জন: পরিবেশগত সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা এবং সেগুলির মূল্যায়নের মাধ্যমে সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনে এই শিক্ষা সাহায্য করে। এর মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা পরিবেশগত সমস্যার সমাধানে যথাযথ কার্যবিধি সুনিশ্চিত করতে শেখে।
(iii) সম্পদ সংরক্ষণ ও উপযুক্ত ব্যবহার: প্রাকৃতিক সম্পদের নিয়ন্ত্রণ,উপযুক্ত ব্যবহার এবং পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব বুঝতে এই শিক্ষা অপরিহার্য। পরিবেশ যে দ্রুত ধ্বংসের পথে এগোচ্ছে,প্রতিরোধ করতে এবং প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নিতে এটি জ্ঞান প্রদান করে।
(iv) ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ গঠন: পরিবেশের প্রতি যত্নশীল মনোভাব, দায়বদ্ধতা এবং নির্দিষ্ট মূল্যবোধ গড়ে তোলাই এই শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য। মানুষের পরিবর্তনশীল মনোভাব যা অন্য মানুষের প্রতি ঘৃণা বা জাতপাত-ধর্ম নিয়ে বিরোধ তৈরি করে,তা দূর করতেও এর প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে।
২। জনসংখ্যা শিক্ষার বৈশিষ্ট্য ও প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো।
উত্তরঃ জনসংখ্যা শিক্ষার বৈশিষ্ট্য:
(i) মানবসম্পদ উন্নয়নের অংশ: জনসংখ্যা শিক্ষা কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়,বরং এটি একটি দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নের সামগ্রিক নীতির অন্তর্ভুক্ত একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
(ii) গুণগত ও সংখ্যাগত বিকাশ: এটি একটি দেশের কেবল জনসংখ্যার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণই নয়,বরং মানুষের গুণগত মান এবং সামগ্রিক বিকাশে সহায়তা করে।
(iii) পরিবেশ বিদ্যার অংশ: জনসংখ্যা শিক্ষাকে পরিবেশ বিদ্যার একটি বিশেষ অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়,কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে পরিবেশের ভারসাম্য সরাসরি যুক্ত।
(iv) বিস্তৃত পরিধি: এই শিক্ষার পরিধি কেবল যৌন শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং যৌন শিক্ষা অপেক্ষা জনসংখ্যা শিক্ষার পরিধি অনেক বেশি বিস্তৃত ও বহুমুখী।
জনসংখ্যা শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা:
(i) অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার দূরীকরণ: মানুষের মনে জনসংখ্যা ও পরিবার গঠন নিয়ে যে সব প্রাচীন অন্ধবিশ্বাস বা কুসংস্কার রয়েছে, তা দূর করে বিজ্ঞানসম্মত চিন্তাধারা গড়ে তুলতে এই শিক্ষা সাহায্য করে।
(ii) জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন: উচ্চতর বা উন্নত মানের জীবনযাপন নিশ্চিত করার জন্য জনসংখ্যা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান থাকা একান্ত আবশ্যক।
(iii) বিস্ফোরণজনিত সমস্যা সমাধান: দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে খাদ্য, বস্ত্র ও আশ্রয়ের যে সমস্যা তৈরি হয়,সেগুলি অধ্যয়ন করা এবং তা সমাধানের উপযুক্ত পথ খুঁজে বের করতে এই শিক্ষা প্রয়োজন।
(iv) লিঙ্গ সমতা ও নারীর মর্যাদা: নারী ও পুরুষের মধ্যে সামাজিক সমতা বিধান এবং নারীদের তাদের উপযুক্ত মর্যাদা ও অধিকার আদায়ে সচেতন করতে জনসংখ্যা শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
(v) দায়িত্বশীল নাগরিক সৃষ্টি: দেশের জনসংখ্যা সংক্রান্ত সমস্যাগুলি বুঝে যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারে এমন দায়িত্বশীল সুনাগরিক তৈরির জন্য এই শিক্ষা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
৩। দৈহিক শিক্ষার গুরুত্ব বা প্রয়োজনীয়তা সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃ দৈহিক শিক্ষার গুরুত্ব বা প্রয়োজনীয়তা:
(i) সুস্থ দেহ ও মন গঠন: বিখ্যাত গ্রিক দার্শনিক প্লেটোর মতে, “সুস্থ মনের বাস সুস্থ শরীরে”।
অ্যারিস্টটলও মনে করতেন যে, শিক্ষা হলো সুস্থ দেহে সুস্থ মনের বিকাশ ঘটানো। দৈহিক শিক্ষা মানুষের শরীরের গঠন মজবুত করে এবং মানসিক কার্যকারিতাকে সহজ ও সুনিশ্চিত করে তোলে।
(ii) মানসিক সজাগতা ও একাগ্রতা বৃদ্ধি: দৈহিক শিক্ষার বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন— কুস্তি, কাবাডি, ক্রিকেট ইত্যাদিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর মধ্যে সজাগ মনোভাব এবং একাগ্রতা তৈরি হয়।
এটি শিক্ষার্থীর অন্তর্নিহিত বৌদ্ধিক ও প্রক্ষোভিক বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করে।
(iii) স্বাস্থ্য সচেতনতা ও রোগ প্রতিরোধ: দৈহিক শিক্ষা স্বাস্থ্য,শরীরের সম্ভাব্য ঝুঁকি এবং বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনের একটি চমৎকার উৎস। এটি মানুষের শরীরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দীর্ঘায়ু লাভে সহায়তা করে।
(iv) মানসিক চাপ ও উদ্বেগ নিয়ন্ত্রণ: বর্তমান সময়ে মানুষ প্রায়ই মানসিক চাপ ও উদ্বেগের শিকার হয়। দৈহিক শিক্ষা আনন্দদায়ক কার্যাবলীর মাধ্যমে মানসিক পীড়ন, চাপ এবং চাপা উত্তেজনা প্রশমিত করতে সাহায্য করে।
(v) চরিত্র গঠন ও নৈতিক গুণাবলী অর্জন: দৈহিক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর মধ্যে ধৈর্য, দলগত সংহতি,নেতৃত্বের গুণাবলী এবং নিয়মকানুনের প্রতি আনুগত্যের মতো মহৎ গুণগুলো বিকশিত হয়। এটি মানুষের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ জাগ্রত করে যা ব্যক্তিত্বের বিকাশে অপরিহার্য।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

