Class 12 Education Chapter 7 মানসিক স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞান

Class 12 Education Chapter 7 মানসিক স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞান Question Answer Bengali Medium As Per AHSEC New Syllabus. to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 12 Education Chapter 7 মানসিক স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞান Solutions and select need one. Class 12 Education Chapter 7 মানসিক স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞান Notes Download PDF. AHSEC Class 12 Education Question Answer Bengali Medium.

Class 12 Education Chapter 7 মানসিক স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞান

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. AHSEC Class 12 Education Chapter 7 মানসিক স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিজ্ঞান Solutions are part of All Subject Solutions. Here we have given AHSEC Class 12 Education Notes Bengali Medium for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 7

সক্রিয়তা ৫.১

১। মানসিক রোগাক্রান্ত ব্যক্তিদের একটি প্রতিবেদন পেশ কর এবং চেষ্টা কর এদের আচরণধারাকে নথিবদ্ধ কর এবং আলোচনা কর নীরোগ মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য আমাদের কি করা উচিত।

উত্তরঃ এই সক্রিয়তাটি মানসিক রোগাক্রান্ত ব্যক্তিদের সনাক্তকরণ, তাদের আচরণধারার নথিবদ্ধকরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায় নিয়ে আলোচনা করে।

প্রতিবেদন ও পর্যবেক্ষণের বিষয়পাঠ্যপুস্তক ভিত্তিক মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা ও আচরণধারানীরোগ মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য আমাদের করণীয়
মানসিক রোগগ্রস্তদের আচরণধারা নথিবদ্ধকরণমানসিক রোগাক্রান্ত ব্যক্তিরা তীব্র মানসিক চাপ, প্রাক্ষোভিক বা আবেগজনিত সমস্যা এবং মানিয়ে নেওয়ার অক্ষমতা বা বিষম উপযোজন -এ ভোগেনতাদের ব্যক্তিত্বের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয় এবং দৈনন্দিন জীবনে তারা নানা অস্থিরতা প্রকাশ করেন।মনস্তাত্ত্বিক চিকিৎসা ও যত্ন: মনোবিজ্ঞানীদের বিধিনির্দেশ অনুযায়ী এদের চিকিৎসায় ঘুমের ওষুধের সঠিক ব্যবহার, পুষ্টিকর খাদ্য পরিবেশন এবং সামগ্রিক শারীরিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে।
সক্রিয় বিনোদন ও থেরাপি: মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত সংগীত শোনা, খেলাধূলা, ধ্যান এবং অবসর সময়ে হাঁটা, ঘোড়ায় চড়া, শিক্ষামূলক ভ্রমণে যাওয়া বা সমাজসেবামূলক কাজে যুক্ত করতে হবে।
নীরোগ মানসিক স্বাস্থ্যের মূল ভিত্তিসুস্থ জীবনযাপনের মূল চালিকাশক্তি হলো দৈহিক ও মানসিকভাবে রোগ, উদ্বেগ, হতাশা এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকা• মানুষের শারীরিক সুস্থতাও তার নিটোল মানসিক সুস্থতার ওপর সরাসরি নির্ভরশীল।ইতিবাচক মনোভাব: রোগগ্রস্ত ব্যক্তিদের প্রতি কঠোর ব্যবহারের পরিবর্তে ন্যায়পরায়ণতা, সহানুভূতিশীল ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ প্রদর্শন করতে হবে।
সামাজিক ও পারিবারিক সমর্থন: মানসিক রোগাক্রান্ত ব্যক্তিদের নিজের মানুষ (পরিবার) এবং সমাজ থেকে পর্যাপ্ত সাহায্য ও সহমর্মিতা প্রদান করা অত্যন্ত জরুরি।
সক্রিয়তা ৫.২  

১। মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের ধারণা ব্যাখ্যা কর। বিশেষ কয়েকটি সংজ্ঞা বিশ্লেষণ কর এবং মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য ও কার্যসমূহ নির্ধারণের চেষ্টা কর।

উত্তরঃ মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান হলো সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের মূল বিজ্ঞান।

এর সামগ্রিক রূপরেখা দেওয়া হলো:

(i) কোভাইল: মানসিক রোগের প্রকোপ হ্রাস করার জন্য প্রতিরোধ ও দ্রুত চিকিৎসার মাধ্যমে ব্যবস্থাপত্র দেওয়া এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করাই হলো মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান

(ii) সিং: এটি এমন এক বিজ্ঞান যা মানসিক রোগ ও ব্যক্তিত্বের বিশৃঙ্খলা নিরাময়ের জন্য চিকিৎসা ও প্রতিরোধের ব্যবস্থা আলোচনা করে এবং সুন্দর অভিযোজন গড়ে তোলে

(iii) ক্রো এবং ক্রো: এটি এমন একটি বিজ্ঞান যা মানুষের কল্যাণসাধন এবং মানসিক সম্পর্কের সকল ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করে

(iv) হাডফিল্ড: মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং মানসিক গোলযোগ প্রতিরোধ করার চর্চাকেই মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান বলে।

মনস্তাত্ত্বিক তত্ত্ব ও সংজ্ঞা:

‘Hygiene’ শব্দটি গ্রিক স্বাস্থ্যের দেবী ‘Hygeia’ থেকে এসেছে, যার মূল অর্থ নিজেকে ও পরিবেশকে রোগমুক্ত রাখা

আধুনিক শিক্ষায় একে ‘An art of living’ বা জীবনযাপনের শিল্প বলা হয়, যা দেহ ও মনকে সুস্থ রাখে।

মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের তিনটি প্রধান কার্য:

(i) প্রতিরোধমূলক কার্য: ব্যক্তিত্বের গোলমাল ও অভিযোজনের সমস্যার কারণ নির্ণয় করে তা আগে থেকেই প্রতিরোধ করা।

(ii) নিরাময়মূলক কার্য: মানসিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে বিভিন্ন চিকিৎসা সংক্রান্ত কৌশল ও থেরাপি প্রদান করা।

(iii) সংরক্ষণমূলক কার্য: ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে সমৃদ্ধির জন্য সবল মানসিক স্বাস্থ্যকে চিরতরে বজায় রাখা বা সংরক্ষণ করা।

সক্রিয়তা ৫.৩

১। মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের জ্ঞান আমাদের কিভাবে সাহায্য করে। কেন আমাদের স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের

ওপর লিখিত বিষয় পড়তে হবে? তোমার শিক্ষকের সঙ্গে আলোচনা কর।

উত্তরঃ আধুনিক গতিশীল সমাজে দ্রুত সামাজিক পরিবর্তন ও জীবনযাত্রার জটিলতার কারণে আমাদের কেন এই বিষয়টি পড়তে হবে, তার বিবরণ দেওয়া হলো:

মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের জ্ঞান আমাদের যেভাবে সাহায্য করে:

(i) মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব অনুধাবন: এটি আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রকৃত মূল্য এবং তা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা শেখায়।

(ii) নিজেকে সুস্থ রাখার কৌশল: এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তি নিজেকে দৈনন্দিন চাপ ও উদ্বেগ থেকে মুক্ত রাখার বাস্তব কৌশল অর্জন করতে পারেন।

কেন আমাদের স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের ওপর লিখিত বিষয় পড়তে হবে:

(i) মানসিক চাপ ও দ্বন্দ্ব মোকাবিলা: আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতির কারণে আমাদের জীবনযাত্রা অত্যন্ত জটিল ও আহ্বানময় হয়ে উঠছে, যা মানসিক চাপ, প্রাক্ষোভিক সমস্যা ও দ্বন্দ্ব বাড়িয়ে দিচ্ছে। মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান পড়ার মাধ্যমে আমরা এই জটিল পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়ার ক্ষমতা অর্জন করি।

(ii) মানসিক প্রতিরক্ষা কৌশলের ব্যবহার: এটি আমাদের মানসিক উদ্বেগ ও দ্বন্দ্বের তীব্রতা হ্রাস করতে বিভিন্ন প্রতিরক্ষা কৌশল যেমন— অবদমন উন্নীতকরণ, বিরেচন, যুক্তিগ্রাহ্য করা এবং পশ্চাদপসরণ ইত্যাদি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান দেয়, যা শান্তিপূর্ণ জীবনের জন্য আবশ্যক।

সক্রিয়তা ৫.৪

১। তুমি কি নিজেকে মানসিকভাবে স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি বলে মনে কর? যদি তাই হয়, তবে কেন?

যথাযথ মানসিক স্বাস্থ্যবিকাশে বিদ্যালয়ের ভূমিকা আলোচনা কর।

উত্তরঃ এখানে নিজের মানসিক স্বাস্থ্য যাচাইয়ের মানদণ্ড এবং শিক্ষার্থীদের সঠিক মানসিক বিকাশে বিদ্যালয়ের শিক্ষাগত দায়িত্ব আলোচনা করা হয়েছে।

হ্যাঁ, আমি নিজেকে মানসিকভাবে স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি বলে মনে করি, কারণ আমার মধ্যে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলি রয়েছে:

(i) সুন্দর অভিযোজন ক্ষমতা: আমি জীবনের যেকোনো সাধারণ বা কঠিন পরিস্থিতির সাথে কোনো বড় মানসিক সমস্যা ছাড়াই সহজে মানিয়ে নিতে পারি।

(ii) প্রাক্ষোভিক স্থিরতা: আবেগের বশে ভুল সিদ্ধান্ত না নিয়ে আমি যেকোনো পরিস্থিতিতে প্রাক্ষোভিকভাবে বা মানসিকভাবে স্থির থাকতে পারি।

(iii) দৈহিক ও মানসিক সুস্বাস্থ্য: আমি শারীরিকভাবে কর্মক্ষম এবং আমার ব্যক্তিত্বে কোনো মানসিক অসঙ্গতি বা রোগ নেই।

(iv) দৃঢ় ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাস: যেকোনো ব্যক্তিগত বা সামাজিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আমার দৃঢ় আত্মবিশ্বাস ও শক্তিশালী প্রেরণা রয়েছে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিদ্যালয়ের ভূমিকাসমূহ:

(i) সামগ্রিক বিকাশ: শিক্ষার্থীর সকল প্রকার সুপ্ত মানসিক, দৈহিক সক্ষমতা এবং গুণাবলীর পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটাতে বিদ্যালয় সাহায্য করে।

(ii) মূল্য স্বীকার: নীরোগ ও সুস্থ মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব ও তার অন্তর্নিহিত মূল্য শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরে।

(iii) রোগ সচেতনতা: শিক্ষার্থীদের মানসিক অসুস্থতা বা অস্বাভাবিক আচরণ সম্পর্কে সচেতন হতে এবং তা দূর করতে সাহায্য করে।

(iv) প্রাক্ষোভিক দৃঢ়তা: বিভিন্ন সহপাঠ্যক্রমিক কার্যাবলীর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক ও প্রাক্ষোভিক দিক থেকে দৃঢ়চেতা হতে সাহায্য করে।

(v) সঠিক উপযোজন: সমাজে ও পরিবেশের সাথে কীভাবে সঠিক উপায়ে অভিযোজন করতে হয়, বিদ্যালয় সেই পথ প্রদর্শন করে।

(vi) সুষম ব্যক্তিত্ব গঠন: প্রতিটি শিক্ষার্থীর মধ্যে একটি ভারসাম্যযুক্ত সুষম ব্যক্তিত্বের লালন নিশ্চিত করে।

প্রশ্নাবলী

১। মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান বলতে তুমি কি বোঝ?

উত্তরঃ মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান হলো সুস্থ-সবল জীবনযাত্রার বিজ্ঞান যা আমাদের শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের উপযোগী প্রধান বিষয়গুলি অধ্যয়ন করতে সাহায্য করে। এটি এমন একটি বিজ্ঞান যা মানসিক রোগ,ব্যক্তিত্বের বিশৃঙ্খলাময় বিকাশ এবং অন্যান্য অস্বাভাবিকতা নিরাময়ের জন্য চিকিৎসা ও প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করে এবং মানুষের কল্যাণ ও মানসিক সম্পর্কের উন্নতি বিধান করে।

২। হাইজিন শব্দটি একটি ________শব্দ।

উত্তরঃ গ্রীক।

৩। গ্রীক শব্দ হাইজিনের অর্থ কি?

উত্তরঃ গ্রীক শব্দ ‘হাইজিন’- এর অর্থ হলো রোগ বা অসুস্থতাকে প্রতিরোধ করার জন্য নিজেকে ও নিজের পরিবেশকে পরিষ্কার রাখা। আধুনিক প্রেক্ষাপটে এর অর্থ হলো ‘জীবনযাপনের শিল্প’ বা ‘an art of living’।

৪। হাইজিরা কে ছিলেন?

উত্তরঃ হাইজিয়া ছিলেন গ্রীক স্বাস্থ্যের দেবী।

৫। মানসিক স্বাস্থ্যের সংজ্ঞা দাও। মানসিক স্বাস্থ্যের চারটি উদ্দেশ্যাবলীর উল্লেখ কর।

উত্তরঃ মানসিক স্বাস্থ্য বলতে সহজ কথায় মানসিক রোগ বা আঘাত থেকে মুক্ত অবস্থাকে বোঝায়। মনোবিজ্ঞানী হিলগার্ডের মতে,মানসিক স্বাস্থ্য কেবল রোগের অনুপস্থিতিই নয়,বরং এটি ব্যক্তির অভিযোজন ক্ষমতা,উৎপাদনশীলতা এবং আগ্রহের একটি ইতিবাচক বহিঃপ্রকাশ।

মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের চারটি উদ্দেশ্য:

(i) মানসিক স্বাস্থ্য সংরক্ষণ করা এবং এর উন্নতি সাধন করা। 

(ii) জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতা এবং ব্যক্তিত্ব বিকাশের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তা বুঝতে সাহায্য করা। 

(iii) পরিবেশের সঙ্গে সার্থকভাবে অভিযোজন করার মাধ্যমে সুসংহত ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলা। 

(iv) বৈজ্ঞানিক কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তিদের সহায়তা প্রদান করা।

৬। হিপোক্রেটিস্ কে ছিলেন?

উত্তরঃ হিপোক্রেটিস ছিলেন একজন বিখ্যাত গ্রীক চিকিৎসক।

৭। মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের দুটি সংজ্ঞা দাও।”

উত্তরঃ মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের দুটি সংজ্ঞা:

(i) সিং- এর মতে, মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান হলো সেই বিজ্ঞান যা মানসিক রোগ,ব্যক্তিত্বের বিশৃঙ্খলাময় বিকাশ এবং অন্যান্য অস্বাভাবিকতা নিরাময়ের জন্য চিকিৎসা ও প্রতিরোধের ব্যবস্থা অধ্যয়ন করে এবং অভিযোজনের ভারসাম্য বজায় রাখার মাধ্যমে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটায়।

(ii) ক্রো এবং ক্রো -এর মতে, মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান একটি বিজ্ঞান যা মানুষের কল্যাণ সম্পর্কিত সক্রিয়তা নিয়ে নাড়াচাড়া করে এবং মানুষের সম্পর্কের সকল ক্ষেত্রকে পরিব্যাপ্ত করে।

৮। মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের দুটি উদ্দেশ্যের উল্লেখ কর।

উত্তরঃ মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের দুটি উদ্দেশ্যে:

(i) জীবনের অভিজ্ঞতা এবং ব্যক্তিত্ব বিকাশের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে,সে সম্পর্কে একটি সঠিক বোধগম্যতা বা ধারণা তৈরি করা।

(ii) ব্যক্তি এবং দলের মানসিক স্বাস্থ্যের সংরক্ষণ ও উন্নতি করা।

৯। মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান কি অধ্যায়ন করে?

উত্তরঃ মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান সুস্থ-সবল জীবনযাত্রার বিজ্ঞান হিসেবে মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান প্রধানত 

নিচের বিষয়গুলি অধ্যয়ন করে:

(i) মানসিক রোগের কারণসমূহ।

(ii) মানসিক রোগ প্রতিরোধের উপায় এবং তার প্রয়োগ পদ্ধতি।

(iii) সুস্থ জীবন অতিবাহিত করার উপায় বা জীবনযাপনের শিল্প।

(iv) সুষম জীবনযাত্রার জন্য মূল্যবোধের গুরুত্ব এবং এর অনুসরণ পদ্ধতি।

১০। মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের কার্য কি কি?

উত্তরঃ মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের কার্যগুলিকে তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়:

(i) প্রতিরোধ মূলক কার্য: এটি মানসিক অসুস্থতা, অভিযোজনের সমস্যা এবং ব্যক্তিত্বের গোলমাল প্রতিরোধে কাজ করে।

(ii) নিরাময়মূলক কার্য: এটি মানসিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন চিকিৎসা সংক্রান্ত কৌশল এবং উপায়ের ওপর জোর দেয়।

(iii) সংরক্ষণমূলক কার্য: এটি ব্যক্তি ও সমাজের কল্যাণের স্বার্থে মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব এবং তা সংরক্ষণের পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে জ্ঞান দান করে।

১১। মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের যে কোনো তিনটি লক্ষ্য উল্লেখ কর।

উত্তরঃ মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের তিনটি লক্ষ্য হলো:

(i) মানসিক স্বাস্থ্য সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া।

(ii) ব্যক্তিত্বের বিকাশের মাধ্যমে পরিবেশের সঙ্গে সঠিকভাবে অভিযোজিত হতে সাহায্য করা।

(iii) মানসিক ত্রুটি প্রতিরোধ করে একটি ভারসাম্যযুক্ত ও সুসংহত ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলা।

১২। মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের পরিধির ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের পরিধি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:

(i) মানসিক অসুস্থতা ও চিকিৎসা: মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের পরিধি মানসিক অসুস্থতার কারণসমূহ অনুসন্ধান করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধের উপায় এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যাবলি প্রদান করে।

(ii) ব্যক্তিত্বের বিকাশ: ব্যক্তির সুষম ব্যক্তিত্ব বিকাশের প্রক্রিয়া এবং মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বজায় রাখার কৌশলগুলো এই বিজ্ঞানের পরিধির অন্তর্ভুক্ত। এটি ব্যক্তিকে নিজের ব্যক্তিত্বের উন্নয়ন ও বিকাশের উপায় জানতে সাহায্য করে।

(iii) অভিযোজন কৌশল: মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অভিযোজনের বিভিন্ন কৌশল বা মানসিক প্রতিরক্ষা কৌশল নিয়ে আলোচনা করা। এই কৌশলগুলো মানসিক উদ্বেগ ও দ্বন্দ্বের তীব্রতা হ্রাস করে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। 

(iv) সামগ্রিক কল্যাণ: পরিশেষে বলা যায়, মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের পরিধি মূলত ব্যক্তি এবং তার মানসিক জীবনের প্রণালীবদ্ধ ও সুশৃঙ্খল বৃদ্ধির সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত। এটি শুধুমাত্র রোগ নিরাময় নয়,বরং একজন ব্যক্তিকে মানসিকভাবে সবল ও সমাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তোলার যাবতীয় ক্ষেত্রকে পরিব্যাপ্ত করে।

১৩। মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান আমাদের কিভাবে সাহায্য করে?

উত্তরঃ মানসিক স্বাস্থ্যবিজ্ঞান আমাদের জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাহায্য করে:

(i) মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব বুঝতে: এটি আমাদের জীবনের প্রতিটি স্তরে মানসিক স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করে।

(ii) সুস্থ থাকার কৌশল: নিজেকে মানসিকভাবে সুস্থ ও সবল রাখার বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক কৌশল সম্পর্কে জ্ঞান দান করে।

(iii)মানসিক অসুস্থতার কারণ ও নিরাময়: মানসিক রোগের কারণগুলো কী এবং কীভাবে মানসিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, সে সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেয়।

(iv) জীবনযাপনের শিল্প: এটি আমাদের শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের উপযোগী প্রধান বিষয়গুলি অধ্যয়ন করতে এবং ‘জীবনযাপনের শিল্প’ শিখতে সাহায্য করে।

(v) মূল্যবোধ গঠন: সুষম জীবনযাত্রার জন্য মূল্যবোধের গুরুত্ব এবং তা অনুসরণের পদ্ধতি শেখায়।

১৪। মানসিক ভাবে সুস্থ ব্যক্তি কে?

উত্তরঃ যিজন ব্যক্তিয়ে মানসিকভাৱে সুস্থ, তেওঁ নিজৰ চিন্তা-ভাৱনা আৰু আচৰণ নিয়ন্ত্ৰণ কৰিব পাৰে। তেওঁ জীৱনৰ বিভিন্ন সমস্যা আৰু পৰিস্থিতিৰ সৈতে সঠিকভাৱে খাপ খুৱাই চলিব পাৰে, আনৰ সৈতে সুসম্পৰ্ক বজাই ৰাখে আৰু নিজৰ কাম-কাজ স্বাভাৱিকভাৱে সম্পাদন কৰে। এনে ব্যক্তিক মানসিকভাৱে সুস্থ ব্যক্তি বুলি কোৱা হয়।

১৫। মানসিক ভাবে সুস্থ ব্যক্তির তিনটি বৈশিষ্ট্য লিখ।

উত্তরঃ মানসিক ভাবে সুস্থ ব্যক্তির তিনটি বৈশিষ্ট্য হলো:

(i) দৃঢ় ব্যক্তিত্ব: এই ধরনের ব্যক্তিদের ব্যক্তিত্ব অত্যন্ত মজবুত ও সুসংহত হয়।

(ii) প্রাক্ষোভিক স্থিরতা: তারা আবেগীয় বা প্রাক্ষোভিকভাবে স্থির থাকেন,অর্থাৎ হুটহাট মেজাজ হারান না বা ভেঙে পড়েন না। 

(iii) সফল অভিযোজন: তাদের জীবনযাপনে বা পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বড় ধরনের সমস্যা থাকে না।

১৬। যথার্থ মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশে গৃহের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ যথার্থ মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশে গৃহের ভূমিকা:

(i) চাহিদা পূরণ: শিশুর শারীরিক ও মানসিক চাহিদাগুলো সঠিক সময়ে পূরণ করা উচিত। চাহিদা অপূর্ণ থাকলে শিশুর মধ্যে হতাশা ও মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

(ii) সুসম্পর্ক বজায় রাখা: পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক অমায়িক ও বন্ধুত্বপূর্ণ হওয়া বাঞ্ছনীয়। এটি শিশুর মনে নিরাপত্তার বোধ তৈরি করে।

(iii) কঠোরতা পরিহার: সন্তানদের ওপর কঠোর কর্তৃত্বপরায়ণ মনোভাব বা অনমনীয় শৃঙ্খলা চাপিয়ে দেওয়া থেকে পিতামাতাকে বিরত থাকতে হবে।

(iv) ব্যক্তিগত বৈষম্যকে গুরুত্ব দেওয়া: একজনের সঙ্গে আর একজনের তুলনা না করে প্রতিটি শিশুর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও সামর্থ্যকে বিচার করা এবং শ্রদ্ধা করা উচিত।

(v) সুপরিকল্পিত জীবনযাত্রা: গৃহের কাজকর্ম সুপরিকল্পিত ও বাস্তবসম্মত হওয়া প্রয়োজন যাতে শিশু ভবিষ্যতে সমাজের একজন দায়িত্বশীল ও অবদানকারী সদস্য হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

১৭। মানসিক রোগ প্রতিরোধের জন্য বিদ্যালয়ের যে কোন পাঁচটি ভূমিকার উল্লেখ কর।

উত্তরঃ বিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য পাঁচটি ভূমিকা নিচে দেওয়া হলো:

(i) সক্ষমতা ও গুণের বিকাশ: বিদ্যালয় শিশুদের সকল প্রকার মানসিক ও শারীরিক সক্ষমতা এবং তাদের অন্তর্নিহিত গুণাবলির বিকাশে সরাসরি সহায়তা করে। 

(ii) মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা: এটি শিক্ষার্থীদের মাঝে রোগমুক্ত মানসিক স্বাস্থ্যের মূল্য ও গুরুত্ব স্বীকার করতে শেখায় এবং মানসিক রোগ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ধারণা প্রদান করে। 

(iii) প্রাক্ষোভিক দৃঢ়তা প্রদান: শিক্ষার্থীদের আবেগীয়ভাবে বা প্রাক্ষোভিক দিক থেকে দৃঢ়চেতা ও শক্তিশালী করে তুলতে বিদ্যালয় বিশেষ ভূমিকা পালন করে, যা তাদের মানসিক চাপ সহ্য করতে সাহায্য করে। 

(iv) অভিযোজন কৌশল শিক্ষা: বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সঠিক অভিযোজন বা পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন উপায় ও কৌশল সম্পর্কে জানতে ও শিখতে সাহায্য করে।

(v) সুষম ব্যক্তিত্ব গঠন: প্রতিটি ছাত্রের সুষম ও সুসংহত ব্যক্তিত্ব বিকাশে বিদ্যালয় নিয়মিত দিকনির্দেশনা ও সহায়তা প্রদান করে, যা মানসিক রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top