Class 11 Economics Chapter 4 তথ্য প্রদর্শন

Class 11 Economics Chapter 4 তথ্য প্রদর্শন Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Economics Chapter 4 তথ্য প্রদর্শন Solutions and select need one. Class 11 Economics Part – 2 Solutions Bengali Medium Download PDF.

Class 11 Economics Chapter 4 তথ্য প্রদর্শন

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. AHSEC Class 11 Economics Part – 2 Textual Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given AHSEC Class 11 Economics Question Answer in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 4

PART – 2
Textual Question Answer

১। দণ্ড চিত্র।

(ক) এক আকৃতির চিত্র।

(খ) দুই আকৃতির চিত্র নহে।

(গ) কোন আকৃতির চিত্র নহে।

(ঘ) উপরের কোনটি নহে।

উত্তরঃ (ক) এক আকৃতির চিত্র।

২। হিস্টোগ্রাম দ্বারা তথ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে নিম্নলিখিত লৈখিক মান পাওয়া যায়।

(ক) গড়।

(খ) বহুলক।

(গ) মধ্যমা।

(ঘ) উপরের কোনটিই নহে।

উত্তরঃ (খ) বহুলক।

৩। ওগিভ এর মাধ্যমে নিম্নলিখিত লৈখিক মান পাওয়া যায়

(ক) বহুলক।

(খ) গড়।

(গ) মধ্যমা।

(ঘ) উপরের কোনটিই নহে।

উত্তরঃ (গ) মধ্যমা।

৪। গাণিতিক রেখা চিত্র এর মাধ্যমে বোঝায়,তথ্যের।

(ক) দীর্ঘ সময়ের পরিবর্তন।

(খ) চক্রকার পরিবর্তন।

(গ) ঋতু।

(ঘ) উপরের সবকটি।

উত্তরঃ (ঘ) উপরের সবকটি।

৫। দণ্ডচিত্রে দণ্ডগুলির মাত্র সমান থাকা অপ্রয়োজনীয়। (সত্য/ অসত্য)

উত্তরঃ অসত্য।

৬। হিস্টোগ্রাম আয়তক্ষেত্রগুলির মাত্রা সমান থাকা উচিত। (সত্য/অসত্য)

উত্তরঃ অসত্য।

৭। শুধুমাত্র অবিচ্ছিন্ন শ্রেণীর ক্ষেত্রে হিস্টোগ্রাম অংকন করা সম্ভব। (সত্য/অসত্য)

উত্তরঃ সত্য।

৮। হিস্টোগ্রাম এবং স্তম্ভলেখ তথ্যের একই ধরণের প্রদর্শন। (সত্য/অসত্য)

উত্তরঃ অসত্য।

৯। হিস্টোগ্রাম থেকে কোন পরিসংখ্যা বিভাজনের বহুলকের লৈখিক মান পাওয়া যায়। (সত্য/ অসত্য)।

উত্তরঃ সত্য।

১০। ওগিভ থেকে কোন পরিসংখ্যা বিভাজনের মধ্যমার মান পাওয়া যায় না। (সত্য/ অসত্য)

উত্তরঃ অসত্য।

১১। নিম্নের বিষয়গুলির জন্য কি ধৰণের চিত্র সঠিক হবে?

(ক) কোন বৎসরে মাসিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ।

উত্তরঃ সঠিক চিত্র: সরল দণ্ডচিত্র অথবা গাণিতিক রেখা চিত্র।

(খ) ধর্মের ভিত্তিতে দিল্লীর জনসাধারণের প্রদর্শন।

উত্তরঃ সঠিক চিত্র: সরল দণ্ডচিত্র অথবা পাই চিত্র।

(গ) একটি কারখানা উৎপাদন খরচের বিভিন্ন উপাংশ মনে।

উত্তরঃ সঠিক চিত্র: খণ্ড দণ্ডচিত্র অথবা পাই চিত্র।

১২। মনে কর, উদাহরণ ৪.২তে শহরের অশ্রমিক শ্রেণীর অংশ বৃদ্ধি এবং ভারতবর্ষে শহরীকরণ প্রক্রিয়ার নিম্নগতি প্রদর্শন করবে। তালিকাকরণ পদ্ধতিতে তা কিভাবে করবে?

উত্তরঃ শহরের অশ্রমিক শ্রেণীর অংশ বৃদ্ধি এবং শহরীকরণ প্রক্রিয়ার নিম্নগতি প্রদর্শনের জন্য আপনাকে সময়ভিত্তিক শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতি ব্যবহার করে একটি সারণি তৈরি করতে হবে। এই পদ্ধতিতে সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে তথ্যের পরিবর্তন স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

তালিকাকরণ পদ্ধতিতে এটি করার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করতে হবে:

(i) সারণি নম্বর ও শিরোনাম: সারণির উপরে একটি নির্দিষ্ট নম্বর এবং স্পষ্ট শিরোনাম দিতে হবে যা বিষয়বস্তুকে বর্ণনা করবে (যেমন: “সারণি ৪.১০ ভারতে শহরীকরণ এবং শহরের অশ্রমিক শ্রেণীর পরিবর্তনের ধারা”)।

(ii) স্তম্ভ ও সারির শিরোনাম: সারণির স্তম্ভগুলোতে বিভিন্ন বৎসর (যেমন ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১) উল্লেখ করতে হবে এবং সারিগুলোতে ‘শহরের অশ্রমিক শ্রেণীর অংশ (%)’ এবং ‘শহরীকরণের হার (%)’ লিখতে হবে।

(iii) সারণির মূল অংশ: এখানে বিভিন্ন বছরের সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যানগুলো বসাতে হবে। যখন সারণিতে একাধিক বছরের তথ্য পাশাপাশি থাকবে, তখন খুব সহজেই দেখা যাবে যে সময়ের সাথে সাথে অশ্রমিক শ্রেণীর অংশ বাড়ছে কিন্তু শহরীকরণের হার তুলনামূলকভাবে ধীর বা নিম্নমুখী হচ্ছে।

উৎস: সারণির নিচে তথ্যের উৎস (যেমন: ভারতের আদমশুমারি বা উল্লেখ করতে হবে।

পাদটীকা: যদি তথ্যের কোনো বিশেষ ব্যাখ্যা প্রয়োজন হয় (যেমন: তথ্যগুলো শতাংশে প্রকাশিত), তবে নিচে একটি মন্তব্য বা পাদটীকা যোগ করা যেতে পারে। 

১৩। একটি পরিসংখ্যা বিভাজন তালিকায় অসমান এবং সমান শ্রেণী অন্তরার ক্ষেত্রে হিস্টোগ্রাম অংকণের কি পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়?

উত্তরঃ সমান ও অসমান শ্রেণী অন্তরার হিস্টোগ্রামের পার্থক্য:

                সমান শ্রেণী অন্তরা               অসমান শ্রেণী অন্তরা 
সবকটি আয়তক্ষেত্রের ভূমি বা প্রস্থ সমান থাকে।আয়তক্ষেত্রগুলোর ভূমি অসমান হয় কারণ তা শ্রেণী অন্তরার দৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করে।
উচ্চতা সরাসরি শ্রেণীর বারংবারতার সমানুপাতিক হয়।উচ্চতা নির্ধারণের জন্য বারংবারতা ঘনত্ব ব্যবহার করা হয়।
সরাসরি বারংবারতা ব্যবহার করে চিত্র অঙ্কন করা যায়।উচ্চতাকে সংশোধন করার জন্য বারংবারতাকে সংশ্লিষ্ট শ্রেণীর দৈর্ঘ্য দিয়ে ভাগ করতে হয়।
এটি অত্যন্ত সাধারণ এবং সহজ লৈখিক উপস্থাপন।এটি তুলনামূলক জটিল এবং তথ্যের সঠিক অনুপাত বজায় রাখতে সাহায্য করে।

১৪। ভারতীয় চিনি মিল সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী- ‘২০০১ সালের ডিসেম্বরর প্রথম পক্ষে চিনিৰ উৎপাদন প্রায় ৩,৮৭,০০০ টন ছিল, বিপরীতে ২০০০ সালের একই পক্ষে ছিল ৩,৮৭,০০০ টন। ২০০১ সালের ডিসেম্বরের প্রথম পক্ষ আভ্যন্তরীণ ব্যবহার ২,৮৩,০০০ টন এবং ৪১,০০০ টন রপ্তানি হয়। বিপরীতে ২০০০ সালে আভ্যন্তরীণ ব্যবহার ১,৫৪,০০০ টন এবং রপ্তানী মূল্য।

(ক) তথ্যটি তালিকায় প্রদর্শন কর।

উত্তরঃ একটি আদর্শ সারণির নিয়ম অনুযায়ী তথ্যগুলো সাজানো হলো:

        চিনির বিবরণ    ২০০১ সাল (১ম পক্ষ)        ২০০০ সাল
    চিনির উৎপাদন            ৩৮৭            ৩৮৭
  অভ্যন্তরীণ ব্যবহার              ২৮৩              ১৫৪
      চিনির রপ্তানি                ৪১                              ২২

(খ) মনে কর, তুমি তথ্যটিকে চিত্র দ্বারা প্রদর্শন করবে।

উত্তরঃ সঠিক চিত্রের ধরণ: এই তথ্যটি প্রদর্শনের জন্য ‘যৌগিক দণ্ডচিত্র’ সবচেয়ে বেশি উপযোগী।

কারণ: উৎস অনুযায়ী, যখন দুই বা ততোধিক ধরণের তথ্য (যেমন— উৎপাদন, ব্যবহার ও রপ্তানি) একসাথে তুলনা করতে হয়,তখন যৌগিক দণ্ডচিত্র ব্যবহার করা হয়। এটি বিভিন্ন বছরের সাপেক্ষে একাধিক উপাদানের পরিবর্তন স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে।

(গ) চিত্রের দ্বারা তথ্যটি প্রদর্শন কর।

উত্তরঃ চিত্রে তথ্যটি উপস্থাপন করলে তা নিম্নলিখিতভাবে প্রদর্শিত হবে:

(i) অক্ষ: নিচের আনুভূমিক রেখায় থাকবে ‘বছর’ (২০০০ এবং ২০০১) এবং উল্লম্ব রেখায় থাকবে চিনির ‘পরিমাণ’। 

(ii) দণ্ডসমূহ: প্রতিটি বছরের জন্য তিনটি করে দণ্ড পাশাপাশি থাকবে। 

প্রথম দণ্ডটি হবে ‘উৎপাদনের’ জন্য।

দ্বিতীয় দণ্ডটি হবে ‘অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের’ জন্য।

তৃতীয় দণ্ডটি হবে ‘রপ্তানির’ জন্য। 

(iii) চিহ্ন ও রং: প্রতিটি দণ্ডকে আলাদাভাবে চেনার জন্য ভিন্ন ভিন্ন রং বা শেড ব্যবহার করা হবে। 

যেমন— উৎপাদন নীল, ব্যবহার সবুজ এবং রপ্তানি লাল রঙের দণ্ড দিয়ে দেখানো যেতে পারে।

১৫। নিম্নের তালিকায় জাতীয় উৎপাদনের বিভিন্ন খাতে বৃদ্ধির হার (পূর্ববর্তী বৎসরের শতাংশ পরিবর্তন) গেওয়া হল।

      বৎসর    কৃষি ও পশুপালন             শিল্প      সেবামূলক
১৯৯৪-৯৫          ৫.০  ৯.২  ৭০
১৯৯৫-৯৬             -০.৯            ১১.৮     ১০.৩
১৯৯৬-৯৭            ৯.৬          ৬.০      ৭.১
১৯৯৭-৯৮             -১.৯             ৫.৯     ৯.০
১৯৯৮-৯৯            ৭.২           8,0       ৮.৩
১৯৯৯-২০০০           ০.৮            ৬৯     ৮.২   

তথ্যটি যৌগিক সময়শ্রেণী লেখের মাধ্যমে প্রদর্শন কর।

উত্তরঃ যৌগিক সময়শ্রেণী লেখ অঙ্কনের পদ্ধতি:

(i) অক্ষ নির্ধারণ: গ্রাফ কাগজের আনুভূমিক রেখায় (X-axis) ‘বৎসর’ এবং উল্লম্ব রেখায় (Y-axis) ‘বৃদ্ধির হার (%)’ দেখাতে হবে। যেহেতু বৃদ্ধির হার ঋণাত্মক (যেমন: -০.৯, -১.৯) হতে পারে, তাই Y-অক্ষে শূন্যের (০) নিচেও কিছু অংশ রাখতে হবে।

(ii) বিন্দু স্থাপন: প্রতিটি বছরের জন্য তিনটি খাতের বিপরীতে নির্ধারিত বৃদ্ধির হারের মান অনুযায়ী বিন্দু স্থাপন করতে হবে। 

(iii)রেখা অঙ্কন: একই খাতের বিন্দুগুলোকে সরলরেখা দিয়ে যোগ করতে হবে। এভাবে তিনটি আলাদা রেখা পাওয়া যাবে।

(iv) চিহ্ন ও সূচক: তিনটি খাতের রেখাকে আলাদাভাবে চেনার জন্য ভিন্ন ভিন্ন রং অথবা ভিন্ন ধরণের রেখা (যেমন: একটি টানা রেখা,একটি ড্যাশ রেখা এবং একটি ডট রেখা) ব্যবহার করতে হবে এবং চিত্রের পাশে একটি সূচক দিতে হবে।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top