Class 11 Economics Important Chapter 2 তথ্য সংগ্রহ

Class 11 Economics Important Chapter 2 তথ্য সংগ্রহ Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Economics Important Chapter 2 তথ্য সংগ্রহ Solutions and select need one. Class 11 Economics Important Part – 2 Bengali Medium Download PDF. Class 11 Economics Additional Question Answer in Bengali.

Class 11 Economics Important Chapter 2 তথ্য সংগ্রহ

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. AHSEC Class 11 Economics Part – 2 Additional Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given AHSEC Class 11 Economics Important Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 2

PART – 2
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। অর্থনীতিতে ব্যবহৃত তথ্যের প্রধান দুটি উৎস কী কী?

উত্তরঃ অর্থনীতিতে ব্যবহৃত তথ্যের প্রধান দুটি উৎস হলো প্রাথমিক উৎস এবং গৌণ উৎস।

২। প্রাথমিক তথ্য কাকে বলে?

উত্তরঃ গণনাকারী বা অনুসন্ধানকারী যখন সরাসরি মূল উৎস থেকে প্রথমবারের জন্য নতুন তথ্য সংগ্রহ করেন, তখন তাকে প্রাথমিক তথ্য বলা হয়।

৩। গৌণ তথ্য বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যখন অন্য কারো দ্বারা পূর্বে সংগৃহীত এবং প্রক্রিয়াজাতকৃত তথ্য নিজেদের কাজে ব্যবহার করে, তখন তাকে গৌণ তথ্য বলা হয়।

৪। গৌণ তথ্যের দুটি সাধারণ উৎসের উদাহরণ দাও?

উত্তরঃ গৌণ তথ্যের দুটি সাধারণ উৎস হলো সরকারি বার্ষিক রিপোর্ট এবং নির্ভরযোগ্য সংবাদপত্র বা ওয়েবসাইট।

৫। সমীক্ষা কাকে বলে?

উত্তরঃ ব্যক্তির কাছ থেকে নির্দিষ্ট প্রশ্নাবলীর মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে তথ্য সংগ্রহ করার পদ্ধতিকে সমীক্ষা বলা হয়।

৬। প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের তিনটি মৌলিক পদ্ধতি কী কী?

উত্তরঃ প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের তিনটি মৌলিক পদ্ধতি হলো ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার, ডাকযোগে সমীক্ষা এবং টেলিফোন বা দূরভাষ সাক্ষাৎকার।

৭। ডাকযোগে সমীক্ষা পদ্ধতির প্রধান সুবিধা কী?

উত্তরঃ এই পদ্ধতিতে খরচ অনেক কম হয় এবং গণনাকারী খুব সহজেই দেশের অত্যন্ত প্রত্যন্ত অঞ্চলের উত্তরদাতার কাছে পৌঁছাতে পারেন।

৮। ডাকযোগে সমীক্ষা পদ্ধতির একটি প্রধান অসুবিধা উল্লেখ করো।

উত্তরঃ এই পদ্ধতির প্রধান অসুবিধা হলো উত্তরদাতাদের কাছ থেকে অনেক সময় সম্পূর্ণ পূরণ করা প্রশ্নাবলী ফেরত পাওয়া যায় না এবং তথ্যের ভুল ব্যাখ্যার সম্ভাবনা থাকে।

৯। প্রাক-সমীক্ষা বা পাইলট সমীক্ষা কাকে বলে?

উত্তরঃ মূল সমীক্ষা শুরু করার আগে প্রশ্নাবলীর কার্যকারিতা এবং উত্তরদাতাদের সম্ভাব্য অসুবিধা পরীক্ষা করার জন্য একটি ছোট দলের ওপর যে পরীক্ষামূলক সমীক্ষা চালানো হয়, তাকে প্রাক-সমীক্ষা বা পাইলট সমীক্ষা বলে।

১০। সমগ্রক বা পূর্ণগণনা পদ্ধতি বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ যে সমীক্ষা পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট এলাকার বা লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীর প্রতিটি একক বা পরিবারের কাছ থেকে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হয়, তাকে সমগ্রক বা পূর্ণগণনা পদ্ধতি বলা হয়।

১১। নমুনা বা প্রতিদর্শ সমীক্ষা কী?

উত্তরঃ সমগ্র জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে প্রতিনিধিত্বমূলক একটি ছোট অংশ বা দল বেছে নিয়ে যখন সমীক্ষা চালানো হয়, তখন তাকে নমুনা বা প্রতিদর্শ সমীক্ষা বলা হয়।

১২। যদৃচ্ছ প্রতিচয়ন কী?

উত্তরঃ এটি এমন একটি নমুনা নির্বাচন পদ্ধতি যেখানে সমগ্র জনগোষ্ঠীর প্রতিটি এককের নমুনার অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সমান সম্ভাবনা বা সুযোগ থাকে।

১৩। লটারি পদ্ধতিকোন প্রতিচয়ন পদ্ধ তির অন্তর্গত?

উত্তরঃ লটারি পদ্ধতি মূলত যদৃচ্ছ প্রতিচয়ন পদ্ধতির অন্তর্গত।

১৪। অপ্রাতিচয়নিক ত্রুটি বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ নমুনা নির্বাচন ছাড়া সমীক্ষার অন্যান্য ধাপে অসাবধানতা,ভুল উত্তর বা উত্তর না দেওয়ার কারণে যে ত্রুটির সৃষ্টি হয়, তাকে অপ্রাতিচয়নিক ত্রুটি বলে।

১৫। ভারতের জাতীয় স্তরে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশের দায়িত্বে থাকা একটি অন্যতম প্রধান সংস্থার নাম লেখো।

উত্তরঃ ভারতের জাতীয় স্তরে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশের দায়িত্বে থাকা একটি অন্যতম প্রধান সংস্থা হলো রাষ্ট্রীয় নমুনা সমীক্ষা সংগঠন।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার পদ্ধতির সুবিধা এবং অসুবিধাসমূহ ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার পদ্ধতির সুবিধা এবং অসুবিধাসমূহ হলো:

সুবিধাসমূহ:

(i) ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও নির্ভরযোগ্যতা: গণনাকারী এবং উত্তরদাতার মধ্যে একটি সরাসরি ব্যক্তিগত সম্পর্ক তৈরি হয়, যার ফলে উত্তরদাতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সঠিক তথ্য দেন। 

(ii) অস্পষ্টতা দূরীকরণ: কোনো প্রশ্ন উত্তরদাতার কাছে কঠিন বা অস্পষ্ট মনে হলে গণনাকারী তা সহজে বুঝিয়ে বলতে পারেন। 

(iii) অতিরিক্ত তথ্য লাভ: উত্তরদাতার প্রতিক্রিয়া এবং শারীরিক অভিব্যক্তি দেখে গণনাকারী অনেক সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।

অসুবিধাসমূহ: 

(i) উচ্চ ব্যয় ও সময়সাপেক্ষ: এই পদ্ধতিতে সমগ্র এলাকায় ঘুরে সাক্ষাৎকার নিতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয় এবং অনেক বেশি সময় লাগে। 

(ii) পক্ষপাতিত্বের সুযোগ: গণনাকারীর উপস্থিতির কারণে উত্তরদাতার নিজস্ব মতামত प्रभावित হতে পারে এবং এতে গণনাকারীর ব্যক্তিগত পক্ষপাতের সুযোগ থাকে।

২। অপ্রাতিচয়নিক বা নমুনা বহির্ভূত ত্রুটি বলতে কী বোঝায়? এর বিভিন্ন প্রকারসমূহ সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তরঃ সমীক্ষা পরিচালনার সময় নমুনা নির্বাচন ছাড়া অন্যান্য ধাপে অসাবধানতা বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে যে ভুলভ্রান্তি হয়, তাকে অপ্রাতিচয়নিক বা নমুনা বহির্ভূত ত্রুটি বলে। 

এটি মূলত কয়েক প্রকারের হয়ে থাকে:

(i) তথ্য অর্জনের ত্রুটি: গণনাকারী বা উত্তরদাতার অসাবধানতার কারণে ভুল উত্তর নথিভুক্ত করা হলে এই ত্রুটির সৃষ্টি হয়। যেমন— গণনাকারী ভুলে আয়ের অঙ্কে ৩১ লেখার পরিবর্তে ১৩ লিখলে এই ত্রুটি ঘটে।

(ii) উত্তর না দেওয়ার ত্রুটি: উত্তরদাতার সাথে যোগাযোগ করতে অসমর্থ হলে বা উত্তরদাতা উত্তর দিতে অস্বীকার করলে তথ্যের যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়, তাকে উত্তর না দেওয়ার ত্রুটি বলে।

(iii) প্রতিচয়ন পক্ষপাতিত্ব: নমুনা নির্বাচনের পরিকল্পনাটি যদি এমন হয় কি লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীর কিছু নির্দিষ্ট অংশের নমুনার অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকে না, তখন প্রতিচয়ন পক্ষপাতিত্বের ত্রুটি তৈরি হয়।

৩। প্রাথমিক তথ্য এবং গৌণ তথ্যের মধ্যে প্রধান পার্থক্যসমূহ বিস্তারিতভাবে আলোচনা করো।

উত্তরঃ প্রাথমিক তথ্য এবং গৌণ তথ্যের মধ্যে প্রধান পার্থক্যসমূহ নিচে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো: 

                প্রাথমিক তথ্য।                  গৌণ তথ্য।
গণনাকারী বা অনুসন্ধানকারী যখন সরাসরি মূল উৎস থেকে প্রথমবারের জন্য নতুন তথ্য সংগ্রহ করেন, তখন তাকে প্রাথমিক তথ্য বলা হয়।কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যখন অন্য কারো দ্বারা পূর্বে সংগৃহীত এবং প্রক্রিয়াজাতকৃত তথ্য নিজেদের কাজে ব্যবহার করে,তখন তাকে গৌণ তথ্য বলা হয়।
এটি সম্পূর্ণ মৌলিক এবং তথ্যের প্রাথমিক রূপ বা কাঁচামাল হিসেবে কাজ করে।এটি মৌলিক তথ্য নয়, এটি মূলত পূর্বের প্রাথমিক তথ্যেরই একটি পরিবর্তিত বা প্রক্রিয়াজাত রূপ।
সরাসরি উত্তরদাতার কাছ থেকে ব্যক্তিগত সাক্ষাৎকার, ডাকযোগে সমীক্ষা বা দূরভাষ সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়।সরকারি বার্ষিক রিপোর্ট, দলিল, নির্ভরযোগ্য সংবাদপত্র,অর্থনীতিবিদদের লেখা বই বা ইন্টারনেট থেকে পরোক্ষভাবে নেওয়া হয়।
তথ্যগুলো একদম শুরু থেকে সংগ্রহ করতে হয় বলে এতে প্রচুর সময়, শারীরিক শ্রম এবং অর্থের প্রয়োজন হয়।যেহেতু তথ্যগুলো পূর্বেই প্রস্তুত থাকে, তাই এটি সংগ্রহে অত্যন্ত কম সময়, শ্রম এবং অর্থ ব্যয় হয়।

৪। প্রশ্নাবলী প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে প্রাক-সমীক্ষা বা পাইলট সমীক্ষার গুরুত্ব আলোচনা করো।

উত্তরঃ মূল সমীক্ষা শুরু করার আগে প্রশ্নাবলীর উপযোগিতা পরীক্ষার জন্য একটি অত্যন্ত ছোট দলের ওপর পরীক্ষামূলকভাবে প্রাক-সমীক্ষা চালানো হয়। 

এর গুরুত্ব আলোচনা করা হলো:

(i) প্রশ্নাবলীর ত্রুটি সংশোধন: প্রশ্নাবলীর মধ্যে কোনো কঠিন,দ্ব্যর্থবোধক বা আপত্তিকর প্রশ্ন থাকলে তা আগে থেকেই চিহ্নিত করে সংশোধন বা বর্জন করা সম্ভব হয়। 

(ii) নির্দেশাবলীর স্পষ্টতা যাচাই: প্রশ্নপত্রের সাথে দেওয়া নির্দেশাবলী উত্তরদাতারা সহজে বুঝতে পারছেন কি না,তা এই প্রাক-সমীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়। 

(iii) সময় ও খরচের অনুমান: মূল সমীক্ষা শেষ করতে আনুমানিক কত সময় লাগতে পারে এবং এর পেছনে কীরূপ ব্যয় হতে পারে, তা প্রাক-সমীক্ষার অভিজ্ঞতা থেকে খুব সহজেই অনুমান করা যায়।

৫। পূর্ণগণনা এবং নমুনা সমীক্ষার মধ্যে মূল তুলনামূলক পার্থক্যসমূহ আলোচনা করো।

উত্তরঃ পূর্ণগণনা এবং নমুনা সমীক্ষার মধ্যে মূল তুলনামূলক পার্থক্যসমূহ:

                পূর্ণগণনা পদ্ধতি।                          নমুনা পদ্ধতি।
নির্দিষ্ট এলাকার বা লক্ষ্যভুক্ত জনগোষ্ঠীর প্রতিটি একক বা উপাদানকে আলাদাভাবে অন্তর্ভুক্ত করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।সমগ্র জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে প্রতিনিধিত্বকারী একটি ছোট অংশ বা প্রতিদর্শ বেছে নিয়ে সমীক্ষা চালানো হয়।
প্রতিটি উপাদান বা পরিবারের কাছে যেতে হয় বলে বিপুল পরিমাণ অর্থ, বিশাল জনবল এবং দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল।জনগোষ্ঠীর কেবল একটি ক্ষুদ্র অংশের ওপর অনুসন্ধান চালানো হয় বলে এতে সময়, শ্রম এবং ব্যয় অনেক কম হয়।
প্রতিটি একক থেকে তথ্য নেওয়া হয় বলে এতে কোনো প্রতিচয়নজনিত ত্রুটি বা নমুনা নির্বাচন সংক্রান্ত ভুল থাকে না।সমগ্র জনগোষ্ঠীর পরিবর্তে ক্ষুদ্র একটি অংশের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে এতে প্রতিচয়নজনিত ত্রুটি থাকার সম্ভাবনা থাকে।
সমীক্ষার ব্যাপকতার কারণে গণনাকারীদের অসাবধানতা, ভুল উত্তর বা তথ্য নথিবদ্ধকরণের ভুলের মতো অপ্রাতিচয়নিক ত্রুটির সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।নমুনার পরিধি ছোট হওয়ায় উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গণনাকারীদের দিয়ে নিখুঁত কাজ করানো যায়, যার ফলে অপ্রাতিচয়নিক ত্রুটির সম্ভাবনা খুবই কম থাকে।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top