Class 12 Education Important Chapter 2 নিয়মবহির্ভূত বা বিধিমুক্ত শিক্ষা

Class 12 Education Important Chapter 2 নিয়মবহির্ভূত বা বিধিমুক্ত শিক্ষা Question Answer Bengali Medium As Per AHSEC New Syllabus. to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Education Important Chapter 2 নিয়মবহির্ভূত বা বিধিমুক্ত শিক্ষা Solutions and select need one. Class 12 Education Important Chapter 2 নিয়মবহির্ভূত বা বিধিমুক্ত শিক্ষা Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Education Additional Question Answer Bengali Medium.

Class 12 Education Important Chapter 2 নিয়মবহির্ভূত বা বিধিমুক্ত শিক্ষা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. Class 12 Education Important Chapter 2 নিয়মবহির্ভূত বা বিধিমুক্ত শিক্ষা Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given AHSEC Class 12 Education Important Notes Bengali Medium for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 2

IMPORTANT

চমু প্রশ্ন উত্তর:

১। ১৮৪০ সালে সর্বপ্রথম কে পতাচার শিক্ষার প্রবর্তন করেন?

উত্তরঃ আইজ্যাক পিটম্যান ১৮৪০ সালে সর্বপ্রথম পতাচার শিক্ষার প্রবর্তন করেন।

২। ভারতের সর্বপ্রথম মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি?

উত্তরঃ অন্ধ্রপ্রদেশের বি. আর. আম্বেদকর মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ভারতের সর্বপ্রথম মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩। ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি কত সালে এবং কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তরঃ ১৯৮৫ সালে ভারতের রাজধানী নিউ দিল্লিতে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।

৪। “বিধিযুক্ত শিক্ষা হলো প্রথাগত শিক্ষা কাঠামোর বাইরে বয়স্ক ও শিশু নির্বিচারে সুনির্দিষ্ট শিখন কৌশল প্রদান করা”— উক্তিটি কার?

উত্তরঃ শিক্ষাবিদ কুম্স এবং মনজুর আহমেদ এই সংজ্ঞাটি প্রদান করেছেন।

৫। দূরগত বা মুক্ত শিক্ষায় ‘SLM’ কথাটির পুরো নাম কি?

উত্তরঃ SLM-এর পুরো নাম হলো ‘Self Learning Material’ বা স্ব-শিখন সামগ্রী।

৬। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে পতাচার শিক্ষার কোর্স শুরু করে?

উত্তরঃ ১৯৬২ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় পতাচার শিক্ষা শুরু করে।

৭। ১৯৬১ সালে ভারত সরকার পতাচার শিক্ষা সংক্রান্ত যে কমিটি নিয়োগ করেন তার সভাপতি কে ছিলেন?

উত্তরঃ ডঃ ডি.এস.কোঠারি ছিলেন এই কমিটির সভাপতি।

৮। আসামের ‘কৃষ্ণকান্ত সন্দিকৈ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়’ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তরঃ ২০০৭ সালে আসামে এই মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়।

৯। মুক্ত বিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স কত হওয়া প্রয়োজন?

উত্তরঃ যে কোনো ব্যক্তি যার অন্তত ১৪ বছর বয়স পূর্ণ হয়েছে,সে মুক্ত বিদ্যালয়ে যোগ দিতে পারে।

১০। কে দূরগত শিক্ষাকে ‘শিল্পশ্রমশৈলী’ শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করেছেন?

উত্তরঃ শিক্ষাবিদ পিটার্স দূরগত শিক্ষাকে এই নামে অভিহিত করেছেন।

১১। দিল্লির মুক্ত বিদ্যালয় কত সালে তার কাজ শুরু করে?

উত্তরঃ ১৯৭৯ সালের জুলাই মাস থেকে এটি কাজ শুরু করে।

১২। দূরগত শিক্ষাকে ‘টেলিম্যাটিক টিচিং’ বলে কে অভিহিত করেছেন?

উত্তরঃ মুর দূরগত শিক্ষাকে এই নামে চিহ্নিত করেছেন।

১৩। ১৮৯৮ সালে হেনস্ হারমোড কোন বিষয়ের ওপর প্রথম পতাচার শিক্ষার পাঠ্যসূচি প্রকাশ করেন?

উত্তরঃ তিনি ‘বুক কিপিং’ বিষয়ের ওপর প্রথম পতাচার শিক্ষার পাঠ্যসূচি প্রকাশ করেন।

১৪। বিধিমুক্ত বা অপ্রথাগত শিক্ষার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।

উত্তরঃ এই শিক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত নমনীয় এবং এটি প্রথাগত বা বিধিসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থার গণ্ডির বাইরে একটি চাহিদাভিত্তিক ব্যবস্থা।

১৫। মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রধান উদ্দেশ্য কি?

উত্তরঃ যারা জীবনের শুরুতে শিক্ষার সুযোগ হারিয়েছে বা মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছে,তাদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেওয়া এর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর:

১। বিধিমুক্ত বা অপ্রথাগত শিক্ষা কাকে বলে? এই শিক্ষা ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো।

উত্তরঃ বিধিমুক্ত শিক্ষা হলো এমন এক শিক্ষা ব্যবস্থা যা প্রথাগত বা বিধিসম্মত শিক্ষা কাঠামোর বাইরে পরিচালিত হয়।

 বিভিন্ন শিক্ষাবিদ একে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন:

(i) জে.পি.নায়েক- এর মতে: এটি বিধিসম্মত শিক্ষা হতে পৃথক এই অর্থে যে এটি প্রথাগত বিদ্যালয় ব্যবস্থার বাইরে সম্পাদিত হয়।

(ii) আদিশেষাইয়া-র মতে: বিধিমুক্ত শিক্ষা প্রথাগত ব্যবস্থার বাইরের সকল শিখনকে অন্তর্ভুক্ত করে এবং এর সময় বা পরিসরের কোনো পরিমাপক নেই।

শিক্ষা ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি:

(i) চরম নমনীয়তা: বিধিমুক্ত শিক্ষার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর নমনীয়তা। এখানে পাঠ্যক্রম, সময়, স্থান, স্থায়িত্ব, উপস্থিতির হার এবং মূল্যায়ন পদ্ধতি শিক্ষার্থীর সুবিধা ও প্রয়োজন অনুযায়ী অনেক বেশি নমনীয় হয়।

(ii) চাহিদাভিত্তিক ও প্রাসঙ্গিক: এই শিক্ষা ব্যবস্থা নির্দিষ্ট কোনো জনগোষ্ঠীর বিশেষ চাহিদা ও আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। মানুষ তখনই এই শিক্ষায় অংশগ্রহণ করে যখন তারা এটিকে তাদের জীবনের জন্য প্রাসঙ্গিক ও আকর্ষণীয় মনে করে।

(iii) জীবনব্যাপী শিখন প্রক্রিয়া: এটি একটি নিরবচ্ছিন্ন জীবনব্যাপী শিক্ষা ব্যবস্থা যা মানুষের সারাজীবনের অভিজ্ঞতার সাথে যুক্ত থাকে।

(iv) প্রবেশ ও প্রস্থানের সুযোগ: এই ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের প্রবেশের (ভর্তি) এবং প্রস্থানের (ছেড়ে যাওয়া) জন্য নমনীয় ব্যবস্থা থাকে,যা প্রথাগত শিক্ষায় সম্ভব নয়।

(v) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সম্পর্ক: এখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে কোনো কর্তৃত্ববাদী মানসিকতা থাকে না। তারা শিখন প্রক্রিয়ায় একে অপরের অংশীদার হিসেবে কাজ করে এবং এই সম্পর্কটি প্রথাগত ব্যবস্থার চেয়ে অনেক বেশি সহজ ও স্বাভাবিক হয়।

২। বিধিমুক্ত বা অপ্রথাগত শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ বিধিমুক্ত বা অপ্রথাগত শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা:

(i) শিক্ষার সর্বজনীনকরণ: প্রথাগত শিক্ষা ব্যবস্থার অনেক সীমাবদ্ধতা থাকায় সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছে শিক্ষা পৌঁছাতে পারে না। বিধিমুক্ত শিক্ষা একটি বিকল্প পথ হিসেবে কাজ করে এবং শিক্ষাকে সর্বজনীন করতে সহায়তা করে।

(ii) প্রথাগত শিক্ষার পরিপূরক ও অনুপূরক: বিধিমুক্ত শিক্ষা প্রথাগত বা বিধিবদ্ধ শিক্ষার বিকল্প নয়, বরং এটি তার পরিপূরক ও অনুপূরক হিসেবে কাজ করে। এটি প্রথাগত ব্যবস্থার ফাঁকফোকরগুলো পূরণ করে মানুষের জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত করে।

(iii) বঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর উন্নয়ন: আর্থিক অনটন বা সামাজিক কারণে যারা প্রথাগত বিদ্যালয় থেকে দূরে সরে গেছে,কর্মরত ব্যক্তি,গৃহিণী এবং সমাজের অনগ্রসর ও বঞ্চিত শ্রেণীর মানুষের জন্য এই শিক্ষা ব্যবস্থা আশীর্বাদ স্বরূপ। এটি প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলের মানুষের কাছে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেয়।

(iv) জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ: বিধিমুক্ত শিক্ষা একটি জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া। এটি মানুষকে সারা জীবন ধরে নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দেয়,যা প্রথাগত নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না।

(v) নমনীয়তা ও ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা: প্রথাগত শিক্ষা অত্যন্ত কঠোর ও নিয়মবদ্ধ। এর বিপরীতে বিধিমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত নমনীয়। এখানে শিক্ষার সময়,স্থান,পাঠ্যসূচী এবং পদ্ধতির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর প্রয়োজন ও সুবিধাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।

৩। দূরগত শিক্ষা বলতে কী বোঝো? এর প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।

উত্তরঃ দূরগত শিক্ষার ধারণা: দূরগত শিক্ষা হলো এমন এক পদ্ধতি যেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ভৌগোলিকভাবে একে অপরের থেকে দূরে অবস্থান করেন। পিটার্স দূরগত শিক্ষাকে ‘শিল্পশ্রমশৈলী’ শিক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য:

(i) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর শারীরিক দূরত্ব: এই ব্যবস্থার প্রধান প্রকৃতি হলো শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে ভৌগোলিক বা দৈহিক দূরত্ব বজায় থাকা। প্রথাগত শ্রেণিকক্ষের পরিবর্তে এখানে ডাকযোগ,রেডিও, টেলিভিশন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপিত হয়।

(ii) প্রতিষ্ঠানিক মাধ্যম: দূরগত শিক্ষায় কোনো ব্যক্তিগত গৃহশিক্ষকের ভূমিকা থাকে না; বরং একটি নির্দিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমগ্র শিক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে। প্রতিষ্ঠানটি পাঠ্যসামগ্রী তৈরি করে এবং শিক্ষার্থীর কাজের মূল্যায়ন করে।

(iii) স্ব-শিখন সামগ্রী: এই ব্যবস্থার কেন্দ্রে থাকে বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত শিখন সামগ্রী। শিক্ষক নিজে সরাসরি উপস্থিত না থেকে এই সামগ্রীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীকে শিখতে সাহায্য করেন।

(iv) শিল্পশ্রমশৈলী বা শিল্পোদ্যোগের মতো ব্যবস্থাপনা: অটো পিটার্সের মতে, দূরগত শিক্ষার পরিচালনা অনেকটা শিল্পোদ্যোগের মতো। এখানে কাজ পরিচালনার জন্য সুনির্দিষ্ট সময়সীমা,মুদ্রণ পদ্ধতি,এবং বিলি-বণ্টন ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পালন করা হয়।

(v) শিক্ষার্থীর স্বাধীনতা ও দায়িত্ব: দূরগত শিক্ষায় শিক্ষার্থীর ওপর অনেক বেশি দায়বদ্ধতা থাকে। শিখনের প্রারম্ভ এবং তা বজায় রাখা মূলত শিক্ষার্থীর নিজের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। এটি মূলত প্রাপ্তবয়স্ক বা যারা কাজের সাথে যুক্ত তাদের স্বাধীনভাবে পড়ার সুযোগ দেয়।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top