Class 11 Economics Important Chapter 8 সূচকাংক Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Economics Important Chapter 8 সূচকাংক Solutions and select need one. Class 11 Economics Important Part – 2 Bengali Medium Download PDF. Class 11 Economics Additional Question Answer in Bengali.
Class 11 Economics Important Chapter 8 সূচকাংক
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. AHSEC Class 11 Economics Part – 2 Additional Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given AHSEC Class 11 Economics Important Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
সূচকাংক
Chapter: 8
| PART – 2 |
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। সূচকাংক কাকে বলে?
উত্তরঃ সূচকাংক হলো এমন এক বিশেষ পরিসংখ্যানিক পরিমাপক বা পদ্ধতি যার সাহায্যে সম্পর্কযুক্ত চলকের দলের মধ্যে সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে গাণিতিক গড় পরিবর্তন পরিমাপ করা হয়।
২। প্রচলিতভাবে সূচকাংককে কীভাবে প্রকাশ করা হয়?
উত্তরঃ প্রচলিতভাবে সূচকাংককে সর্বদা শতকরা হারে বা শতাংশে (%) প্রকাশ করা হয়।
৩। ভিত্তি বছর বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ সূচকাংক প্রস্তুত করার সময় বর্তমান বা অন্য কোনো বছরের দাম বা পরিমাণের আপেক্ষিক পরিবর্তনের তুলনা অতীতে যে নির্দিষ্ট স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল বছরের সাপেক্ষে করা হয়, তাকে ভিত্তি বছর বলা হয়।
৪। ভিত্তি বছরের সূচকাংকের মান সাধারণত কত ধরা হয়?
উত্তরঃ ভিত্তি বছরের সূচকাংকের মান সর্বদা ১০০ ধরা হয়।
৫। পরিমাণ সূচকাংক দ্বারা কী পরিমাপ করা হয়?
উত্তরঃ পরিমাণ সূচকাংক দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট সময়ে উৎপাদিত বা ব্যবহৃত পণ্যের ভৌত পরিমাণ বা আয়তনের আপেক্ষিক পরিবর্তন পরিমাপ করা হয়।
৬। সূচকাংক প্রস্তুত করার প্রধান দুটি গাণিতিক পদ্ধতি কী কী?
উত্তরঃ সূচকাংক প্রস্তুত করার প্রধান দুটি গাণিতিক পদ্ধতি হলো সমষ্টি পদ্ধতি এবং গড় আপেক্ষিক পদ্ধতি।
৭। সরল সমষ্টি দাম সূচকাংক নির্ণয়ের সূত্রটি কী?
উত্তরঃ সরল সমষ্টি দাম সূচকাংক নির্ণয়ের গাণিতিক সূত্রটি হলো:
যেখানেবর্তমান বছরের দাম এবং
ভিত্তি বছরের দামকে নির্দেশ করে।
৮। দাম আপেক্ষিক কাকে বলে?
উত্তরঃ কোনো পণ্যের বর্তমান বছরের দাম এবং ভিত্তি বছরের দামের অনুপাতকে যখন শতকরা হারে বা শতাংশে প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে দাম আপেক্ষিক বলা হয়।
৯। লাসপেয়ারের দাম সূচকে ভার হিসেবে কোন বছরের পরিমাণকে ধরা হয়?
উত্তরঃ লাসপেয়ারের দাম সূচকে ভার হিসেবে ভিত্তি বছরের ব্যবহারের পরিমাণকে স্থির ধরা হয়।
১০। পাশের দাম সূচকে ভার হিসেবে কোন বছরের পরিমাণ ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ পাশের দাম সূচকে ভার হিসেবে বর্তমান বছরের ব্যবহারের পরিমাণকে ব্যবহার করা হয়।
১১। গ্রাহক দাম সূচকাংক-এর অপর নাম কী?
উত্তরঃ গ্রাহক দাম সূচকাংক (CPI)- এর অপর নাম হলো জীবন নির্বাহ সূচকাংক।
১২। ভারতে শিল্প শ্রমিকদের জীবন নির্বাহ সূচকাংক কোন সরকারি দপ্তর থেকে প্রকাশিত হয়?
উত্তরঃ ভারতের শিল্প শ্রমিকদের জীবন নির্বাহ সূচকাংকটি প্রতি মাসে নিয়মিতভাবে শিমলার লেবার ব্যুরো থেকে প্রকাশিত হয়।
১৩। শিল্প শ্রমিকদের জীবন নির্বাহ সূচকে কোন খাতের ব্যয়কে সবচেয়ে বেশি ভার দেওয়া হয়েছে?
উত্তরঃ শিল্প শ্রমিকদের জীবন নির্বাহ সূচকে জীবনযাত্রার অন্যান্য খাতের তুলনায় খাদ্য খাতের ব্যয়কে সবচেয়ে বেশি ভার দেওয়া হয়েছে, যা হলো প্রায় ৫৭.০০ শতাংশ।
১৪। ভারতের অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির হার পরিমাপ করার জন্য সাধারণত কোন সূচকটি ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ ভারতের অর্থনীতিতে সাপ্তাহিক বা মাসিক ভিত্তিতে মুদ্রাস্ফীতির হার পরিমাপ করার জন্য সাধারণত পাইকারী দাম সূচক ব্যবহার করা হয়।
১৫। বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ -এর বিখ্যাত শেয়ার সূচকটির নাম কী এবং এর ভিত্তি বছর কোনটি?
উত্তরঃ বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের বিখ্যাত শেয়ার সূচকটির নাম হলো ‘সেনসেক্স’এবং এর ভিত্তি বছর হলো।
দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।
১। সূচকাংক বা সূচক সংখ্যা প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়ের প্রতি বিশেষ সতর্কবার্তা এবং নজর রাখা উচিত?
উত্তরঃ সূচকাংক প্রস্তুত করার সময় প্রধান কয়েকটি বিষয়ের প্রতি বিশেষ নজর রাখা
প্রয়োজন:
(i) উদ্দেশ্য নির্ধারণ: সূচকাংক প্রস্তুত করার মূল উদ্দেশ্যটি সর্বদা স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট হতে হবে, কারণ এক ধরনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য তৈরি সূচকাংক অন্য উদ্দেশ্য সাধনে ব্যবহৃত হলে তা ভুল সিদ্ধান্ত দিতে পারে।
(ii) উপযুক্ত পণ্যের নির্বাচন: সূচকাংকে যে সকল পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হবে, তা সমীক্ষার গুরুত্ব অনুসারে নির্বাচন করা উচিত। যেমন— সাধারণ কৃষকের জীবনযাত্রার সূচক তৈরিতে পেট্রোলের দামের পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি না পড়লেও চাল-ডালের দামের প্রভাব অনেক বেশি থাকে।
(iii) ভিত্তি বছর নির্বাচন: সূচকাংকের ভিত্তি বছরটি অবশ্যই একটি স্বাভাবিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্থিতিশীল বছর হতে হবে। খুব অতীতের কোনো বছরের সাথে বর্তমান বছরের তুলনা করা যুক্তিযুক্ত নয়, কারণ দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে মানুষের ভোগ ও অভ্যাসের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে।
(iv) সদুপযুক্ত সূত্র ব্যবহার: সমীক্ষার প্রকৃতি এবং তথ্যের প্রাপ্যতা অনুসারে লাসপেয়ার, পাশে বা সরল সমষ্টির মতো সঠিক ও উপযুক্ত গাণিতিক সূত্র নির্বাচন করতে হবে।
২। লাসপেয়ারের দাম সূচক এবং পাশের দাম সূচকের মধ্যে গাণিতিক ধারণাসহ প্রধান পার্থক্যগুলো উদাহরণ সহকারে আলোচনা করো।
উত্তরঃ লাসপেয়ারের দাম সূচক এবং পাশের দাম সূচকের প্রধান পার্থক্যগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
(i) ভার হিসেবে পরিমাণ নির্ধারণ: লাসপেয়ারের দাম সূচকে ভার হিসেবে ভিত্তি বছরের ব্যবহারের পরিমাণকেস্থির ধরে সূচকাংক পরিমাপ করা হয়। অপরদিকে,পাশের দাম সূচকে ভার হিসেবে বর্তমান বছরের ব্যবহারের পরিমাণকে
ব্যবহার করা হয়।
(ii) জীবনযাত্রার অভ্যাসের প্রতিফলন: লাসপেয়ারের সূচকে ভিত্তি বছরের ভোগ স্থির ধরা হয় বলে সময়ের সাথে মানুষের অভ্যাসের বা ভোগের পরিবর্তন প্রতিফলিত হয় না। পাশের সূচকে বর্তমান বছরের ব্যবহারের পরিমাণ বিবেচনা করায় এটি বর্তমান জীবনযাত্রার পরিবর্তনকে বেশি নিখুঁতভাবে তুলে ধরে।
(iii) তথ্য সংগ্রহের সরলতা ও ব্যয়: লাসপেয়ারের সূচক প্রস্তুত করা তুলনামূলক সহজ ও কম ব্যয়বহুল, কারণ এতে প্রতি বছর ভোগের নতুন তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু পাশের সূচকে প্রতি বছর বর্তমান বছরের ব্যবহারের পরিমাণ সংগ্রহ করতে হয়, যা অত্যন্ত জটিল ও ব্যয়বহুল।
(iv) গাণিতিক সূত্র:
লাসপেয়ারের দাম সূচকের সূত্রটি হলো:
পাশের দাম সূচকের সূত্রটি হলো:
৩। গ্রাহক দাম সূচক বলতে কী বোঝায়? ভারতে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার গ্রাহক দাম সূচকের প্রকারভেদ এবং অর্থনীতিতে এর ব্যবহার ও গুরুত্ব বিস্তারিত বর্ণনা করো।
উত্তরঃ গ্রাহক দাম সূচক হলো এমন একটি পরিসংখ্যানিক পরিমাপক যার সাহায্যে খুচরা বাজারে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের গড় পরিবর্তন পরিমাপ করা হয় এবং একে জীবন নির্বাহ সূচকাংকও বলা হয়।
ভারতে মূলত তিন প্রকার গ্রাহক দাম সূচক নিয়মিত প্রকাশিত হয়:
(i) শিল্প শ্রমিকদের গ্রাহক দাম সূচক: শিল্প ক্ষেত্রে কর্মরত শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় পরিবর্তনের পরিমাপের জন্য এটি ব্যবহৃত হয়, যার ভিত্তি বছর ১৯৮২ ধরা হয়।
(ii) শহুরে অ-শারীরিক বা মানসিক কর্মীদের গ্রাহক দাম সূচক: শহরের অ-শারীরিক বা মানসিক শ্রমজীবী কর্মীদের দামের পরিবর্তন পরিমাপের জন্য এটি সেন্ট্রাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল অর্গানাইজেশন কর্তৃক প্রকাশিত হয়, যার ভিত্তি বছর ১৯৮৪-৮৫
(iii) কৃষি শ্রমিকদের গ্রাহক দাম সূচক: কৃষিক্ষেত্রে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য এই সূচকটি ১৯৮৬-৮৭ ভিত্তি বছরের ওপর তৈরি করা হয়।
গুরুত্ব: দেশের বিভিন্ন আয়ের মানুষের জন্য আলাদা আলাদা গ্রাহক দাম সূচক নির্ণয় করা আবশ্যক হয়, কারণ সবার ভোগের ধরন এক নয়। এই সূচকগুলোর ওপর ভিত্তি করে সরকার দেশের মহার্ঘ ভাতা কর্মীদের বেতন কাঠামো,বোনাস এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক নীতি নির্ধারণ করে থাকে।
৪। পাইকারী দাম সূচক এবং শিল্পজাত উৎপাদন সূচক বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ পাইকারী দাম সূচক এবং শিল্পজাত উৎপাদন সূচক এর বিস্তারিত রূপ নিম্নরূপ:পাইকারী দাম সূচক:
(i) পাইকারী দাম সূচক দ্বারা দেশের পাইকারী বাজারে পণ্যসমূহের দামের গড় পরিবর্তন পরিমাপ করা হয়।
(ii) এটি সরাসরি সাধারণ খুচরা গ্রাহকদের ওপর বা খুচরা বাজারের ওপর নির্ভর করে না।
(iii) ভারতের অর্থনীতিতে সাপ্তাহিক বা মাসিক ভিত্তিতে এই পাইকারী দাম সূচকের পরিবর্তন পরিমাপ করে দেশের মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করা হয়।
শিল্পজাত উৎপাদন সূচক:
(i) শিল্পজাত উৎপাদন সূচক দ্বারা শিল্প ক্ষেত্রে উৎপাদনের পরিবর্তন পরিমাপ করা হয়।
(ii) এই সূচকে দেশের সরকারি এবং বেসরকারি উভয় উৎপাদন খাতের তথ্যই অন্তর্ভুক্ত থাকে।
(iii) ভারতের অর্থনীতিতে ১৯৯৩-৯৪ কে ভিত্তি বছর ধরে প্রতি মাসে এই সূচকটি প্রকাশিত হয়, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার মূল্যায়নে সাহায্য করে।
৫। দেশের অর্থনীতিতে টাকার প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা এবং প্রকৃত মজুরি নির্ধারণে সূচকাংকের ভূমিকা বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তরঃ দেশের অর্থনীতিতে টাকার প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা এবং প্রকৃত মজুরি নির্ধারণে সূচকাংকের ভূমিকা ও সাধারণ ধারণা:
(i) দেশের অর্থনীতিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান: মুদ্রার প্রকৃত মূল্য মূল্যায়নের জন্য গ্রাহক দাম সূচক (CPI) বা জীবন নির্বাহ সূচকাংক একটি অত্যন্ত শক্তিশালী পরিসংখ্যানিক পরিমাপক। আর্থিক আয় বা টাকার অংক অপরিবর্তিত থাকলেও সময়ের সাথে সাথে দামস্তরের পরিবর্তনের কারণে টাকার প্রকৃত মূল্য ও মানুষের প্রকৃত আয় পরিবর্তিত হয়। সূচকাংকের সাহায্যে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই দুটি বিষয়— অর্থাৎ টাকার প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা এবং শ্রমিকের প্রকৃত মজুরি নির্ধারণ করা সম্ভব হয়।
(ii) টাকার প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা নির্ধারণে ভূমিকা: টাকার ক্রয়ক্ষমতা বলতে বোঝায় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ মুদ্রা বা টাকা দিয়ে কী পরিমাণ পণ্য বা সেবা ক্রয় করা সম্ভব। মুদ্রাস্ফীতির কারণে যখন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায়, তখন টাকার প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা বা মূল্য হ্রাস পায়।পরিসংখ্যানে টাকার ক্রয়ক্ষমতা পরিমাপের জন্য জীবন নির্বাহ সূচকাংককে ব্যবহার করা হয়।
টাকার ক্রয়ক্ষমতা নির্ণয়ের গাণিতিক সূত্রটি হলো:
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

