Class 11 Economics Important Chapter 1 ভূমিকা

Class 11 Economics Important Chapter 1 ভূমিকা Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Economics Important Chapter 1 ভূমিকা Solutions and select need one. Class 11 Economics Important Part – 2 Bengali Medium Download PDF. Class 11 Economics Additional Question Answer in Bengali.

Class 11 Economics Important Chapter 1 ভূমিকা

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. AHSEC Class 11 Economics Part – 2 Additional Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given AHSEC Class 11 Economics Important Solutions in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 1

PART – 2
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১। আমাদের দৈনন্দিন ভাষায় ‘পরিসংখ্যান’ শব্দটি কয়টি সুস্পষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়?

উত্তরঃ আমাদের দৈনন্দিন ভাষায় ‘পরিসংখ্যান’ শব্দটি দুটি সুস্পষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়।

২। বহুবচনে ‘পরিসংখ্যান’ শব্দের সাধারণ অর্থ কী?

উত্তরঃ বহুবচনে ‘পরিসংখ্যান’ শব্দের সাধারণ অর্থ হলো সংগৃহীত তথ্যরাশি বা।

৩। একবচনে ‘পরিসংখ্যান’ বলতে রাশিবিজ্ঞানের কোন বিষয়টিকে বোঝায়?

উত্তরঃ একবচনে ‘পরিসংখ্যান’ বলতে মূলত তথ্যরাশির সংগ্রহ, শ্রেণীবিন্যাস এবং তা ব্যবহারের বিজ্ঞানকে বোঝায়।

৪। অস্পষ্ট তথ্যের তুলনায় সঠিক ও সুনির্দিষ্ট তথ্যসমূহ কেমন হয়?

উত্তরঃ অস্পষ্ট তথ্যের তুলনায় সঠিক ও সুনির্দিষ্ট তথ্যসমূহ মানুষের কাছে অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য হয়।

৫। “কাশ্মীরের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে”—এটি কী ধরনের তথ্য?

উত্তরঃ এটি একটি সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যানগত বা সাংখ্যিক তথ্য।

৬। রাশিবিজ্ঞান কীভাবে ব্যাপক তথ্যরাশি মনে রাখতে সাহায্য করে?

উত্তরঃ রাশিবিজ্ঞান গড় ও বিচ্যুতির মতো সংক্ষিপ্ত সাংখ্যিক পরিমাপ ব্যবহার করে ব্যাপক তথ্যরাশিকে সহজে মনে রাখতে সাহায্য করে।

৭। বিভিন্ন অর্থনৈতিক চলকের মধ্যে সম্পর্ক নিরূপণ ও তা যাচাই করতে কোন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়?

উত্তরঃ বিভিন্ন অর্থনৈতিক চলকের মধ্যে সম্পর্ক নিরূপণ ও তা যাচাই করতে পরিসংখ্যান পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

৮। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কিসের জ্ঞান আবশ্যক?

উত্তরঃ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক চলকসমূহের ভবিষ্যৎ গতি-প্রকৃতির জ্ঞান আবশ্যক।

৯। পরিবার পরিকল্পনা নীতি বাস্তবে কতটা কার্যকরী তা অনুধাবন করার জন্য কোন কৌশল গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তরঃ পরিবার পরিকল্পনা নীতি বাস্তবে কতটা কার্যকরী তা অনুধাবন করার জন্য পরিসংখ্যানিক কৌশল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১০। তেল আমদানির সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ভারতের জন্য কোনটি জানা আবশ্যক?

উত্তরঃ তেল আমদানির সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ভারতের তেলের প্রকৃত অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সম্ভাব্য উৎপাদন জানা আবশ্যক।

১১। তেলের প্রকৃত চাহিদা জানার জন্য কোন ধরনের তথ্য সাহায্য করে?

উত্তরঃ তেলের প্রকৃত চাহিদা জানার জন্য প্রয়োজনীয় পরিসংখ্যানগত বা সাংখ্যিক তথ্য সাহায্য করে।

১২। অর্থনৈতিক সমস্যা বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে বর্তমানে কিসের ব্যবহার ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে?

উত্তরঃ অর্থনৈতিক সমস্যা বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে বর্তমানে পরিসংখ্যানের ব্যবহার ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে।

১৩। পরিমাণগত তথ্য কাকে বলে?

উত্তরঃ যে সমস্ত তথ্যকে সরাসরি সংখ্যার মাধ্যমে পরিমাপ করা যায়, তাকে পরিমাণগত তথ্য বলে।

১৪। গুণগত তথ্য বলতে কী বোঝায়?

উত্তরঃ যে সমস্ত তথ্য সরাসরি সংখ্যায় পরিমাপ করা যায় না কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট গুণাবলী বর্ণনা করে, তাকে গুণগত তথ্য বলে।

১৫। বণ্টনের সাধারণ অর্থ কী?

উত্তরঃ জাতীয় আয়কে মজুরি, মুনাফা, খাজনা ও সুদ হিসেবে বিভাজন করাকে বণ্টন বলা হয়।

দীর্ঘ প্রশ্ন উত্তর।

১। “পরিসংখ্যান অস্পষ্ট তথ্য দূর করে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সঠিকতা এনে দেয়”— কাশ্মীরের ভূমিকম্প ও অন্যান্য উদাহরণের সাহায্যে উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ অর্থনৈতিক বা সামাজিক যেকোনো ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য অস্পষ্ট বা ভাসা-ভাসা তথ্যের চেয়ে সঠিক ও সুনির্দিষ্ট তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিসংখ্যান মূলত এই অস্পষ্টতা দূর করে বাস্তবচিত্র ফুটিয়ে তোলে।

কাশ্মীরের ভূমিকম্পের উদাহরণ: যদি সাধারণ ভাষায় বলা হয় যে “কাশ্মীরের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে শত শত লোকের মৃত্যু হয়েছে”, তবে তা ক্ষয়ক্ষতির তীব্রতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয় না। কিন্তু যখন পরিসংখ্যানিক পদ্ধতিতে সুনির্দিষ্টভাবে বলা হয় যে “ভূমিকম্পে ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে”,তখন তা অত্যন্ত তথ্যভিত্তিক, সঠিক ও বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়।এর ফলে সাহায্যকারী সংস্থাসমূহ ক্ষয়ক্ষতি অনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

তেল আমদানির উদাহরণ: একইভাবে যদি ভারত সরকার তেলের অভ্যন্তরীণ চাহিদা না জেনে শুধু অস্পষ্ট ধারণার ওপর ভিত্তি করে তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তা ভুল হতে পারে। কিন্তু যদি পরিসংখ্যানগত সুনির্দিষ্ট তথ্যের মাধ্যমে তেলের প্রকৃত অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং সম্ভাব্য দেশীয় উৎপাদনের পরিমাণ জানা থাকে, তবে আমদানির পরিমাণ সম্পর্কিত সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণ নিখুঁত ও সঠিক হয়।অতএব,এটি প্রমাণিত যে পরিসংখ্যানিক সঠিক তথ্যরাশি যেকোনো ধরনের অস্পষ্টতা দূর করে নির্ভরযোগ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।

২। পরিসংখ্যান কীভাবে একজন অর্থনীতিবিদকে সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে?

উত্তরঃ পরিসংখ্যানের সাহায্য নিয়ে একজন অর্থনীতিবিদ যেকোনো অর্থনৈতিক বিষয়কে অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট ও অর্থবহভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হন। যখন কোনো অর্থনৈতিক তথ্যকে পরিসংখ্যানিক ভাষায় প্রকাশ করা হয়, তখন তা মানুষের কাছে অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য হয়। এছাড়া রাশিবিজ্ঞান অত্যন্ত ব্যাপক তথ্যরাশিকে গড় বা বিচ্যুতির মতো সাংখ্যিক পরিমাপের মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত করে একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে, যা অর্থনীতিবিদদের সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সাহায্য করে।

৩। অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান পদ্ধতির ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ক্ষেত্রে পরিসংখ্যান পদ্ধতির ভূমিকা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

(i) ভবিষ্যৎ গতি-প্রকৃতি অনুমান ও পরিকল্পনা প্রণয়ন: যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনাকারীকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সফল করতে হলে অর্থনৈতিক চলকসমূহের ভবিষ্যৎ গতি-প্রকৃতির সঠিক জ্ঞান থাকা আবশ্যক। উদাহরণস্বরূপ, ২০১০ সালের জন্য দেশের উৎপাদন পরিকল্পনা ঠিক করতে হলে ২০১০ সালে দেশের সম্ভাব্য ভোগের পরিমাণ কেমন হতে পারে তা আগের বছরের তথ্যের ভিত্তিতে অনুমান করতে হয়।

(ii) নীতিসমূহের কার্যকারিতা মূল্যায়ন: সরকারের গৃহীত বিভিন্ন নীতি বাস্তবে কতটা সফল ও কার্যকর হচ্ছে,তা অনুধাবন করার জন্য পরিসংখ্যানিক কৌশল প্রয়োগ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সরকারের নেওয়া পরিবার পরিকল্পনা নীতি বাস্তবে কতটা ফলপ্রসূ হচ্ছে, তা পরিসংখ্যানিক তথ্যের তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমেই সহজে পরিমাপ করা যায়। 

(iii) সুনির্দিষ্ট জাতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও আমদানি-রপ্তানি নীতি: আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব অপরিসীম। উদাহরণস্বরূপ, ২০১০ সালে ভারতকে কী পরিমাণ তেল আমদানি করতে হবে, সেই সিদ্ধান্তটি তেলের সম্ভাব্য অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং সম্ভাব্য দেশীয় উৎপাদনের পরিসংখ্যানগত তথ্যের ওপর নির্ভর করে নিতে হয়। 

৪। কাশ্মীরের ভূমিকম্পের উদাহরণটি দিয়ে পরিসংখ্যানগত তথ্যের গুরুত্ব বুঝিয়ে দাও।

উত্তরঃ কাশ্মীরের ভূমিকম্পের উদাহরণটির মাধ্যমে পরিসংখ্যানগত তথ্যের  গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:

(i) অস্পষ্টতা দূরীকরণ ও সুনির্দিষ্ট উপস্থাপন: যদি আমরা সাধারণ ভাষায় বলি যে,”কাশ্মীরের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে শত শত লোকের মৃত্যু হয়েছে” তবে তা ক্ষয়ক্ষতির তীব্রতা বা প্রকৃত চিত্র সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট ধারণা দেয় না। কিন্তু যখন পরিসংখ্যানগত পদ্ধতিতে সুনির্দিষ্ট সংখ্যা দিয়ে বলা হয় যে, “ভূমিকম্পে ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে”, তখন তথ্যটি অত্যন্ত স্পষ্ট, সুনির্দিষ্ট ও অর্থবহ হয়ে ওঠে। 

(ii) বিশ্বাসযোগ্যতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি: সংখ্যাবিহীন সাধারণ বিবৃতির তুলনায় সাংখ্যিক বা পরিসংখ্যানগত তথ্য মানুষের কাছে অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য ও বাস্তবসম্মত মনে হয়। “৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে” উক্তিটি মানুষের মনে কোনো দ্বিমত বা অস্পষ্টতা তৈরি করে না, যা তথ্যটির সত্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে বহুণ বাড়িয়ে দেয়। কারণ মানুষ সবসময় অনুমানভিত্তিক কথার চেয়ে সংখ্যাভিত্তিক সঠিক তথ্যের ওপর বেশি আস্থা রাখে।

(iii) কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও পরিকল্পনা প্রণয়ন: যেকোনো দুর্যোগে ত্রাণ কার্য পরিচালনা বা পুনর্বাসনের জন্য সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানা অত্যন্ত জরুরি। যদি উদ্ধারকারী দল বা সরকারের কাছে সঠিক পরিসংখ্যান (৩০০ জনের মৃত্যু বা নির্দিষ্ট সংখ্যক পরিবারের ক্ষতি) থাকে, তবে তারা সেই অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ত্রাণ সামগ্রী, খাদ্য, ওষুধ এবং আর্থিক সাহায্য পাঠাতে পারে। 

৫। পরিমাণগত এবং গুণগত তথ্যের মধ্যে পার্থক্য উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।

উত্তরঃ পরিমাণগত এবং গুণগত তথ্যের মধ্যে পার্থক্য উদাহরণসহ:

                      পরিমাণগত তথ্য                          গুণগত তথ্য
যে সমস্ত তথ্যকে সরাসরি সংখ্যা বা অঙ্কের মাধ্যমে পরিমাপ এবং প্রকাশ করা যায়।যে সমস্ত তথ্য সরাসরি সংখ্যায় পরিমাপ করা যায় না, কিন্তু তা কোনো ব্যক্তি বা দলের নির্দিষ্ট গুণাবলী বর্ণনা করে।
এটি সরাসরি সংখ্যায় নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা সম্ভব।এটি সরাসরি সংখ্যায় পরিমাপ করা অসম্ভব, তবে গুণের মাত্রা নির্দেশ করা সম্ভব।
এই তথ্যসমূহ গাণিতিক অঙ্কে বা সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।এই তথ্যসমূহ সাধারণত বর্ণনামূলক বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
কোনো দেশে চাল বা ফসলের মোট বার্ষিক উৎপাদন (যেমন,ভারতে চালের উৎপাদন ৩৯.৫৮ মিলিয়ন টন)।মানুষের লিঙ্গ (পুরুষ বা নারী) এবং কাজ করার দক্ষতা (যেমন,অপেক্ষাকৃত ভালো, রুগ্ন, দক্ষ বা অদক্ষ)।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top