Class 11 Economics Chapter 8 সূচকাংক

Class 11 Economics Chapter 8 সূচকাংক Question Answer Bengali Medium As Per New Syllabus to each chapter is provided in the list so that you can easily browse through different chapters Class 11 Economics Chapter 8 সূচকাংক Solutions and select need one. Class 11 Economics Part – 2 Solutions Bengali Medium Download PDF.

Class 11 Economics Chapter 8 সূচকাংক

Also, you can read the NCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per Central Board of Secondary Education (CBSE) Book guidelines. AHSEC Class 11 Economics Part – 2 Textual Notes in Bengali are part of All Subject Solutions. Here we have given AHSEC Class 11 Economics Question Answer in Bengali for All Chapters, You can practice these here.

Chapter: 8

PART – 2
Textual Question Answer

১। যে সূচক বস্তুর আপেক্ষিক মান গণনা করে,এটি-

(i) ভারী সূচক। 

(ii) সরল মোট সূচক।   

(iii) সরল গড় আপেক্ষিক। 

উত্তরঃ (iii) সরল গড় আপেক্ষিক।

২। ভারী সূচকে ভার ধরা হয়-

(i) ভিত্তিবর্ষ।  

(ii) বর্তমান বর্ষ।   

(iii) ভিত্তি এবং বর্তমান বর্ষ উভয়ই। 

উত্তরঃ (iii) ভিত্তি এবং বর্তমান বর্ষ উভয়ই।

৩। স্বল্প ভার বিশিষ্ট যে সব বস্তুর দামের পরিবর্থন হয়, সেগুলির প্রতিক্রিয়া সূচকে-

(i) কম।    

(ii) বেশি।    

(iii) অনিশ্চিত। 

উত্তরঃ (i) কম। 

৪। গ্রাহক দাম সূচক দ্বারা পরিবর্তন মাপা যায়-

(i) খুচরা দাম। 

(iii) পাইকারী দাম। 

(iii) উৎপাদকের দাম। 

উত্তরঃ (i) খুচরা দাম। 

৫। শিল্প শ্রমিকরে গ্রাহক মূল্য সূচক গণনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ভার বিশিষ্ট বস্তু। 

(i) খাদ্য। 

(ii) গৃহ। 

(iii) বস্ত্র। 

উত্তরঃ (i) খাদ্য। 

৬। সাধারণতঃ মুদ্রাস্ফীতি মাপা হয়, কোনটির সাহায্যে।

(i) পাইকারী দাম সূচক। 

(ii) গ্রাহক দাম সূচক। 

(iii) উৎপাদক দাম সূচক। 

উত্তরঃ (i) পাইকারী দাম সূচক। 

৭। আমাদের কেন সূচকাংক প্রয়োজন?

উত্তরঃ সূচকাংক সংখ্যা প্রধানত নিম্নলিখিত কারণে প্রয়োজন:

(i) এটি সময়ের সাথে সম্পর্কিত চলকগুলোর (যেমন—দ্রব্যের দাম, উৎপাদন ইত্যাদি) গড় পরিবর্তন পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

(ii) মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয়ে এবং সময়ের সাথে সাথে টাকার প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা বুঝতে এটি সাহায্য করে।

(iii) শ্রমিকদের বেতন কাঠামো নির্ধারণ, কর নীতি প্রণয়ন এবং সাধারণ সরকারি অর্থনৈতিক পরিকল্পনা তৈরিতে সূচকাংক অপরিহার্য।

৮। ভিত্তিবর্ষের কি কি গুণাবলী থাকা প্রয়োজন। 

উত্তরঃ একটি আদর্শ ভিত্তিবর্ষের নিম্নলিখিত গুণাবলী থাকা প্রয়োজন:

(i) ভিত্তিবর্ষটি অবশ্যই একটি স্বাভাবিক বছর হতে হবে, অর্থাৎ ওই বছরে যুদ্ধ বা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো অস্বাভাবিক ঘটনা থাকা উচিত নয়।

(ii) ভিত্তিবর্ষটি বর্তমান সময়ের তুলনায় খুব বেশি অতীতের হওয়া উচিত নয়। কারণ অনেক আগে মানুষের ভোগের যে ধরন ছিল, তা বর্তমানে পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে।

(iii) সঠিক তুলনার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ভিত্তিবর্ষ পরিবর্তন বা স্থানান্তর করা প্রয়োজন। 

৯। বিভিন্ন ধরনের গ্রাহকের জন্য বিভিন্ন। CPI কেন প্রয়োজন?

উত্তরঃ ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকের জন্য আলাদা আলাদা গ্রাহক মূল্য সূচক (CPI) প্রয়োজন কারণ:

(i) বিভিন্ন পেশাজীবী বা সামাজিক স্তরের মানুষের জীবনযাত্রার মান এবং ভোগের ধরন আলাদা হয়। 

উদাহরণস্বরূপ, একজন শিল্প শ্রমিকের প্রয়োজনীয় দ্রব্যের তালিকা আর একজন কৃষি শ্রমিকের তালিকা এক নয়।

(ii) কোনো নির্দিষ্ট পণ্যের দাম বৃদ্ধি সব শ্রেণির মানুষের ওপর সমান প্রভাব ফেলে না। যেমন—পেট্রোল বা ডিজেলের দাম বাড়লে উচ্চবিত্তের ওপর যে প্রভাব পড়বে, সাধারণ কৃষকের ওপর তার প্রভাব ভিন্ন হতে পারে।

(iii) নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রার প্রকৃত ব্যয় নির্ভুলভাবে পরিমাপ করার জন্যই ভারতে শিল্প শ্রমিক, কৃষি শ্রমিক এবং শহর অঞ্চলের কর্মচারীদের জন্য পৃথক CPI গণনা করা হয়।

১০। শিল্প শ্রমিকদের গ্রাহক দাম সূচক দ্বারা কি মাপা হয়?

উত্তরঃ শিল্প শ্রমিকদের গ্রাহক দাম সূচক বা CPI দ্বারা মূলত খুচরা দামের গড় পরিবর্তন পরিমাপ করা হয়। এটি শ্রমিক শ্রেণির জীবনযাত্রার ব্যয়ের পরিবর্তন প্রতিফলিত করে, অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে একই পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে শ্রমিকের ব্যয়ে কী ধরনের পরিবর্তন এসেছে তা এই সূচকের মাধ্যমে জানা যায়।

১১। দাম সূচক এবং পরিমাণ সূচক এর মধ্যে পার্থক্য কি?

উত্তরঃ দাম সূচক এবং পরিমাণ সূচকের প্রধান পার্থক্য হলো তাদের পরিমাপের বিষয়বস্তু:

(i) দাম সূচক: এটি সময়ের সাথে কোনো নির্দিষ্ট দ্রব্য বা দ্রব্যের সমষ্টির দামের আপেক্ষিক পরিবর্তন বা তুলনা পরিমাপ করে।

(ii) পরিমাণ সূচক: এটি কোনো নির্দিষ্ট সময়ে বা ভিত্তি বছরের তুলনায় বর্তমান বছরে উৎপাদনের আয়তন বা পরিমাণের পরিবর্তন পরিমাপ করে।

১২। দামের পরিবর্তন দাম সূচকে প্রতিফলিত হয় কি?

উত্তরঃ হ্যাঁ,দামের পরিবর্তন অবশ্যই দাম সূচকে প্রতিফলিত হয়। দাম সূচকের প্রধান কাজই হলো ভিত্তি বছরের তুলনায় বর্তমান বছরে দ্রব্যের দামের হ্রাস-বৃদ্ধি বা গড় পরিবর্তনকে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করা।

১৩। খেটে খাওয়া শ্রমিকের গ্রাহক দাম সূচক দ্বারা ভারতের রাষ্ট্রপতির জীবন যাত্রার মানের কোন পরিবর্তনের প্রভাব ঘটতে পারে কি?

উত্তরঃ না,খেটে খাওয়া শ্রমিকের জন্য তৈরি গ্রাহক দাম সূচক ভারতের রাষ্ট্রপতির জীবনযাত্রার মানের পরিবর্তনের প্রভাব সঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারে না। 

এর প্রধান কারণগুলো হলো:

(i) ভোগের ধরনের পার্থক্য: শ্রমিক শ্রেণি এবং রাষ্ট্রপতির ভোগের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত দ্রব্য ও সেবার ধরন সম্পূর্ণ আলাদা।

(ii) দ্রব্যের গুরুত্ব বা ভার: শ্রমিকের সূচকে খাদ্যশস্য বা নিম্নবিত্তের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর গুরুত্ব বেশি থাকে, যা উচ্চবিত্ত বা রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

(iii) শ্রেণিভিত্তিক সূচক: উৎস অনুসারে, বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় ও ধরন আলাদা হওয়ায় তাদের জন্য পৃথক পৃথক সূচক (যেমন—শিল্প শ্রমিক, কৃষি শ্রমিক) গণনা করা প্রয়োজন।

১৪। 1980 এবং 2005 সালে শিল্প শ্রমিকের জন প্রতি মাসিক খরচ নীচে উল্লেখ করা হল। বস্তুগুলির ভার যথাক্রমে 75, 10, 5, 6, এবং 4. 1980 সাল ভিত্তি বর্ষ হিসাবে 2005 সালের ভারী গ্রাহক দাম সূচক নির্ণয় কর। 

          বস্তু1980        সালে দাম    2005 সালে দাম
            খাদ্য               100            200
            বস্ত্র               20                25
      জ্বালানী এবং আলো            15           20
          ঘরভাড়া             30           40
          অন্যান্য            35            65

উত্তরঃ ভারযুক্ত দাম আপেক্ষিক সূচক সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র:

P01 = (∑ RW) / (∑ W)

যেখানে

R = দাম আপেক্ষিক = (P1 / P0) × ১০০

W = বস্তুসমূহের ভার।

P0 = ভিত্তি বছরের (১৯৮০) দাম।

P1 = চলতি বছরের (২০০৫) দাম

গণনা সারণী:

বস্তু1980সালে দাম (P0) 2005  RW  সালে দাম (P1) ভার (W) দাম আপেক্ষিক r = (p1/p0)×১০০                                        
খাদ্য  15,000.00      100          200  75 (200/100×100=200
বস্ত্র 1,250.00          20    25 10(25/20)×100=125 
জ্বালানী এবং আলো 666.65    15        20  5(20/15)×100=133.33   
ঘরভাড়া 799.98    30        40   2(40/30)×100=133.33
অন্যান্য 782.84    35   65   8(65/35)×100=185.71  
মোট  ∑ W = 100     

নোট (প্রকৃত ভগ্নাংশ মান ব্যবহার করলে:

জ্বালানী ও আলো এর প্রকৃত RW = (২০০০ / ৩) ≈ ৬৬৬.৬৭

ঘরভাড়া এর প্রকৃত RW = ৮০০.০০

অন্যান্য এর প্রকৃত RW = (৫২০০ / ৭) ≈ ৭৪২.৮৬

সেক্ষেত্রে প্রকৃত মোট ∑RW = ১৫,০০০ + ১,২৫০ + ৬৬৬.৬৭ + ৮০০ + ৭৪২.৮৬ = ১৮,৪৫৯.৫৩

ভারী গ্রাহক দাম সূচক নির্ণয়:

দশমিকের আসন্ন মান (২ স্থান পর্যন্ত) ব্যবহার করে:

P01 = ১৮,৪৫৯.৪৭ / ১০০ = ১৮৪.৫৯

ভগ্নাংশের প্রকৃত মান ব্যবহার করে:

P01 = ১৮,৪৫৯.৫৩ / ১০০ = ১৮৪.৬০ (প্রায়)

১৯৮০ সালকে ভিত্তি বর্ষ ধরে ২০০৫ সালের ভারী গ্রাহক দাম সূচক হলো ১৮৪.৬০

১৫। নীচের তালিকাটি ভাল করে পড় এবং তোমার মতামত লিখ?

শিল্পজাত উৎপাদন সূচক ভিত্তিবর্ষ 1993-94

শ্লিপ      ভার %1996-972003-2004
সাধারণ সূচক  100  130.8189.0
খনিজ10.73118.2  146.9
উৎপাদিত 79.58 133.6196.6
বিদ্যুৎ10.69122.0  172.6

উত্তরঃ শিল্পজাত উৎপাদন সূচকের বিশ্লেষণ ও মতামত।

(i) কাঠামোগত বিশ্লেষণ:

ভিত্তিবর্ষ: এখানে ১৯৯৩-৯৪ সালকে ভিত্তিবর্ষ হিসেবে ধরা হয়েছে। সূচক সংখ্যার নিয়ম অনুযায়ী ভিত্তিবর্ষের সূচকের মান সর্বদা ১০০ ধরা হয়।

ভার বা গুরুত্ব: শিল্প খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভার দেওয়া হয়েছে উৎপাদিত পণ্যকে ৭৯.৫৮%

খনিজ খাতের ভার ১০.৭৩% এবং বিদ্যুৎ খাতের ভার ১০.৬৯%। ভারযুক্ত সূচকের নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ সূচকের ওঠানামায় উৎপাদিত খাতের প্রভাবই সবচেয়ে বেশি থাকবে।

(ii) উৎপাদন বৃদ্ধির তুলনামূলক বিশ্লেষণ: (১৯৯৬-৯৭ বনাম ২০০৩-০৪)

সাধারণ সূচক: ১৯৯৬-৯৭ সালে সাধারণ সূচক ছিল ১৩০.৮, অর্থাৎ ভিত্তিবর্ষের (১৯৯৩-৯৪) তুলনায় সামগ্রিক শিল্প উৎপাদন ৩০.৮% বৃদ্ধি পেয়েছিল।

২০০৩-০৪ সালে সাধারণ সূচক দাঁড়িয়েছে ১৮৯.০, যার অর্থ ভিত্তিবর্ষের তুলনায় উৎপাদন ৮৯% বৃদ্ধি পেয়েছে।

খনিজ খাত: ১৯৯৬-৯৭ সালে এই খাতের বৃদ্ধি ছিল ১৮.২%

২০০৩-০৪ সালে এসে এটি বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬.৯% তিন খাতের মধ্যে এই খাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে ধীর।

উৎপাদিত খাত: ১৯৯৬-৯৭ সালে এই খাতের বৃদ্ধি ছিল ৩৩.৬% ২০০৩-০৪ সালে এটি বিশাল প্রবৃদ্ধি অর্জন করে ভিত্তিবর্ষের তুলনায় ৯৬.৬% বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিদ্যুৎ খাত: ১৯৯৬-৯৭ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছিল ২২% (সূচক ১২২.০)।

২০০৩-০৪ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রবৃদ্ধি বেশ দ্রুত গতিতে বেড়ে ৭২.৬%-এ পৌঁছেছে।

সার্বিক মতামত ও সিদ্ধান্ত:

(i) শিল্প খাতের ধারাবাহিক উন্নতি: ১৯৯৩-৯৪ সাল থেকে ২০০৩-০৪ সালের মধ্যে ভারতের সামগ্রিক শিল্প উৎপাদনে একটি চমৎকার এবং ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি সারণী থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয়। 

(ii) ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের চালিকাশক্তি: উৎপাদিত খাতের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং এর বিশাল ভার (প্রায় ৮০%) ভারতের শিল্প উৎপাদনের এই সিংহভাগ প্রবৃদ্ধিকে নেতৃত্ব দিয়েছে। 

(iii) অবকাঠামোগত উন্নয়ন: বিদ্যুৎ খাতে প্রবৃদ্ধি (৭২.৬%) বেশ আশাব্যঞ্জক, যা শিল্পায়নের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক এবং সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে। 

১৬। তোমার পরিবারে ব্যবহৃত হয় এরূপ উল্লেখযোগ্য বস্তুর একটি তালিকা লিখ।

উত্তরঃ পরিবারে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য বস্তুর শ্রেণীবিন্যাস তালিকা:

              বস্তুর শ্রেণী / ক্যাটাগরি:      উল্লেখযোগ্য উদাহরণসমূহ:
                      খাদ্য সামগ্রীচাল,ডাল,আটা,তেল,লবণ,চা,ঘি,শাকসবজি এবং পান-সুপারি ইত্যাদি।
                বস্ত্র, শয্যা ও জুতা সামগ্রীদৈনন্দিন ব্যবহারের পোশাক, শয্যা সামগ্রী (বিছানার চাদর) এবং জুতো ইত্যাদি।
                  জ্বালানী এবং আলো রান্নার গ্যাস (LPG),বিদ্যুৎ এবং কেরোসিন ইত্যাদি।
                  গৃহসংস্থান বা ঘরভাড়ামাসিক বাড়ি ভাড়া অথবা ঘর মেরামতের খরচ।
                  অন্যান্য বা বিবিধ ব্যয় শিক্ষা (বই-খাতা), চিকিৎসা (ওষুধ) এবং যাতায়াত খরচ ইত্যাদি।

১৭। একটি লোকের বাৎসরিক আয় ভিত্তিবর্ষে 4,000 টাকা এবং বর্তমান বর্ষে 6000 টাকা। গ্রাহক দাম সূচক 400 হলে লোকটির বাৎসরিক আয় কত বৃদ্ধি করতে হবে যাতে পূর্বের ন্যায় জীবন যাপন করতে পারে?

উত্তরঃ বাৎসরিক আয় বৃদ্ধি সংক্রান্ত সমাধান: 

প্রদত্ত উপাত্ত:

ভিত্তিবর্ষের বাৎসরিক আয় (P0) = ৪,০০০ টাকা

বর্তমান বর্ষের বাৎসরিক আয় (P1) = ৬,০০০ টাকা

বর্তমান গ্রাহক দাম সূচক (CPI) = ৪০০

গণনা: ভিত্তিবর্ষের সমতুল্য জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে বর্তমান বর্ষে যে পরিমাণ আয়ের প্রয়োজন হয়, তার সূত্র হলো: প্রয়োজনীয় আয় = ভিত্তিবর্ষের আয় ×(গ্রাহক দাম সূচক/100)

​প্রয়োজনীয় আয় = ৪,০০০ ×(১০০/৪০০) প্রয়োজনীয় আয় = ৪,০০০ × ৪ = ১৬,০০০ টাকা।

বর্তমানে লোকটির আয় ৬,০০০ টাকা। 

সুতরাং, পূর্বের ন্যায় জীবন যাপন করতে হলে: আয় বৃদ্ধি করতে হবে = (১৬,০০০ – ৬,০০০) = ১০,০০০ টাকা।

লোকটির বাৎসরিক আয় আরও ১০,০০০ টাকা বৃদ্ধি করতে হবে।

১৮। জুন, 2005 সালে গ্রাহক দাম 125 খাদ্যের সূচক 120 এবং অন্যান্য বস্তুর সূচক 135 তবে, মোট ভারের কত শতাংশ খাদ্যে দেওয়া হয়েছে?

উত্তরঃ খাদ্যের ভার নির্ণয় সংক্রান্ত সমাধান:

প্রদত্ত উপাত্ত:

সাধারণ গ্রাহক দাম সূচক (CPI) = ১২৫

খাদ্যের সূচক (R1) = ১২০

অন্যান্য বস্তুর সূচক (R2) = ১৩৫

গণনা: মনে করি, মোট ভার (∑W) = ১০০ ধরি, খাদ্যের ভার = W তাহলে অন্যান্য বস্তুর ভার হবে = (১০০ – W)

ভারী সূচকের সূত্র অনুযায়ী: 

CPI = ∑W / ∑WR বা, ১২৫ =(W×১২০)+(১০০−W)×১৩৫/১০০

 বা, ১২,৫০০ = ১২০W + ১৩,৫০০ – ১৩৫W বা, ১২,৫০০ – ১৩,৫০০ = -১৫W বা, -১,০০০ = -১৫W বা, W= ১৫১,০০০≈ ৬৬.৬৭%

মোট ভারের ৬৬.৬৭% (প্রায়) খাদ্যে দেওয়া হয়েছে। 

১৯। একটি শহরে মধ্যবিত্ত কোন এক পরিবারের বাজেট নিম্নে প্রদর্শিত হল।

বস্তুর খরচ অন্যান্য 20%  খাদ্য 35% জ্বালানী 10%  বস্ত্র 20%ঘরভাড়া 15%
দাম (টাকা), 2004 4001500  250   750 300    
দাম (টাকা), 1995   2501400   200500200  

1995 সালের তুলনায় 2004 সালে গ্রাহক দাম সূচক কি হবে?

উত্তরঃ সমাধান:

(i) গ্রাহক দাম সূচক (CPI) নির্ণয়ের সূত্র:

CPI = (∑ RW) / (∑ W)

যেখানে,

R = দাম আপেক্ষিক = (P1 / P0) × ১০০

W = বস্তুর ভার

P0 = ভিত্তি বছরের (১৯৯৫) দাম

P1 = চলতি বছরের (২০০৪) দাম

গণনা সারণী:

বস্তুর খরচ  ভার ১৯৯৫ সালের দাম২০০৪ সালের দাম (P1দাম আপেক্ষিক r =(p1/p0)×100 RW 
খাদ্য  ৩,৭৫০৩৫১৪০০    ১৫০০ (১৫০০/১৪০০) × ১০০ ≈ ১০৭.১৪ 
জ্বালানী ১,২৫০  ১০   ২০০  ২০০(২৫০/২০০) × ১০০ = ১২৫.০০
বস্ত্র ৩,০০০২০  ৫০০৭৫০(৭৫০/৫০০) × ১০০ = ১৫০.০০   
ঘরভাড়া ২,২৫০১৫২০০   ৩০০   (৩০০/২০০) × ১০০ = ১৫০.০০
অন্যান্য ৩,২০০২০২৫০     ৪০০(৪০০/২৫০) × ১০০ = ১৬০.০০
মোট ∑ W = ১০০ ∑ R= ১৩,৪৫০

২০। তোমার পরিবারে দৈনিক দুসপ্তাহের খরচ, বস্তুর পরিমাণ এবং দাম এর তালিকা প্রস্তুত কর। দামের পরিবর্তন তোমার পরিারে কি প্রভাব ফেলে?

উত্তরঃ পরিবারের খরচ ও দামের তালিকা এবং প্রভাব: এটি একটি ব্যবহারিক কার্যক্রম বা প্রজেক্ট যা শিক্ষার্থীদের বাস্তব জীবনের সাথে সূচক সংখ্যার সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করে।

তালিকা তৈরির নমুনা পদ্ধতি: দুই সপ্তাহের জন্য একটি ডায়েরিতে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় দ্রব্যের (যেমন—চাল, ডাল, তেল, সবজি) নাম, তার পরিমাণ এবং ওই সময়ের বাজার দর লিখে রাখতে হবে।

দামের পরিবর্তনের প্রভাব: সূচক সংখ্যার তত্ত্ব অনুযায়ী, যখন বাজারে দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পায়, তখন পরিবারের ওপর নিম্নলিখিত প্রভাবগুলো লক্ষ্য করা যায়:

(i) টাকার ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস: দাম বেড়ে গেলে একই পরিমাণ টাকা দিয়ে আগের তুলনায় কম পরিমাণ দ্রব্য কেনা যায়। একেই বলা হয় মুদ্রার প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়া।

(ii) জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি: যদি পরিবারের আয় স্থির থাকে কিন্তু দাম বেড়ে যায়, তবে জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে আগের চেয়ে অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হয়।

(iii) বাজেটে কাটছাঁট: দামের ব্যাপক পরিবর্তনের ফলে অনেক পরিবার তাদের ভোগের তালিকায় থাকা কিছু বিলাসদ্রব্য বা অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়।

২১। নীচে একটি তথ্য দেওয়া হল:

বৎসরশিল্প শ্রমিকরে গ্রাহক দামসূচক (1982-100)আরবান নন ম্যানুয়েল শ্রমিকের গ্রাহক দাম সূচক (1984-85-100)কৃষি শ্রমিকের গ্রাহক দাম সূচক (1986-87-100)পাইকারী দাম সূচক1993-94-100
1995-96       313    257    234        121.6
1996 -97  342  283     254  127.2
1997 -98  366  302    264  132.8
1998-99  414    337       293    140.7
1999 -00   428   352    306  145.3
2000 -01  444  352    306   155.7  
2001-02    463  390     309   161.3   
2002-03   482  405    319  166.8   
2003-04  500  420    331  175.9

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ভারত সরকার, 2004-05

উত্তরঃ প্রদত্ত সারণিতে ভারতের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের জন্য নির্ধারিত গ্রাহক মূল্য সূচক (CPI) এবং পাইকারী মূল্য সূচকের তথ্য দেওয়া হয়েছে।

(i) সূচকাংকের আপেক্ষিক মানের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ সূচকাংকের এই আপেক্ষিক মানগুলো ভিত্তিবর্ষের তুলনায় নির্দিষ্ট সময়ে দ্রব্যমূল্যের গড় পরিবর্তন নির্দেশ করে।

উদাহরণ: ১৯৯৫-৯৬ সালে শিল্প শ্রমিকদের গ্রাহক মূল্য সূচক ছিল ৩১৩। এর অর্থ হলো, ভিত্তিবর্ষ ১৯৮২ সালে যে পণ্য কিনতে ১০০ টাকা লাগত, ১৯৯৫-৯৬ সালে সেই একই পরিমাণ পণ্য কিনতে ৩১৩ টাকা প্রয়োজন হয়েছে। অর্থাৎ, ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৯৫-৯৬ পর্যন্ত শিল্প শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় ২১৩% বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই মানগুলোর মাধ্যমে সময়ের সাথে সাথে দেশের মুদ্রাস্ফীতির হার এবং সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয়ের পরিবর্তন বোঝা যায়।

(ii) ঐ গুলি কি তুলনা মূলক?

উত্তরঃ এই সূচকগুলো সরাসরি তুলনামূলক নয়, তবে এর পেছনে নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে:

ভিন্ন ভিত্তিবর্ষ: সারণিতে দেখা যাচ্ছে শিল্প শ্রমিকদের ভিত্তিবর্ষ ১৯৮২, কিন্তু পাইকারী দাম সূচকের ভিত্তিবর্ষ ১৯৯৩-৯৪। ভিন্ন ভিন্ন ভিত্তিবর্ষ হওয়ার কারণে এদের পরম মানগুলোর মধ্যে সরাসরি গাণিতিক তুলনা করা সঠিক হবে না।

ভোগের ধরনের পার্থক্য: বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের (যেমন—কৃষি শ্রমিক বনাম শিল্প শ্রমিক) প্রয়োজনীয় দ্রব্যের তালিকা এবং তাদের ওপর দেওয়া ‘ভার’ আলাদা হয়, তাই এদের সূচকগুলো পৃথকভাবে বিশ্লেষণ করতে হয়।

NEW VIDEO CLASS

Subject Ka Complete Video Solution Dekhein

Step-by-step easy concept explanation aur full questions Answer ke liye watch karein ya app download karein:

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top