Class 11 Economics Important Chapter 9 পরিসংখ্যক পরিমাপের ব্যবহার Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Economics Important Chapter 9 পরিসংখ্যক পরিমাপের ব্যবহার Solutions and select need one. Class 11 Economics Important Part – 2 Bengali Medium Download PDF. Class 11 Economics Additional Question Answer in Bengali.
Class 11 Economics Important Chapter 9 পরিসংখ্যক পরিমাপের ব্যবহার
Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. AHSEC Class 11 Economics Part – 2 Additional Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given AHSEC Class 11 Economics Important Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.
পরিসংখ্যক পরিমাপের ব্যবহার
Chapter: 9
| PART – 2 |
| অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর |
১। একটি পরিসংখ্যানিক প্রকল্প বা প্রজেক্ট তৈরির প্রথম পদক্ষেপটি কী?
উত্তর একটি পরিসংখ্যানিক প্রকল্প তৈরির প্রথম পদক্ষেপটি হলো প্রকল্পের বিষয় বা ক্ষেত্র নির্ধারণ করা এবং সমীক্ষার উদ্দেশ্যটি সুনির্দিষ্ট করা।
২। প্রকল্প তৈরির ক্ষেত্রে সমষ্টি চিহ্নিতকরণ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর প্রকল্প তৈরির সময় সমষ্টি চিহ্নিতকরণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ কারণ এর মাধ্যমেই নির্ধারিত হয় সমীক্ষায় কাদের প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হবে।
৩। যদি প্রকল্পের বিষয় হালকা যান বা গাড়ি হয়, তবে কোন শ্রেণিকে সমষ্টি হিসেবে নির্বাচন করা উচিত?
উত্তর হালকা যানের ওপর সমীক্ষা করতে চাইলে সমাজের উচ্চবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে সমষ্টি বা টার্গেট গ্রুপ হিসেবে নির্বাচন করা উচিত।
৪। গায়ে মাখার সাবানের ওপর সমীক্ষা করতে চাইলে প্রকল্পের সমষ্টি কারা হবে?
উত্তর গায়ে মাখার সাবানের ওপর সমীক্ষা করতে চাইলে গ্রাম এবং শহরের সাধারণ ক্রেতারা সমষ্টি হিসেবে চিহ্নিত হবে।
৫। নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবহার সংক্রান্ত প্রকল্পে সমষ্টি কারা হবে?
উত্তর নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবহার সংক্রান্ত সমীক্ষায় গ্রাম এবং শহরের সাধারণ জনগণ প্রকল্পের মূল সমষ্টি হবে।
৬। সমীক্ষার ক্ষেত্রে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের একটি অন্যতম প্রধান হাতিয়ার কী?
উত্তর সমীক্ষার ক্ষেত্রে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের একটি অন্যতম প্রধান ও নির্ভরযোগ্য হাতিয়ার হলো সুনির্দিষ্ট প্রশ্নাবলী প্রস্তুত করা।
৭। প্রশ্নাবলী প্রেরণের বা সমীক্ষার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের বিভিন্ন উপায়গুলো কী কী?
উত্তর প্রশ্নাবলী প্রেরণের বা তথ্য সংগ্রহের বিভিন্ন উপায়গুলো হলো ডাকযোগ, দূরভাষ বা টেলিফোন, সরাসরি সাক্ষাৎকার এবং ই-মেইলের মতো বৈদুতিক মাধ্যম।
৮। ডাকযোগে প্রশ্নাবলী পাঠানোর সময় তার সাথে কী পাঠানো আবশ্যক?
উত্তর ডাকযোগে প্রশ্নাবলী পাঠানোর সময় তার সাথে অনুসন্ধানের বিস্তারিত বিবরণ সম্বলিত একটি মুখপত্র বা পরিচিতি পত্র পাঠানো আবশ্যক।
৯। প্রকল্পে গৌণ তথ্য বা মাধ্যমিক উৎস থেকে কখন তথ্য সংগ্রহ করা সুবিধাজনক?
উত্তর যখন নতুন প্রকল্পে সময়, অর্থ এবং লোকবলের সীমাবদ্ধতা বা স্বল্পতা থাকে তখন গৌণ বা মাধ্যমিক উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা সুবিধাজনক।
১০। তথ্য সংগ্রহের পর তথ্যের প্রক্রিয়াকরণ ও প্রদর্শনের জন্য সাধারণত কী ব্যবহার করা হয়?
উত্তর সংগৃহীত তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও প্রদর্শনের জন্য প্রধানত সারণীভুক্তকরণ, দণ্ডচিত্র, পাইচিত্র বা বৃত্তচিত্র ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
১১। প্রকল্পের তথ্য বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সাধারণত কোন কোন পরিসংখ্যানিক পরিমাপক প্রয়োগ করা হয়?
উত্তর প্রকল্পের সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণের জন্য সাধারণত গড় বা গাণিতিক গড়, আদর্শ বিচ্যুতি এবং সহসম্বন্ধের মতো পরিসংখ্যানিক পরিমাপক প্রয়োগ করা হয়।
১২। প্রকল্পের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে ‘উপসংহার’ ধাপে কী আলোচনা করা হয়?
উত্তর উপসংহার ধাপে সংগৃহীত তথ্যের বিশ্লেষণের পর প্রকল্পের মূল প্রাপ্তি, উন্নয়নমূলক রূপরেখা এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ লিপিবদ্ধ করা হয়।
১৩। গ্রন্থ বিবরণী ধাপে কী করতে হয়?
উত্তর গ্রন্থ বিবরণী ধাপে প্রকল্পে ব্যবহৃত সমস্ত গৌণ বা মাধ্যমিক তথ্যের উৎস যেমন ম্যাগাজিন, সংবাদপত্র ও গবেষণাপত্র ইত্যাদির বিবরণ বিশদভাবে লিপিবদ্ধ করতে হয়।
১৪। পরিসংখ্যানিক পরিমাপের ব্যবহার সংক্রান্ত প্রকল্প তৈরির মূল উদ্দেশ্য কী?
উত্তর প্রকল্প তৈরির মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো বাস্তব অর্থনৈতিক সমস্যাকে পরিসংখ্যানিক পরিমাপকের সাহায্যে বিশ্লেষণ করে তার সমাধান খোঁজা বা সঠিক ব্যাখ্যা দেওয়া।
১৫। প্রকল্পের তথ্যের প্রক্রিয়াকরণ ধাপে সারণী তৈরি করার প্রয়োজনীয়তা কী?
উত্তর সারণী তৈরি করার মাধ্যমে বিশৃঙ্খল ও বিশাল তথ্যরাশিকে সহজে বোধগম্য ও সুশৃঙ্খল আকারে সাজানো যায়, যা পরবর্তী গাণিতিক বিশ্লেষণে সাহায্য করে।
দীর্ঘ প্রশ্ন ও উত্তর।
১। একটি পরিসংখ্যানিক প্রজেক্ট বা প্রকল্প তৈরির প্রধান প্রধান ধাপসমূহ বিস্তারিত আলোচনা করো।
উত্তর একটি আদর্শ পরিসংখ্যানিক প্রকল্প বা প্রজেক্ট তৈরির প্রধান ধাপগুলো নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:
(i) বিষয় ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ: প্রকল্পের শুরুতে গবেষণার ক্ষেত্র বা বিষয় (যেমন: কোনো পণ্যের ব্যবহার বা সামাজিক সমস্যা) এবং সমীক্ষার উদ্দেশ্য পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করতে হবে।
(ii) সমষ্টি ও প্রতিদর্শ চিহ্নিতকরণ: সমীক্ষার বিষয় অনুযায়ী সঠিক লক্ষ্যণীয় জনগোষ্ঠী বা সমষ্টি এবং সেখান থেকে উপযুক্ত নমুনা বা প্রতিদর্শ সাবধানে নির্বাচন করতে হবে।
(iii) তথ্য সংগ্রহ: সমীক্ষার প্রকৃতি অনুসারে প্রশ্নাবলী বা সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রাথমিক তথ্য অথবা বিশ্বস্ত প্রকাশিত-অপ্রকাশিত উৎস থেকে গৌণ তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।
(iv) তথ্যের প্রক্রিয়াকরণ ও প্রদর্শন: সংগৃহীত তথ্যকে সাজিয়ে সারণীভুক্ত করতে হবে এবং দণ্ডচিত্র বা পাইচিত্রের মাধ্যমে তা উপস্থাপন করতে হবে।
২। সমষ্টি চিহ্নিতকরণ এবং তথ্য সংগ্রহ কীভাবে একটি প্রকল্পের সাফল্য নির্ধারণ করে? আলোচনা করো।
উত্তর সমষ্টি চিহ্নিতকরণ এবং তথ্য সংগ্রহ একটি পরিসংখ্যানিক প্রকল্পের সাফল্যের মূল ভিত্তি:
সমষ্টি চিহ্নিতকরণ: প্রকল্প তৈরির প্রথম এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো সঠিক সমষ্টি বা লক্ষ্যণীয় জনগোষ্ঠী নির্বাচন করা। উদাহরণস্বরূপ, যদি প্রকল্পের বিষয় হালকা যান বা গাড়ি হয়, তবে উচ্চ ও মধ্যবিত্ত পরিবারকে সমষ্টি হিসেবে বেছে নিতে হবে। যদি গায়ে মাখার সাবান বিষয় হয়, তবে গ্রাম ও শহরের সাধারণ ক্রেতাদের সমষ্টি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। সঠিক সমষ্টি নির্বাচন না করলে সমীক্ষা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল বা উপাত্ত প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হয়।
তথ্য সংগ্রহ: উদ্দেশ্য অনুযায়ী উপযুক্ত পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন। প্রাথমিক তথ্যের জন্য প্রশ্নাবলী ডাকযোগে, সরাসরি সাক্ষাৎকারে বা ই-মেইলের মাধ্যমে পূরণ করা যায়। তথ্যের উৎস যদি নির্ভুল ও নির্ভরযোগ্য না হয়, তবে সম্পূর্ণ প্রকল্পের বিশ্লেষণ এবং এর ওপর ভিত্তি করে টানা উপসংহারটি ভুল প্রমাণিত হবে। সুতরাং, সমষ্টি চিহ্নিতকরণ ও তথ্য সংগ্রহ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সম্পন্ন করলে প্রকল্পের সামগ্রিক সাফল্য ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত হয়।
৩। প্রকল্পের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, প্রদর্শন ও বিশ্লেষণ বলতে কী বোঝায়? এই ধাপে কোন কোন পরিসংখ্যানিক হাতিয়ার ব্যবহার করা হয়?
উত্তর সংগৃহীত প্রাথমিক তথ্যগুলো অত্যন্ত বিশৃঙ্খল অবস্থায় থাকে। তাই প্রকল্পে সুনির্দিষ্ট রূপ দিতে তথ্যের সুসংগঠন, প্রদর্শন এবং বিশ্লেষণ অত্যন্ত জরুরি:
(i) তথ্যের প্রক্রিয়াকরণ ও প্রদর্শন: সংগৃহীত বিশাল তথ্যরাশিকে সহজে বোঝার সুবিধার্থে সারণীবদ্ধ বা তালিকাভুক্ত করতে হয়। তথ্যকে আরও আকর্ষণীয় ও তাৎক্ষণিকভাবে বোধগম্য করার জন্য বিভিন্ন প্রকারের লৈখিক চিত্র যেমন দণ্ডচিত্র পাইচিত্র বা বৃত্তচিত্রের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়।
(ii) তথ্য বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা: কেবল প্রদর্শনই যথেষ্ট নয়,তথ্য থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য গাণিতিক বিশ্লেষণ প্রয়োজন। এই ধাপে তথ্যের চরিত্র উন্মোচনের জন্য গড় মধ্যমা আদর্শ বিচ্যুতি এবং চলকগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক নির্ণয় করতে সহসম্বন্ধের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যানিক পরিমাপক বা হাতিয়ার প্রয়োগ করা হয়।এর সাহায্যে সংগৃহীত তথ্যের প্রকৃত বৈশিষ্ট্য গাণিতিক আকারে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
৪। প্রকল্পের উপসংহার এবং গ্রন্থ বিবরণী ধাপ দুটির প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব আলোচনা করো।
উত্তর প্রকল্পের শেষ দুটি অপরিহার্য ধাপ হলো উপসংহার ও গ্রন্থ বিবরণী, যা প্রকল্পের বিশ্বাসযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা অনেকাংশে বৃদ্ধি করে:
উপসংহার: সংগৃহীত তথ্যের সঠিক প্রক্রিয়াকরণ, প্রদর্শন ও গাণিতিক বিশ্লেষণের পর প্রকল্পের মাধ্যমে যে মূল ফলাফল বা সত্য উন্মোচতি হলো,তা এই ধাপে অর্থপূর্ণ ভাষায় বর্ণনা করা হয়। যদি কোনো সামাজিক বা অর্থনৈতিক বিষয়ে সমীক্ষা হয় তবে প্রাপ্ত ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ বা ভবিষ্যৎ উন্নয়নমূলক দূরদৃষ্টির প্রস্তাবও এই ধাপে তুলে ধরা হয়।
গ্রন্থ বিবরণী: প্রকল্পে নিজস্ব সমীক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকারের গৌণ বা মাধ্যমিক তথ্যের ব্যবহার করা হয়। এই তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণ করার জন্য প্রকল্পের শেষে ব্যবহৃত সমস্ত মাধ্যমিক উৎসের বিবরণ (যেমন: ম্যাগাজিন,দৈনিক সংবাদপত্র,সরকারি গেজেট বা পূর্ববর্তী গবেষণাপত্র) বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হয়। গ্রন্থ বিবরণী বাদ দিলে প্রকল্পটির সত্যতা ও নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ণ হয়।
৫। ভারতে ব্যবহৃত বা নিয়মিত প্রকাশিত বিভিন্ন প্রকারের মাধ্যমিক তথা গৌণ তথ্যের পরিসংখ্যানিক উৎসগুলোর বর্ণনা দাও।
উত্তর একটি পরিসংখ্যানিক প্রকল্পে গৌণ বা মাধ্যমিক তথ্যের উৎস হিসেবে ভারতের সরকারি ও স্বনামধন্য বিভিন্ন প্রকাশনার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
ভারতের প্রধান প্রধান পরিসংখ্যানিক প্রকাশনা ও উৎসগুলো নিম্নরূপ:
গ্রাহক দাম সূচক এবং পাইকারী দাম সূচক: ভারত সরকারের বাৎসরিক প্রকাশনাগুলোর মধ্যে সাপ্তাহিক বা মাসিক ভিত্তিতে প্রকাশিত পাইকারী দাম সূচক এবং খুচরা বাজারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি গ্রাহক দাম সূচক অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য গৌণ তথ্যের উৎস। শিল্প ও কৃষি উৎপাদন সূচক: ভারতের শিল্প ক্ষেত্রের প্রবৃদ্ধি পর্যালোচনার জন্য ‘শিল্পজাত উৎপাদন সূচক’ এবং কৃষিক্ষেত্রের অগ্রগতির জন্য ‘কৃষিজাত উৎপাদন সূচক’ অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য মাধ্যমিক উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা: ভারত সরকার প্রতি বছর দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির গতিপ্রকৃতি মূল্যায়নের জন্য অর্থনৈতিক সমীক্ষা প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে প্রকাশ করে, যা বিভিন্ন প্রকল্পের অন্যতম নির্ভরযোগ্য প্রধান মাধ্যমিক উৎস।
Subject Ka Complete Video Solution Dekhein
Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

