Class 12 Bengali Chapter 8 খরা

resppost2025

Class 12 Bengali Chapter 8 খরা, Class 12 Bengali Question Answer to each chapter is provided in the list so that you can easily browse throughout different chapter Assam Board HS 2nd Year Bengali Chapter 8 খরা Notes and select needs one.

Class 12 Bengali Chapter 8 খরা

Also, you can read the AHSEC book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per AHSEC (CBSE) Book guidelines. These solutions are part of AHSEC All Subject Solutions. Here we have given Assam Board Class 12 Bengali Chapter 8 খরা Solutions for All Subject, You can practice these here.

খরা

Chapter: 8

বাংলা (MIL)

গোট : ১ নির্বাচিত পদ্যাংশ

resppost2025

১। অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নঃ 

( ক ) খরা কবিতাটির কবি কে ? 

উত্তরঃ খরা কবিতাটির কবি হলেন শঙ্খ ঘোষ । 

sqare

( খ ) এটি তাঁর কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ? 

উত্তরঃ এটি তাঁর ‘ মুর্খ বড়ো সামাজিক নয় ’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত । 

২। সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নঃ 

( ক ) খরার ফলে কি হয়েছে ? 

sqare

উত্তরঃ খরার ফলে চারদিকের নদী , নালা , জলাশয় সব শুকিয়ে গেছে । গাছের পাতা ঝড়ে পড়েছে , শুধু বালির স্তূপ দেখা যাচ্ছে । 

( খ ) এইখানে শেষ নয় , এই সবে শুরু ’ – তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর। 

উত্তরঃ উক্তিটির তাৎপর্য এই যে , মানুষ আজ প্রকৃতিকে যেভাবে অবহেলা করছে ঠিক তেমনি প্রাকৃতিক সম্পদসমূহের ধ্বংস করছে । মানুষের এই নির্মমতা প্রাকৃতিক বিপর্যর ডেকে এনেছে ফলে ‘ খরা’র সৃষ্টি হয়েছে । কিন্তু এতেও যে সব শেষ হয়ে গেছে তা নয় , বলা যায় ধ্বংসের সূচনাই হয়েছে । মানুষ আজ মানবিকতা হারিয়ে ফেলেছে , মানবিক মূল্যবোধ হারিয়ে ক্লেদাক্ত সভ্যতা সৃষ্টির উন্মাদনায় সবকিছু নষ্ট করছে । 

sidebar2026

৩। দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্নঃ 

( ক ) “ বালি তুলে বালি তুলে বালি তুলে বালি 

2026

বালি তুলে বালি । ” সপ্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করো । 

উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত কবি শঙ্খ ঘোষ রচিত‘ খরা ’ নামক কবিতা থেকে গৃহিত হয়েছে । বালি তুলে নেওয়া প্রসঙ্গটির পুনরাবৃত্তির মধ্য দিয়ে কবি আসলে বর্তমান সভ্যতার মানুষের ধারাবাহিক ধ্বংসাত্মক কার্যসূচীর কথা বোঝাতে চেয়েছে । 

বর্তমান সভ্যতার নাগরিক জীবনে মানুষ ক্রমশঃ আধুনিক হয়ে উঠছে আর আধুনিক নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করতেই ব্যস্ত । মানুষ আজ প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করছে এমন কী প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করেই অর্থ উপার্জন করেছে । ফলে সমাজে খরার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেমে এসেছে । আর মানুষ এত অমানবিক যে এই ‘ খরা’র থেকে মুনাফা লাভের প্রচেষ্টায় মত্ত । মানুষ বৃক্ষরোপন না করে বৃক্ষছেদন করে নগর তৈরি করে । আর ফলে পৃথিবীতে নেমে আসে অনাবৃষ্টির অভিশাপ । আর এর ফলস্বরূপ ‘ খরা’র সৃষ্টি । 

খরার ফলে নদী – নালা সব শুকিয়ে যায় । চারদিকে শুধু বালির স্তূপ দেখা দেয় । লোভী স্বার্থপর মানুষ সেই বালিকেও ছেড়ে দেয় না । বালি তুলে বিক্রি করে । ফলে পৃথিবীর ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায় । আর পরিণামে ভয়াবহ ভূমিকম্প হয় । মূলত দেখা যায় মানুষই ডেকে আনছে প্রাকৃতিক বিপর্যয় , মানুষের অমানবিক কার্যাবলীর জন্যই প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটে চলে আর এভাবে চলতে থাকলে একদিন সমগ্র পৃথিবীই ধ্বংস হয়ে যাবে । 

( খ ) ‘ খরা ’ কবিতাটির মর্মার্থ বিশ্লেষণ করো । 

sidebar2026

উত্তরঃ কবি শঙ্খ ঘোষের রচিত ‘ খরা ’ কবিতাটিতে মানবসৃষ্ট এক ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সম্পর্কে বলা হয়েছে । মানুষ নগর সভ্যতালোভী হয়ে ক্রমশঃ বৃক্ষচ্ছেদন করে চলেছে । ফলে পৃথিবীতে নেমে আসে অনাবৃষ্টি । আর এই অনাবৃষ্টির ফলে ‘ খরা’র সৃষ্টি হয় । ‘ খরা ’ মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় হওয়ার ফলে চারিদিকে নদী- । শুকিয়ে যায় , গাছের পাতা ঝরে পরে । চতুর্দিক বালিতে ভরে যায় । স্বার্থপর মানুষ এই বালিপূর্ব ভূ – ত্বক কেও ছেড়ে দেয় না । মানুষ এই বালি তুলে নিয়ে বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করে । কবি বলেন এভাবে বালি তুলতে তুলতে একদিন বালিও শেষ হয়ে যাবে । আর পৃথিবীর ভারসাম্যতা নষ্ট হয়ে যাবে । পৃথিবী তার ভারসাম্য হারিয়ে ফেললে মুহূর্তেই মহাপ্রলয় ঘটাবে । খরা কবিতাটিতে কবি আসলে মানুষের অমানবিক রূপটিকেই ফুটিয়ে প্রকাশ করেছেন । যান্ত্রিক সভ্যতা যতই এগিয়ে চলছে পৃথিবী ততটাই ধ্বংসের দিকে ক্রমশঃ চলে পরছে । তাই কবি মানুষের অমানবিক স্বার্থপরতার কথা ‘ খরা ’ কবিতাটির মধ্য দিয়ে বুঝিয়েছেন ।

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Scroll to Top